রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
jugantor
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  বাসস  

২৪ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সহায়তার জন্য আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নবম মস্কো সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর রেকর্ড করা এই বক্তৃতা তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে সম্প্রচার করা হয়। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে ২১ জুন থেকে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, এই সম্মেলন জরুরি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি সম্মেলনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, প্রায় চার বছর আগে মিয়ানমারের ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিককে বাস্তুচ্যুত করা হলে বাংলাদেশ এদের আশ্রয় দেয়। এরা বাংলাদেশ ও গোটা অঞ্চলের জন্য মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। আমরা মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু এই বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আশ্রয় দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।’

শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মানবিক সাহায্য প্রদান, রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদে প্রত্যাবাসন, সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনা সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

কোভিড-১৯ মহামারিকে বর্তমান সময়ে অন্যতম বৈশ্বিক ইস্যু উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মহামারির কারণে শুধু বহু মানুষই মারা যায়নি, অর্থনীতির ওপরও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ জীবিকা হারিয়েছে। এ সময় শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত ও বিভিন্ন খাতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মহামারি মোকাবিলা করে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিটি নাগরিককে বিনা মূল্যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসবে। তাই সরকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার এই ভ্যাকসিনের জন্য রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। আমি জানাতে চাই যে, বাংলাদেশের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা রয়েছে এবং যদি উৎপাদনে যেতে পারি, তবে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সহায়তা করতে পারব।’

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 বাসস 
২৪ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সহায়তার জন্য আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নবম মস্কো সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর রেকর্ড করা এই বক্তৃতা তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনে সম্প্রচার করা হয়। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে ২১ জুন থেকে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, এই সম্মেলন জরুরি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করবে।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি সম্মেলনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, প্রায় চার বছর আগে মিয়ানমারের ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিককে বাস্তুচ্যুত করা হলে বাংলাদেশ এদের আশ্রয় দেয়। এরা বাংলাদেশ ও গোটা অঞ্চলের জন্য মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। আমরা মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছি। কিন্তু এই বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আশ্রয় দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।’

শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সবার জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মানবিক সাহায্য প্রদান, রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদে প্রত্যাবাসন, সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনা সংস্থাগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

কোভিড-১৯ মহামারিকে বর্তমান সময়ে অন্যতম বৈশ্বিক ইস্যু উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মহামারির কারণে শুধু বহু মানুষই মারা যায়নি, অর্থনীতির ওপরও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ জীবিকা হারিয়েছে। এ সময় শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত ও বিভিন্ন খাতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে মহামারি মোকাবিলা করে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিটি নাগরিককে বিনা মূল্যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসবে। তাই সরকার সম্ভাব্য সব উৎস থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার এই ভ্যাকসিনের জন্য রুশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। আমি জানাতে চাই যে, বাংলাদেশের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা রয়েছে এবং যদি উৎপাদনে যেতে পারি, তবে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সহায়তা করতে পারব।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন