গুলশানে ফিরোজায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেতাদের সাক্ষাৎ
jugantor
গুলশানে ফিরোজায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেতাদের সাক্ষাৎ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৪ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘ এক বছর পর ঈদের দিনে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। গুলশানে ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ প্রায় এক ঘণ্টা দলীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন তারা। এ সময় নেতাদের খোঁজখবর নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তবে কোনো রাজনৈতিক বিষয়ে কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন নেতারা। তারা জানান, খালেদা জিয়া মোটামুটি সুস্থ আছেন। করোনার টিকা নেওয়ার পর সামান্য জ্বর এলেও তা পরে ছেড়ে যায়।

ঈদের দিন বুধবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান খালেদা জিয়ার বাসা ‘ফিরোজা’য় যান। এ সময় তার চিকিৎসক বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনও তাদের সঙ্গে ছিলেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, নেত্রী কোভিড-১৯ থেকে মুক্ত হওয়ার পর এখন মোটামুটি ভালো। যেটা বরাবরই বলে আসছি এবং ডাক্তারের যেটা পরামর্শ, সেটা হলো তার উন্নত চিকিৎসা দরকার উন্নত সেন্টারে। মহাসচিব বলেন, দেশবাসীর কাছ থেকে তিনি দোয়া চেয়েছেন। দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। করোনা থেকে যাতে দেশ মুক্ত হতে পারে, সেজন্য আল্লাহ কাছে প্রার্থনা করেন। সর্বশেষ গত বছরের কুরবানির ঈদের দিন খালেদা জিয়ার দেখা পেয়েছিলেন দলের নেতারা।

নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে ঈদ : প্রতিবছর ঈদের দিন দুপুরে নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এবারও তার ভাই শামীম ইসকান্দার, তার পরিবারের সদস্য ও তার আরেক ভাই প্রয়াত সাঈদ ইসকান্দারের স্ত্রী ও পরিবারের অন্যরা খালেদা জিয়ার কাছে ছিলেন। বাসভবন ফিরোজায় তারা দুপুরে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। এছাড়া খালেদা জিয়া লন্ডনে বড় ছেলে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্য এবং ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমানের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে ফোনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে খালেদা জিয়া একটি গরু ও একটি ছাগল কুরবানি দিয়েছেন। কুরবানির পশুর মাংসের কিছু অংশ তার বাসভবনের স্টাফদের খাবারের জন্য রাখা হয়। অধিকাংশ রাজধানীর কয়েকটি এতিমখানা এবং আশপাশের গরিবদের মধ্যে বিলি করা হয়। এছাড়া গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দুটি গরু কুরবানি দেওয়া হয়।

গুলশানে ফিরোজায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেতাদের সাক্ষাৎ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৪ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘ এক বছর পর ঈদের দিনে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা। গুলশানে ভাড়া বাসা ‘ফিরোজায়’ প্রায় এক ঘণ্টা দলীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন তারা। এ সময় নেতাদের খোঁজখবর নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী। তবে কোনো রাজনৈতিক বিষয়ে কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন নেতারা। তারা জানান, খালেদা জিয়া মোটামুটি সুস্থ আছেন। করোনার টিকা নেওয়ার পর সামান্য জ্বর এলেও তা পরে ছেড়ে যায়।

ঈদের দিন বুধবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটি সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান খালেদা জিয়ার বাসা ‘ফিরোজা’য় যান। এ সময় তার চিকিৎসক বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনও তাদের সঙ্গে ছিলেন। পরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, নেত্রী কোভিড-১৯ থেকে মুক্ত হওয়ার পর এখন মোটামুটি ভালো। যেটা বরাবরই বলে আসছি এবং ডাক্তারের যেটা পরামর্শ, সেটা হলো তার উন্নত চিকিৎসা দরকার উন্নত সেন্টারে। মহাসচিব বলেন, দেশবাসীর কাছ থেকে তিনি দোয়া চেয়েছেন। দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। করোনা থেকে যাতে দেশ মুক্ত হতে পারে, সেজন্য আল্লাহ কাছে প্রার্থনা করেন। সর্বশেষ গত বছরের কুরবানির ঈদের দিন খালেদা জিয়ার দেখা পেয়েছিলেন দলের নেতারা।

নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে ঈদ : প্রতিবছর ঈদের দিন দুপুরে নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এবারও তার ভাই শামীম ইসকান্দার, তার পরিবারের সদস্য ও তার আরেক ভাই প্রয়াত সাঈদ ইসকান্দারের স্ত্রী ও পরিবারের অন্যরা খালেদা জিয়ার কাছে ছিলেন। বাসভবন ফিরোজায় তারা দুপুরে একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন। এছাড়া খালেদা জিয়া লন্ডনে বড় ছেলে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্য এবং ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমানের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে ফোনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে খালেদা জিয়া একটি গরু ও একটি ছাগল কুরবানি দিয়েছেন। কুরবানির পশুর মাংসের কিছু অংশ তার বাসভবনের স্টাফদের খাবারের জন্য রাখা হয়। অধিকাংশ রাজধানীর কয়েকটি এতিমখানা এবং আশপাশের গরিবদের মধ্যে বিলি করা হয়। এছাড়া গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দুটি গরু কুরবানি দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন