মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ৩ দিনের রিমান্ডে
jugantor
কদমতলীতে তিন খুন
মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ৩ দিনের রিমান্ডে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের তিনজন খুনের মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন। মেহজাবিনের স্বজনদের দাবি-এ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা শফিকুল। সে ঠাণ্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনা করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই জাকির হোসাইন এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে রোববার শফিকুলের স্ত্রী মেহজাবিন ইসলাম মুনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে তদন্তে পরিবারটিতে অস্বাভাবিক সম্পর্কের কথা জানতে পেরেছে পুলিশ। আর এমন সম্পর্কের জন্য শফিকুলকেই দায়ী করছেন মেহজাবিনের স্বজনরা। তার (মেহজাবিন) খালা ইয়াসমিন যুগান্তরকে বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেহজাবিনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত শফিকুল। একপর্যায়ে তার ছোট বোন জান্নাতুলকেও সে একই ধরনের নির্যাতন শুরু করে। তার ইচ্ছে ছিল বোনকে নিজের কাছে রেখে শ্বশুরবাড়ির সব সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া। তাকে (শফিকুল) জিজ্ঞেস করলেই ঘটনার সব জানা যাবে।

গত ১৯ জুন সকালে কদমতলীর মুরাদপুর রজ্জব আলী সরদার রোডের ৫তলা বাড়ির দ্বিতীয়তলা থেকে মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুলের (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অচেতন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই এবং সাখাওয়াত হোসেন (মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা) বাদী হয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

কদমতলীতে তিন খুন

মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ৩ দিনের রিমান্ডে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের তিনজন খুনের মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের স্বামী শফিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন। মেহজাবিনের স্বজনদের দাবি-এ হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা শফিকুল। সে ঠাণ্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনা করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই জাকির হোসাইন এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে রোববার শফিকুলের স্ত্রী মেহজাবিন ইসলাম মুনকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে তদন্তে পরিবারটিতে অস্বাভাবিক সম্পর্কের কথা জানতে পেরেছে পুলিশ। আর এমন সম্পর্কের জন্য শফিকুলকেই দায়ী করছেন মেহজাবিনের স্বজনরা। তার (মেহজাবিন) খালা ইয়াসমিন যুগান্তরকে বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেহজাবিনকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত শফিকুল। একপর্যায়ে তার ছোট বোন জান্নাতুলকেও সে একই ধরনের নির্যাতন শুরু করে। তার ইচ্ছে ছিল বোনকে নিজের কাছে রেখে শ্বশুরবাড়ির সব সম্পদ হাতিয়ে নেওয়া। তাকে (শফিকুল) জিজ্ঞেস করলেই ঘটনার সব জানা যাবে।

গত ১৯ জুন সকালে কদমতলীর মুরাদপুর রজ্জব আলী সরদার রোডের ৫তলা বাড়ির দ্বিতীয়তলা থেকে মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুলের (২০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অচেতন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই এবং সাখাওয়াত হোসেন (মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা) বাদী হয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন