বিএনপিই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে: ওবায়দুল কাদের
jugantor
বিএনপিই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে: ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যারা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়, তারাই দেশকে অকার্যকর এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য; বরং বিএনপিই একের পর এক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে।

সরকারি বাসভবনে শনিবার সকালে অনলাইন ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ের গ্যারান্টি দিলে তবেই নির্বাচন কমিশন তাদের ভাষায় নিরপেক্ষ! আর তাদের পক্ষে রায় দিলেই বিচার বিভাগ স্বাধীন! বিএনপি নেতাদের অপরাধ ও দুর্নীতির বিচার না করলে দুদক ভালো! বিএনপিই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিএনপিকে ক্ষমতাপাগল আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি এখন দিশেহারা, ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি বলেন, তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না, তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্ব সভায় সম্ভাবনাময় দেশ।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিবশতবর্ষ পালন উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে কারা তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল দেশবাসী তা জানে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, কারা হামলা ও এর পৃষ্ঠপোষক এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারা জড়িত তা ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট হয়েছে। বিএনপিকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা যতই অস্বীকার করুক সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ নীতি থেকে বের হতে পারবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০১৩-১৪ সালে আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে এর দায় আওয়ামী লীগের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছে বিএনপি, নিজেদের অপকর্ম ও ব্যর্থতা আড়াল করতে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির পুরনো অভ্যাস।

বিএনপিই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে: ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যারা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয়, তারাই দেশকে অকার্যকর এবং ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য; বরং বিএনপিই একের পর এক গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কিত করছে।

সরকারি বাসভবনে শনিবার সকালে অনলাইন ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ের গ্যারান্টি দিলে তবেই নির্বাচন কমিশন তাদের ভাষায় নিরপেক্ষ! আর তাদের পক্ষে রায় দিলেই বিচার বিভাগ স্বাধীন! বিএনপি নেতাদের অপরাধ ও দুর্নীতির বিচার না করলে দুদক ভালো! বিএনপিই গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিএনপিকে ক্ষমতাপাগল আখ্যায়িত করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি এখন দিশেহারা, ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার মোহে বিএনপি নেতারা এখন মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন। তিনি বলেন, তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না, তাদের চরিত্র এখন দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ বিশ্ব সভায় সম্ভাবনাময় দেশ।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিবশতবর্ষ পালন উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে কারা তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল দেশবাসী তা জানে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, কারা হামলা ও এর পৃষ্ঠপোষক এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারা জড়িত তা ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট হয়েছে। বিএনপিকে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা যতই অস্বীকার করুক সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ নীতি থেকে বের হতে পারবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০১৩-১৪ সালে আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে এর দায় আওয়ামী লীগের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছে বিএনপি, নিজেদের অপকর্ম ও ব্যর্থতা আড়াল করতে উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো বিএনপির পুরনো অভ্যাস।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন