রামেকে একদিনে ১৫ জনের মৃত্যু
jugantor
রাজশাহী নগরীতে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু
রামেকে একদিনে ১৫ জনের মৃত্যু
শেরপুর পৌর এলাকায় ১৪ দিনের লকডাউন * খুলনায় কাল থেকে বিধিনিষেধ জারি

  যুগান্তর ডেস্ক  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লকডাউন

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হওয়ায় রাজশাহী নগরীতে শুক্রবার বিকাল থেকে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হয়েছে।

এদিন নগরীতে বিধিনিষেধ কার্যকরে কঠোর অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আগামী ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে। সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরেও করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। শেরপুর পৌর এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে ১৪ দিনব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছে।

এছাড়া খুলনায় কাল রোববার থেকে এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। এদিকে নোয়াখালী ও সাতক্ষীরায় লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : করোনার বিস্তার রোধে রাজশাহী মহানগরীতে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন। শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে এই লকডাউন শুরু হয়। এদিন মহানগরীর প্রতিটি মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। টহলে ছিলেন র‌্যাব সদস্যরাও।

লকডাউন বাস্তবায়নে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। বিকাল ৫টার দিকে মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক।

এ সময় তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে সাত দিন কঠোর লকডাউন হবে। লকডাউন মানে লকডাউন। আমরা চাই একটা কমপ্লিট লকডাউন।’ এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তারা মারা যান। রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, মৃতদের মধ্যে সাতজনের করোনা পজিটিভ ছিল।

আর আটজন মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে। করোনায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে রাজশাহীর চারজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনজন এবং নাটোরের একজন রয়েছেন।

এছাড়া উপসর্গে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে রাজশাহীর চারজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন রোগী রয়েছেন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২৯৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৩ জন।

শেরপুর : করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শেরপুর পৌর এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে ১৪ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসকের বাসভবন মিলনায়তনে জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে- আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে যেতে পারবেন না। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বিবাহ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান; পিকনিক স্পট, পর্যটন ও পার্ক বন্ধ থাকবে।

সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট, শপিংমল খোলা রাখা যাবে। জরুরি পরিসেবা ও প্রয়োজন ছাড়া কেউ সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে অবস্থান করতে পারবেন না।

এদিকে জেলায় গেল ২৪ ঘণ্টায় ৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এ সময় কেউ মারা যায়নি। জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৮৫১ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭২৪ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ জন।

নোয়াখালী : জেলায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৪০৩টি নমুনা পরীক্ষা করে এ ফলাফল পাওয়া গেছে। আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত ৯ হাজার ৪৭৩ জন। মোট মৃত্যু ১২৫ জনের।

এদিকে নোয়াখালী পৌরসভা এবং সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। আগামী ১৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এ লকডাউন কার্যকর থাকবে।

সাতক্ষীরা : জেলায় লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধি হয়েছে। আজ সকাল থেকে তা কার্যকর হচ্ছে। এর আগে ৫ জুন ঘোষিত সপ্তাহব্যাপী লকডাউনের মেয়াদ শেষ হয়েছে শুক্রবার রাতে।

এদিন শহরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসালেও ঢিলেঢালা ভাব ছিল। মানুষের চলাচলও ছিল অনেকটা স্বাভাবিক। তবে বিনা কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। বন্ধ ছিল খুলনা ও যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ।

এদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাইপথে প্রবেশের সময় তিন বাংলাদেশিকে ভোমরা সীমান্তে আটক করেছে বিজিবি। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার জানান, বৃহস্পতিবার ২১১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।

নওগাঁ : জেলায় ফ্রি করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাস্তার পাশে কিংবা উন্মুক্ত স্থানে টেবিল-চেয়ার পেতে স্বাস্থ্যকর্মীরা বিনামূল্যে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করাচ্ছে।

নওগাঁ ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন, ৬ জুন থেকে জেলায় ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা গরিব তাদের জন্যই মূলত এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে প্রতিদিন ২০০-২৫০ জনের অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়।

খুলনা : জেলায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই বিধিনিষেধ আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে। বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে- দোকান, শপিংমল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে অযথা ঘোরাঘুরি করতে পারবে না। ইজিবাইক চলবে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে। কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকান এই বিধিনিষেধ আওতামুক্ত থাকবে।

যশোর : বৃহস্পতিবার থেকে যশোর ও নওয়াপাড়া পৌর এলাকায় এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে মাঠে রয়েছে পুলিশ।

রাজশাহী নগরীতে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু

রামেকে একদিনে ১৫ জনের মৃত্যু

শেরপুর পৌর এলাকায় ১৪ দিনের লকডাউন * খুলনায় কাল থেকে বিধিনিষেধ জারি
 যুগান্তর ডেস্ক 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
লকডাউন
করোনার বিস্তার রোধে রাজশাহী নগরীতে ১১ জুন বিকাল ৫টা থেকে ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করার পর মানুষকে সতর্ক করে মাইকিং। শুক্রবার সাহেব বাজার থেকে তোলা ছবি -যুগান্তর

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি হওয়ায় রাজশাহী নগরীতে শুক্রবার বিকাল থেকে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হয়েছে।

এদিন নগরীতে বিধিনিষেধ কার্যকরে কঠোর অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আগামী ১৭ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত এটি বহাল থাকবে। সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরেও করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। শেরপুর পৌর এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে ১৪ দিনব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছে।

এছাড়া খুলনায় কাল রোববার থেকে এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। এদিকে নোয়াখালী ও সাতক্ষীরায় লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- 

রাজশাহী : করোনার বিস্তার রোধে রাজশাহী মহানগরীতে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন। শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে এই লকডাউন শুরু হয়। এদিন মহানগরীর প্রতিটি মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। টহলে ছিলেন র‌্যাব সদস্যরাও।

লকডাউন বাস্তবায়নে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। বিকাল ৫টার দিকে মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক।

এ সময় তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে সাত দিন কঠোর লকডাউন হবে। লকডাউন মানে লকডাউন। আমরা চাই একটা কমপ্লিট লকডাউন।’ এদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তারা মারা যান। রামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, মৃতদের মধ্যে সাতজনের করোনা পজিটিভ ছিল।

আর আটজন মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে। করোনায় মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে রাজশাহীর চারজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনজন এবং নাটোরের একজন রয়েছেন।

এছাড়া উপসর্গে মারা যাওয়া আটজনের মধ্যে রাজশাহীর চারজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন রোগী রয়েছেন। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২৯৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৩ জন। 

শেরপুর : করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শেরপুর পৌর এলাকায় শুক্রবার সকাল থেকে ১৪ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসকের বাসভবন মিলনায়তনে জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে- আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বাইরে যেতে পারবেন না। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, বিবাহ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান; পিকনিক স্পট, পর্যটন ও পার্ক বন্ধ থাকবে।

সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট, শপিংমল খোলা রাখা যাবে। জরুরি পরিসেবা ও প্রয়োজন ছাড়া কেউ সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বাড়ির বাইরে অবস্থান করতে পারবেন না।

এদিকে জেলায় গেল ২৪ ঘণ্টায় ৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় আরও ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এ সময় কেউ মারা যায়নি। জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৮৫১ জন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭২৪ জন। এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ জন। 

নোয়াখালী : জেলায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ৪০৩টি নমুনা পরীক্ষা করে এ ফলাফল পাওয়া গেছে। আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্ত ৯ হাজার ৪৭৩ জন। মোট মৃত্যু ১২৫ জনের।

এদিকে নোয়াখালী পৌরসভা এবং সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। আগামী ১৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এ লকডাউন কার্যকর থাকবে। 

সাতক্ষীরা : জেলায় লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধি হয়েছে। আজ সকাল থেকে তা কার্যকর হচ্ছে। এর আগে ৫ জুন ঘোষিত সপ্তাহব্যাপী লকডাউনের মেয়াদ শেষ হয়েছে শুক্রবার রাতে।

এদিন শহরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসালেও ঢিলেঢালা ভাব ছিল। মানুষের চলাচলও ছিল অনেকটা স্বাভাবিক। তবে বিনা কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ। বন্ধ ছিল খুলনা ও যশোর থেকে সাতক্ষীরায় প্রবেশের পথ।

এদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাইপথে প্রবেশের সময় তিন বাংলাদেশিকে ভোমরা সীমান্তে আটক করেছে বিজিবি। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার জানান, বৃহস্পতিবার ২১১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। 

নওগাঁ : জেলায় ফ্রি করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাস্তার পাশে কিংবা উন্মুক্ত স্থানে টেবিল-চেয়ার পেতে স্বাস্থ্যকর্মীরা বিনামূল্যে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করাচ্ছে।

নওগাঁ ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন, ৬ জুন থেকে জেলায় ফ্রি অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করা হয়েছে। বিশেষ করে যারা গরিব তাদের জন্যই মূলত এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে প্রতিদিন ২০০-২৫০ জনের অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। 

খুলনা : জেলায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এক সপ্তাহের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই বিধিনিষেধ আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে। বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে- দোকান, শপিংমল, রেস্তোরাঁ ইত্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে অযথা ঘোরাঘুরি করতে পারবে না। ইজিবাইক চলবে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে। কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকান এই বিধিনিষেধ আওতামুক্ত থাকবে। 

যশোর : বৃহস্পতিবার থেকে যশোর ও নওয়াপাড়া পৌর এলাকায় এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) আরোপ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে মাঠে রয়েছে পুলিশ। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন