ভবন নির্মাণের চেষ্টা সড়ক বিভাগের আদালতে গণপূর্ত
jugantor
জমি নিয়ে টানাটানি
ভবন নির্মাণের চেষ্টা সড়ক বিভাগের আদালতে গণপূর্ত

  এ এম জুবায়েদ রিপন, কুষ্টিয়া  

২১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় একটি জমি নিজেদের দাবি করে টানাটানি করছে গণপূর্ত এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ। আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকার পরও ওই জায়গায় অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ গণপূর্তের। ইতোমধ্যে ভবন নির্মাণের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ দরপত্র আহ্বান করেছে। ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জায়গায় বড় একটি বাগান রয়েছে। গাছ কাটার জন্য টানানো হয়েছে লাল পতাকা। শহরের চৌড়হাসে সড়ক ও জনপথের জায়গায় তাদের উপবিভাগীয় অফিস রয়েছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণও করা হয় কয়েক বছর আগে। প্রস্তাবিত সড়ক ভবনের সাইনবোর্ডও দেওয়া আছে।

গণপূর্ত অফিসের একটি সূত্র জানায়, শহরের পৌর এলাকায় কোর্টপাড়া সাদ্দাম বাজার মোড়ে গণপূর্তের কার্যালয়। তাদের দাবি, ক্যাম্পাসের পুরো জায়গার মালিক গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রায় ২০ বছর আগে এ ভবনটি সিঅ্যান্ডবির ছিল। তখন সড়ক ও জনপথ এবং গণপূর্ত ছিল একসঙ্গে। পরে আলাদা হয়ে যায়। কোর্টপাড়া ও চৌড়হাসের জায়গা এ দুটি বিভাগের পাওয়ার কথা থাকলেও শুধু সড়ক ও জনপথের নামে রেকর্ড হয়ে যায়। এতে পরে তারা পুরো জায়গার মালিকানা দাবি করে। গণপূর্ত অফিস থেকে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করা হয়েছে।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক ও জনপথ যে ভবনটি ব্যবহার করছে সেটি এক সময় আমাদের ছিল। আমরা ভবনটি তাদের ছেড়ে দিই। চৌড়হাসে জায়গা থাকার পরও ৫০ বছরের বাগান উজাড় করে ভবন নির্মাণের জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছে।

এদিকে গাছ কাটার জন্য বন বিভাগের অনুমতির জন্য কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ থেকে এখনো কোনো আবেদন করা হয়নি। তারা নিজেরাই গাছ মার্কিং করে কাটার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সড়ক ও জনপথ বারবার বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই কুষ্টিয়াতে গাছ কেটে নিচ্ছে। সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ছালেহ মো. শোয়াইব খান বলেন, বন আইন অনুযায়ী যে কোনো দপ্তরে গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা হলে সেটা আইনসিদ্ধ হবে না।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিরুল ইসলাম বলেন, পুরো ক্যাম্পাসের জায়গা আমাদের। আমরা খাজনা পরিশোধ করে আসছি। ভবন করার জন্য পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। এজন্য সরকার অর্থ বরাদ্দ করেছে। যে মামলার কথা গণপূর্ত বলছে সে মামলায় তারা কয়েকবার হেরেছে। পরে তারা আরেকটি মামলা করেছে।

জমি নিয়ে টানাটানি

ভবন নির্মাণের চেষ্টা সড়ক বিভাগের আদালতে গণপূর্ত

 এ এম জুবায়েদ রিপন, কুষ্টিয়া 
২১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় একটি জমি নিজেদের দাবি করে টানাটানি করছে গণপূর্ত এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ। আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকার পরও ওই জায়গায় অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের পাঁয়তারা করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ গণপূর্তের। ইতোমধ্যে ভবন নির্মাণের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ দরপত্র আহ্বান করেছে। ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জায়গায় বড় একটি বাগান রয়েছে। গাছ কাটার জন্য টানানো হয়েছে লাল পতাকা। শহরের চৌড়হাসে সড়ক ও জনপথের জায়গায় তাদের উপবিভাগীয় অফিস রয়েছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণও করা হয় কয়েক বছর আগে। প্রস্তাবিত সড়ক ভবনের সাইনবোর্ডও দেওয়া আছে।

গণপূর্ত অফিসের একটি সূত্র জানায়, শহরের পৌর এলাকায় কোর্টপাড়া সাদ্দাম বাজার মোড়ে গণপূর্তের কার্যালয়। তাদের দাবি, ক্যাম্পাসের পুরো জায়গার মালিক গণপূর্ত অধিদপ্তর। প্রায় ২০ বছর আগে এ ভবনটি সিঅ্যান্ডবির ছিল। তখন সড়ক ও জনপথ এবং গণপূর্ত ছিল একসঙ্গে। পরে আলাদা হয়ে যায়। কোর্টপাড়া ও চৌড়হাসের জায়গা এ দুটি বিভাগের পাওয়ার কথা থাকলেও শুধু সড়ক ও জনপথের নামে রেকর্ড হয়ে যায়। এতে পরে তারা পুরো জায়গার মালিকানা দাবি করে। গণপূর্ত অফিস থেকে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করা হয়েছে।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক ও জনপথ যে ভবনটি ব্যবহার করছে সেটি এক সময় আমাদের ছিল। আমরা ভবনটি তাদের ছেড়ে দিই। চৌড়হাসে জায়গা থাকার পরও ৫০ বছরের বাগান উজাড় করে ভবন নির্মাণের জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছে।

এদিকে গাছ কাটার জন্য বন বিভাগের অনুমতির জন্য কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ থেকে এখনো কোনো আবেদন করা হয়নি। তারা নিজেরাই গাছ মার্কিং করে কাটার পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, সড়ক ও জনপথ বারবার বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই কুষ্টিয়াতে গাছ কেটে নিচ্ছে। সামাজিক বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা ছালেহ মো. শোয়াইব খান বলেন, বন আইন অনুযায়ী যে কোনো দপ্তরে গাছ কাটতে হলে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা হলে সেটা আইনসিদ্ধ হবে না।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিরুল ইসলাম বলেন, পুরো ক্যাম্পাসের জায়গা আমাদের। আমরা খাজনা পরিশোধ করে আসছি। ভবন করার জন্য পৌরসভা থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়েছে। এজন্য সরকার অর্থ বরাদ্দ করেছে। যে মামলার কথা গণপূর্ত বলছে সে মামলায় তারা কয়েকবার হেরেছে। পরে তারা আরেকটি মামলা করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন