দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৩, শনাক্ত ৩৮৪০
jugantor
দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৩, শনাক্ত ৩৮৪০

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগেই মারা গেছেন ২০ জন। রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন।

সীমান্ত এলাকা থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাবে রাজধানীতেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তবে মানুষের মধ্যে এখনো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা নেই। মাস্ক ছাড়াই বেশির ভাগ মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এদিকে একদিনে শনাক্ত কিছুটা কমলেও বেড়েছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ৩ মে এর চেয়ে বেশি ৬৫ জনের মৃত্যু হয়।

আগের দিন মারা যায় ৬০ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৪৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৮৪০ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। বুধবার শনাক্ত হয়েছিল ৩৯৫৬ জন। সবমিলিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪১ হাজার ৮৭ জন। সরকারি হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭১৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬৬ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। তা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১১ মে তা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫২৮টি ল্যাবে ২৪ হাজার ৮৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৬৫৭টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯৬৩টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৬ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯৪টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ৪৫ জন পুরুষ আর নারী ১৮ জন।

তাদের ৪৬ জন সরকারি হাসপাতালে, নয়জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং আটজন বাসায় মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, সাতজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, সাতজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর, একজনের ২১ থেকে ৩০ বছর এবং দুজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১০ জন, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১৩ জন রাজশাহী বিভাগের, ২০ জন খুলনা বিভাগের, বরিশাল বিভাগের তিনজন, দুজন সিলেট বিভাগের, দুজন রংপুর বিভাগের এবং দুজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এ পর্যন্ত মৃত ১৩ হাজার ৩৪৫ জনের মধ্যে ৯ হাজার ৫৮৮ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৭৫৭ জন নারী।

দেশে করোনায় মৃত্যু ৬৩, শনাক্ত ৩৮৪০

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগেই মারা গেছেন ২০ জন। রাজশাহী বিভাগে ১৩ জন।

সীমান্ত এলাকা থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে। এর প্রভাবে রাজধানীতেও বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। তবে মানুষের মধ্যে এখনো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রবণতা নেই। মাস্ক ছাড়াই বেশির ভাগ মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এদিকে একদিনে শনাক্ত কিছুটা কমলেও বেড়েছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা দেড় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ৩ মে এর চেয়ে বেশি ৬৫ জনের মৃত্যু হয়।

আগের দিন মারা যায় ৬০ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩৪৫ জন। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩৮৪০ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। বুধবার শনাক্ত হয়েছিল ৩৯৫৬ জন। সবমিলিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪১ হাজার ৮৭ জন। সরকারি হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭১৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৪৬৬ জন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ। তা আট লাখ পেরিয়ে যায় এ বছর ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে ৭ এপ্রিল রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১১ মে তা ১২ হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ১৯ এপ্রিল রেকর্ড ১১২ জনের মৃত্যু হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৫২৮টি ল্যাবে ২৪ হাজার ৮৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৬৫৭টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯৬৩টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৬ লাখ ৯৩ হাজার ৬৯৪টি। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের ৪৫ জন পুরুষ আর নারী ১৮ জন।

তাদের ৪৬ জন সরকারি হাসপাতালে, নয়জন বেসরকারি হাসপাতালে এবং আটজন বাসায় মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩১ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি, ১৫ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, সাতজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, সাতজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর, একজনের ২১ থেকে ৩০ বছর এবং দুজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ছিল।

মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১০ জন, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ১৩ জন রাজশাহী বিভাগের, ২০ জন খুলনা বিভাগের, বরিশাল বিভাগের তিনজন, দুজন সিলেট বিভাগের, দুজন রংপুর বিভাগের এবং দুজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এ পর্যন্ত মৃত ১৩ হাজার ৩৪৫ জনের মধ্যে ৯ হাজার ৫৮৮ জন পুরুষ এবং ৩ হাজার ৭৫৭ জন নারী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন