বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি
jugantor
বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক খাঁটি বাঙালি। সে কারণেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীন বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তিনি যমুনা গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যুগান্তর ও যমুনা টিভি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গরিব মানুষকে ভালোবাসতেন। অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এজন্য বাঙালি জাতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের কাছে চিরঋণী। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সহসভাপতি অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিক এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ রাজধানীর শিশুকল্যাণ পরিষদ কনফারেন্স হলে এ সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন সাংবাদিকবান্ধব মানুষ। সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশন প্রতিষ্ঠা করেন। তার কাছে যে কোনো পত্রিকার কথা বলে সাহায্য চাইলেই তিনি সাহায্য করতেন।

জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এমএ জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন-বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর মফিজুল হক সরকার (অব.), কলামিস্ট নাহিদ রোখসানা, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান এমএ ভাসানী, ন্যাপ ভাসানীর সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রেদওয়ান শিকদার, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লোকমান হোসেন চৌধুরী, আসম মোস্তফা কামাল, নকিব হক, হুমায়ুন কবির, এলিজা রহমান, ফাতেমা খাতুন, সমীর রঞ্জন দাস, কামাল হোসেন প্রমুখ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম
যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম। ফাইল ছবি

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক খাঁটি বাঙালি। সে কারণেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীন বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তিনি যমুনা গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যুগান্তর ও যমুনা টিভি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গরিব মানুষকে ভালোবাসতেন। অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। এজন্য বাঙালি জাতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের কাছে চিরঋণী। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শুক্রবার এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক রাষ্ট্রদূত ও মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের সহসভাপতি অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিক এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ রাজধানীর শিশুকল্যাণ পরিষদ কনফারেন্স হলে এ সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন সাংবাদিকবান্ধব মানুষ। সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশন প্রতিষ্ঠা করেন। তার কাছে যে কোনো পত্রিকার কথা বলে সাহায্য চাইলেই তিনি সাহায্য করতেন।

জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এমএ জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন-বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর মফিজুল হক সরকার (অব.), কলামিস্ট নাহিদ রোখসানা, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান এমএ ভাসানী, ন্যাপ ভাসানীর সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রেদওয়ান শিকদার, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লোকমান হোসেন চৌধুরী, আসম মোস্তফা কামাল, নকিব হক, হুমায়ুন কবির, এলিজা রহমান, ফাতেমা খাতুন, সমীর রঞ্জন দাস, কামাল হোসেন প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : যমুনা গ্রুপ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম