যুগপৎ আন্দোলনের ভাবনা বিএনপির
jugantor
যুগপৎ আন্দোলনের ভাবনা বিএনপির

  হাবিবুর রহমান খান  

১৭ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ কয়েকটি দাবিতে ফের রাজপথে আন্দোলনের কথা ভাবছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে সরকারের বাইরে থাকা দল, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের চিন্তা করছে দলটি। সেই আন্দোলনে ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকেও পাশে চায় তারা।

যুগপৎ আন্দোলনের প্রাথমিক কাজও শুরু করেছে বিএনপির হাইকমান্ড। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে দলটির একাধিক নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে জানান। তারা মনে করেন, বিএনপির একার পক্ষে আন্দোলন করে দাবি আদায় করা বেশ কঠিন। সরকারবিরোধী একটি সফল আন্দোলনে সব দল, মতকে ঐক্যবদ্ধ করার বিকল্প নেই।

জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের বিকল্প নেই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সরকারবিরোধী একটা জনমত তৈরি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। দেশের প্রতিটি মানুষ এবং গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক যেসব দল রয়েছে তাদেরও দাবি একই। তাই যার যার অবস্থান থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলন করা যেতে পারে।

এ বর্ষীয়ান নেতা বলেন, সব দলকে ঐক্যবদ্ধ করে সরকারের বিরুদ্ধে আমরা একটি যুগপৎ আন্দোলনের চেষ্টা করছি। এ লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা চাই একটা জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হোক। রাজনীতিতে সুস্থ ধারা আনতে হলে আওয়ামী লীগের অপশাসনের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল এমন বিভিন্ন পেশার মানুষকে একসঙ্গে সোচ্চার হতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারবিরোধী আন্দোলনের কৌশল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলসহ দলের শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে। বলছেন, নানা প্রতিকূলতায় একই প্ল্যাটফরমে সরকারবিরোধী আন্দোলন করা সম্ভব নয়। তাই কিভাবে যুগপৎ আন্দোলন করা যায় সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু রাজনৈতিক দল নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পরামর্শ তাদের। তাহলে এতে সাধারণ মানুষের সমর্থন পাওয়া যাবে।

বিএনপি নেতারা মনে করেন, বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের ভুলগুলো চিহ্নিত করতে হবে। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করতে হবে। এমন কৌশল নিয়ে রাজপথে নামতে হবে যাতে আন্দোলন মুখ থুবড়ে না পড়ে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয়যন্ত্র ব্যবহার করে যে কোনো আন্দোলন দমিয়ে রাখার কৌশল নিয়েছে। তাই বিএনপির একার পক্ষে তাদের মোকাবিলা করা কঠিন হবে। তাছাড়া নানা কারণে তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতাও আগের চেয়ে দুর্বল। এ কারণে এবারের আন্দোলনকে গণআন্দোলনে রূপ দিতে হবে।

জানতে চাইলে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার বিকল্প নেই। বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপির একার পক্ষে আন্দোলন করে দাবি আদায় কিংবা সরকার পতন অসম্ভব। তাই সব দল ও মতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা বৃহত্তর পরিসরে আন্দোলনে নামতে হবে। একই প্ল্যাটফরমে সেই আন্দোলন সম্ভব না হলে যার যার অবস্থান থেকেও করা যেতে পারে। অর্থাৎ যুগপৎ আন্দোলন। তবে সবার লক্ষ্য হতে হবে একই। এ ব্যাপারে বড় দল হিসাবে বিএনপিকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তৈরিতে ডান-বাম সব রাজনৈতিক দল একই পতাকাতলে আসবে। কারণ, এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলেন, যুগপৎ আন্দোলনে সবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকবে সরকারবিরোধী জনমত তৈরি করা। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকারকে বাধ্য করা। যার যার অবস্থান থেকে পৃথক কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপর সময়-সুযোগ মতো সব দল মিলে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

বামপন্থিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্ট কয়েক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। তবে এখনো যোগাযোগ করা হয়নি। এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনের জন্য এতটা আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন তারা। বিএনপি সরকারবিরোধী আন্দোলন চায় কিনা সেটা তাদের প্রমাণ করতে হবে। আগে তাদের মাঠে নেমে দেখাতে হবে তারা সত্যিকার অর্থে আন্দোলন চায়। কোনো চুক্তি বা সমঝোতা করে কখনো আন্দোলন হয় না। রাজপথে আন্দোলন শুরু হলেই সেটা বৃহত্তর ঐক্যের পথ সৃষ্টি করবে।

এ প্রসঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি যুগান্তরকে বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি যে ভোটারবিহীন সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রতিষ্ঠা করতে হবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার। এজন্য আন্দোলনের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে জনগণের বৃহত্তর ঐক্য দরকার। সেটা রাজপথের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো যার যার অবস্থান থেকে যে লড়াই করছে সেটাকে ঐক্যবদ্ধে রূপ দিতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে সেই আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছি। সাকি বলেন, আমরা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আমন্ত্রণ পাইনি। বিএনপিকে আগে রাজপথের আন্দোলনে নামতে হবে। এরপর কোনো প্রস্তাব দিলে তখন সেটাকে সবাই গুরুত্ব দেবে।

জানতে চাইলে ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম যুগান্তরকে বলেন, এবার আমাদের কথার চেয়ে কাজ বেশি করতে হবে। বিএনপির একার পক্ষে এ দানব সরকারকে হটানো বেশ কঠিন। এজন্য সব দল ও মতকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বড় দল হিসাবে বিএনপিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে জোটবদ্ধ হয়ে একই প্ল্যাটফরমে সম্ভব না হলেও যার যার অবস্থান থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে পারে। তবে জোটকে অবশ্যই সেই আন্দোলন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। এজন্য জোটকে আরও ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন।

যুগপৎ আন্দোলনের ভাবনা বিএনপির

 হাবিবুর রহমান খান 
১৭ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ কয়েকটি দাবিতে ফের রাজপথে আন্দোলনের কথা ভাবছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে সরকারের বাইরে থাকা দল, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনের চিন্তা করছে দলটি। সেই আন্দোলনে ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকেও পাশে চায় তারা।

যুগপৎ আন্দোলনের প্রাথমিক কাজও শুরু করেছে বিএনপির হাইকমান্ড। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে দলটির একাধিক নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে জানান। তারা মনে করেন, বিএনপির একার পক্ষে আন্দোলন করে দাবি আদায় করা বেশ কঠিন। সরকারবিরোধী একটি সফল আন্দোলনে সব দল, মতকে ঐক্যবদ্ধ করার বিকল্প নেই।

জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের বিকল্প নেই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সরকারবিরোধী একটা জনমত তৈরি ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। দেশের প্রতিটি মানুষ এবং গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক যেসব দল রয়েছে তাদেরও দাবি একই। তাই যার যার অবস্থান থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলন করা যেতে পারে।

এ বর্ষীয়ান নেতা বলেন, সব দলকে ঐক্যবদ্ধ করে সরকারের বিরুদ্ধে আমরা একটি যুগপৎ আন্দোলনের চেষ্টা করছি। এ লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছি। আমরা চাই একটা জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি হোক। রাজনীতিতে সুস্থ ধারা আনতে হলে আওয়ামী লীগের অপশাসনের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল এমন বিভিন্ন পেশার মানুষকে একসঙ্গে সোচ্চার হতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারবিরোধী আন্দোলনের কৌশল নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলসহ দলের শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে। বলছেন, নানা প্রতিকূলতায় একই প্ল্যাটফরমে সরকারবিরোধী আন্দোলন করা সম্ভব নয়। তাই কিভাবে যুগপৎ আন্দোলন করা যায় সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু রাজনৈতিক দল নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার পরামর্শ তাদের। তাহলে এতে সাধারণ মানুষের সমর্থন পাওয়া যাবে।

বিএনপি নেতারা মনে করেন, বিগত সরকারবিরোধী আন্দোলনের ভুলগুলো চিহ্নিত করতে হবে। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করতে হবে। এমন কৌশল নিয়ে রাজপথে নামতে হবে যাতে আন্দোলন মুখ থুবড়ে না পড়ে। বর্তমান সরকার রাষ্ট্রীয়যন্ত্র ব্যবহার করে যে কোনো আন্দোলন দমিয়ে রাখার কৌশল নিয়েছে। তাই বিএনপির একার পক্ষে তাদের মোকাবিলা করা কঠিন হবে। তাছাড়া নানা কারণে তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতাও আগের চেয়ে দুর্বল। এ কারণে এবারের আন্দোলনকে গণআন্দোলনে রূপ দিতে হবে।

জানতে চাইলে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামার বিকল্প নেই। বর্তমান বাস্তবতায় বিএনপির একার পক্ষে আন্দোলন করে দাবি আদায় কিংবা সরকার পতন অসম্ভব। তাই সব দল ও মতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটা বৃহত্তর পরিসরে আন্দোলনে নামতে হবে। একই প্ল্যাটফরমে সেই আন্দোলন সম্ভব না হলে যার যার অবস্থান থেকেও করা যেতে পারে। অর্থাৎ যুগপৎ আন্দোলন। তবে সবার লক্ষ্য হতে হবে একই। এ ব্যাপারে বড় দল হিসাবে বিএনপিকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তৈরিতে ডান-বাম সব রাজনৈতিক দল একই পতাকাতলে আসবে। কারণ, এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।

বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলেন, যুগপৎ আন্দোলনে সবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকবে সরকারবিরোধী জনমত তৈরি করা। নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকারকে বাধ্য করা। যার যার অবস্থান থেকে পৃথক কর্মসূচি পালন করা হবে। এরপর সময়-সুযোগ মতো সব দল মিলে ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে।

বামপন্থিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিশিষ্ট কয়েক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, সরকারবিরোধী আন্দোলন নিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে নতুন করে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। তবে এখনো যোগাযোগ করা হয়নি। এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনের জন্য এতটা আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন তারা। বিএনপি সরকারবিরোধী আন্দোলন চায় কিনা সেটা তাদের প্রমাণ করতে হবে। আগে তাদের মাঠে নেমে দেখাতে হবে তারা সত্যিকার অর্থে আন্দোলন চায়। কোনো চুক্তি বা সমঝোতা করে কখনো আন্দোলন হয় না। রাজপথে আন্দোলন শুরু হলেই সেটা বৃহত্তর ঐক্যের পথ সৃষ্টি করবে।

এ প্রসঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি যুগান্তরকে বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি যে ভোটারবিহীন সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রতিষ্ঠা করতে হবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার। এজন্য আন্দোলনের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে জনগণের বৃহত্তর ঐক্য দরকার। সেটা রাজপথের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো যার যার অবস্থান থেকে যে লড়াই করছে সেটাকে ঐক্যবদ্ধে রূপ দিতে হবে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে সেই আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছি। সাকি বলেন, আমরা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আমন্ত্রণ পাইনি। বিএনপিকে আগে রাজপথের আন্দোলনে নামতে হবে। এরপর কোনো প্রস্তাব দিলে তখন সেটাকে সবাই গুরুত্ব দেবে।

জানতে চাইলে ২০ দলীয় জোটের শরিক এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম যুগান্তরকে বলেন, এবার আমাদের কথার চেয়ে কাজ বেশি করতে হবে। বিএনপির একার পক্ষে এ দানব সরকারকে হটানো বেশ কঠিন। এজন্য সব দল ও মতকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বড় দল হিসাবে বিএনপিকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে জোটবদ্ধ হয়ে একই প্ল্যাটফরমে সম্ভব না হলেও যার যার অবস্থান থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে পারে। তবে জোটকে অবশ্যই সেই আন্দোলন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। এজন্য জোটকে আরও ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন