রামেকে একদিনে আরও ১৩ জনের মৃত্যু
jugantor
রাজশাহীতে লকডাউনেও রাস্তায় মানুষ
রামেকে একদিনে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একদিনে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেল তিন দিনে মারা গেলেন ৩২ জন। রাজশাহী নগরীতে সর্বাত্মক লকডাউন চললেও নানা অজুহাতে বের হচ্ছেন মানুষ। এক সপ্তাহের লকডাউনের তৃতীয় দিন রোববার রাস্তায় মানুষের চলাচল অনেক বেশি দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির পরও অনেকে গলিপথে শহরে ঢুকছেন এবং বের হয়ে যাচ্ছেন। মাগুরা শহর ও নাটোর পৌরসভা কার্যালয়ে রোববার সন্ধ্যা থেকে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। জামালপুর পৌরসভায় দেওয়া হয়েছে ১৮ দিনের লকডাউন। ঝিনাইদহে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, গেল ২৪ ঘণ্টায় সেখানে শনাক্তের হার ছিল ৪৫ শতাংশ। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : রোববার নগরীর বিপণিবিতান ও অন্য দোকানপাট বন্ধ ছিল। মহানগরীর প্রবেশমুখগুলোতে ছিল পুলিশের নজরদারি। পশ্চিম দিক থেকে মহানগরীতে প্রবেশের প্রধান পয়েন্ট কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় পুলিশের বাড়তি তৎপরতা লক্ষ করা গেছে। এছাড়া পূর্বে তালাইমারী মোড়েও পুলিশের তৎপরতা দেখা গেছে। টহলে আছেন র‌্যাব সদস্যরাও। এরপরও মহানগরীর রাস্তায় মানুষের চলাচল দেখা গেছে আগের দুই দিনের চেয়ে বেশি। কিছু রিকশা-অটোরিকশাও চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজারের জন্য দুপুরে মহানগরীর সাহেববাজার এলাকায় মানুষের বেশ উপস্থিতি দেখা গেছে। দুপুর ২টার দিকে সাহেববাজার এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাত দিনের লকডাউন কঠোরভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে।’ দিনভর মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতও মাঠে ছিল। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন শনিবার স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৫৭ জনকে ৩৪ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, মৃত ১৩ জনের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছয়জন, রাজশাহীর দুজন, নাটোরের একজন, নওগাঁর তিনজন এবং কুষ্টিয়ার একজন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁচজন এবং নওগাঁর একজন রোগী করোনা পজিটিভ ছিলেন। বাকিরা উপসর্গে মারা গেছেন। রোববার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২৯৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪২ জন। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট বেডের সংখ্যা ২৭১টি।

মাগুরা : করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাগুরা শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ডক্টর আশরাফুল ইসলাম এই ঘোষণা দেন। লকডাউন চলাকালে জরুরি পরিসেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনসমাগম না করতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে শহরে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মাগুরা পৌরসভার পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। রোববার জেলায় ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জামালপুর : জামালপুর পৌরসভা এলাকায় রোববার থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। লকডাউন কার্যকর করতে ১০টি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মুর্শেদা জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাটোর ও সিংড়া : নাটোর পৌরসভা এলাকার পর এবার পৌরসভা ভবনে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন মেয়র উমা চৌধুরী জলি। রোববার দুপুরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই লকডাউন চলবে বলে ঘোষণা দেন মেয়র। তিনি বলেন, পৌরসভার ৪৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আরও অনেকে অসুস্থ থাকায় তাদেরও নমুনা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়েছে। তারা এখন নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। ফলে পৌরসভার বিশেষ জরুরি কাজের জন্য ২-১টি শাখায় সীমিতভাবে কাজ চললেও জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এদিকে রোববার সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও দুজন ডাক্তার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

ঝিনাইদহ : জেলায় ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭ জন, শৈলকুপায় ১০ জন, হরিণাকুণ্ডুতে দুজন, কালীগঞ্জে ১০ জন, কোটচাঁদপুরে ৫ এবং সীমান্তসংলগ্ন মহেশপুর উপজেলায় ৭ জন। শনাক্তের হার ৪৫ শতাংশ। সিভিল সার্জনের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। গেল কয়েকদিনে ৩৩ জন গ্রামবাসী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। একটি গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। এদিকে রোববার মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ৫৮ বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে প্রবেশের পর ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

দিনাজপুর : জেলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। গেল ৪৮ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪৩ জন। গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৫ জন। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ১৪ শতাংশ।

রাজশাহীতে লকডাউনেও রাস্তায় মানুষ

রামেকে একদিনে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একদিনে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেল তিন দিনে মারা গেলেন ৩২ জন। রাজশাহী নগরীতে সর্বাত্মক লকডাউন চললেও নানা অজুহাতে বের হচ্ছেন মানুষ। এক সপ্তাহের লকডাউনের তৃতীয় দিন রোববার রাস্তায় মানুষের চলাচল অনেক বেশি দেখা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির পরও অনেকে গলিপথে শহরে ঢুকছেন এবং বের হয়ে যাচ্ছেন। মাগুরা শহর ও নাটোর পৌরসভা কার্যালয়ে রোববার সন্ধ্যা থেকে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। জামালপুর পৌরসভায় দেওয়া হয়েছে ১৮ দিনের লকডাউন। ঝিনাইদহে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, গেল ২৪ ঘণ্টায় সেখানে শনাক্তের হার ছিল ৪৫ শতাংশ। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : রোববার নগরীর বিপণিবিতান ও অন্য দোকানপাট বন্ধ ছিল। মহানগরীর প্রবেশমুখগুলোতে ছিল পুলিশের নজরদারি। পশ্চিম দিক থেকে মহানগরীতে প্রবেশের প্রধান পয়েন্ট কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় পুলিশের বাড়তি তৎপরতা লক্ষ করা গেছে। এছাড়া পূর্বে তালাইমারী মোড়েও পুলিশের তৎপরতা দেখা গেছে। টহলে আছেন র‌্যাব সদস্যরাও। এরপরও মহানগরীর রাস্তায় মানুষের চলাচল দেখা গেছে আগের দুই দিনের চেয়ে বেশি। কিছু রিকশা-অটোরিকশাও চলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাঁচাবাজারের জন্য দুপুরে মহানগরীর সাহেববাজার এলাকায় মানুষের বেশ উপস্থিতি দেখা গেছে। দুপুর ২টার দিকে সাহেববাজার এলাকায় লকডাউন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে যান জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাত দিনের লকডাউন কঠোরভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে।’ দিনভর মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতও মাঠে ছিল। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন শনিবার স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৫৭ জনকে ৩৪ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, মৃত ১৩ জনের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছয়জন, রাজশাহীর দুজন, নাটোরের একজন, নওগাঁর তিনজন এবং কুষ্টিয়ার একজন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁচজন এবং নওগাঁর একজন রোগী করোনা পজিটিভ ছিলেন। বাকিরা উপসর্গে মারা গেছেন। রোববার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট ২৯৪ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪২ জন। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোট বেডের সংখ্যা ২৭১টি।

মাগুরা : করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাগুরা শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ডক্টর আশরাফুল ইসলাম এই ঘোষণা দেন। লকডাউন চলাকালে জরুরি পরিসেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া সব দোকান ও শপিংমল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনসমাগম না করতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে শহরে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি মাগুরা পৌরসভার পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। রোববার জেলায় ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জামালপুর : জামালপুর পৌরসভা এলাকায় রোববার থেকে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। লকডাউন কার্যকর করতে ১০টি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক মুর্শেদা জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাটোর ও সিংড়া : নাটোর পৌরসভা এলাকার পর এবার পৌরসভা ভবনে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন মেয়র উমা চৌধুরী জলি। রোববার দুপুরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই লকডাউন চলবে বলে ঘোষণা দেন মেয়র। তিনি বলেন, পৌরসভার ৪৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আরও অনেকে অসুস্থ থাকায় তাদেরও নমুনা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়েছে। তারা এখন নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। ফলে পৌরসভার বিশেষ জরুরি কাজের জন্য ২-১টি শাখায় সীমিতভাবে কাজ চললেও জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এদিকে রোববার সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরও দুজন ডাক্তার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

ঝিনাইদহ : জেলায় ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় ১৭ জন, শৈলকুপায় ১০ জন, হরিণাকুণ্ডুতে দুজন, কালীগঞ্জে ১০ জন, কোটচাঁদপুরে ৫ এবং সীমান্তসংলগ্ন মহেশপুর উপজেলায় ৭ জন। শনাক্তের হার ৪৫ শতাংশ। সিভিল সার্জনের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। মহেশপুর উপজেলার সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। গেল কয়েকদিনে ৩৩ জন গ্রামবাসী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। একটি গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। এদিকে রোববার মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ৫৮ বিজিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে প্রবেশের পর ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

দিনাজপুর : জেলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। গেল ৪৮ ঘণ্টায় করোনায় ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪৩ জন। গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৫ জন। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ১৪ শতাংশ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন