ই-এলসি খুলতে আইন সংশোধন হচ্ছে
jugantor
আমদানি-রপ্তানি দ্রুত করাই লক্ষ্য
ই-এলসি খুলতে আইন সংশোধন হচ্ছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য দ্রুত সম্পন্ন করতে ই-এলসি বা অনলাইনে এলসি খোলার অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অনলাইনে এলসি খোলার অবকাঠামো তৈরি করছে। এজন্য বৈদেশিক বাণিজ্যের মূল ব্যাংকিং সফটওয়্যারগুলোতে আরও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও বৈদেশিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ কার্যকর হলে ব্যবসায়ীরা অফিসে বসেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে অনলাইনে এলসি খুলতে পারবেন। বর্তমানে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের আওতায় টাকা বা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করার সুযোগ থাকলেও এলসি খোলার সুযোগ নেই। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় এ জন্য বেশ কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর মধ্যে আবেদনকারীকে ব্যাংকে যেতেই হয়। এছাড়া ই-এলসি খোলার জন্য ব্যাংকগুলোতে যথেষ্ট অবকাঠামোগত সুবিধাও নেই। যে কারণে ই-এলসি খোলা যাচ্ছে না। এলসিসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাংকে নিয়োজিত থাকতে হয়। এতে একদিকে যেমন ব্যবসা খরচ বাড়ছে, তেমনি বেশি সময়ও লাগছে। অথচ ইতোমধ্যে অনেক দেশই ই-ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ই-এলসিতে চলে গেছে। এতে ওইসব দেশের ব্যবসা খরচও কমেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি ক্রেতারা সে দেশের ব্যাংকের মাধ্যমে বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকে ই-এলসি পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো থেকে এসব এলসির তথ্য বা গ্রাহককে মেইলে বা মোবাইল ফোনে জানানো হচ্ছে। এ এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়াটি আর অনলাইনে সম্পন্ন হচ্ছে না। একই সঙ্গে এর বিপরীতে ব্যাক টু ব্যাক এলসি অনলাইনে খোলা যাচ্ছে না। ব্যাংকে গিয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র ও সনদ দেখিয়ে খুলতে হচ্ছে। ই-এলসি কার্যক্রম শুরু হলে কাগজপত্র ও সনদ অনলাইনে ব্যাংকে পাঠিয়ে এলসি খোলা যাবে। শুধু আমদানি বাণিজ্যের জন্য একই প্রক্রিয়ায়ও ই-এলসি খোলা যাবে।

এসব ক্ষেত্রে তদারকি বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রচলিত আইনি কাঠামোতে সংস্কার আনার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ই-ব্যাংকিং ও ই-কমার্স লেনদেন নিবিড়ভাবে তদারকি করতে নতুন সফটওয়্যার ও তথ্য সংগ্রহের নতুন ফরম তৈরি করছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো থেকে ই-এলসির তথ্য নিয়ে তা তদারকি করবে। বর্তমানে ভোগ্যপণ্য আমদানির এলসি অনলাইনে তদারকি করা হচ্ছে।

আমদানি-রপ্তানি দ্রুত করাই লক্ষ্য

ই-এলসি খুলতে আইন সংশোধন হচ্ছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য দ্রুত সম্পন্ন করতে ই-এলসি বা অনলাইনে এলসি খোলার অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অনলাইনে এলসি খোলার অবকাঠামো তৈরি করছে। এজন্য বৈদেশিক বাণিজ্যের মূল ব্যাংকিং সফটওয়্যারগুলোতে আরও পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

সূত্র জানায়, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও বৈদেশিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ কার্যকর হলে ব্যবসায়ীরা অফিসে বসেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে অনলাইনে এলসি খুলতে পারবেন। বর্তমানে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের আওতায় টাকা বা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করার সুযোগ থাকলেও এলসি খোলার সুযোগ নেই। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় এ জন্য বেশ কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর মধ্যে আবেদনকারীকে ব্যাংকে যেতেই হয়। এছাড়া ই-এলসি খোলার জন্য ব্যাংকগুলোতে যথেষ্ট অবকাঠামোগত সুবিধাও নেই। যে কারণে ই-এলসি খোলা যাচ্ছে না। এলসিসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাংকে নিয়োজিত থাকতে হয়। এতে একদিকে যেমন ব্যবসা খরচ বাড়ছে, তেমনি বেশি সময়ও লাগছে। অথচ ইতোমধ্যে অনেক দেশই ই-ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি ই-এলসিতে চলে গেছে। এতে ওইসব দেশের ব্যবসা খরচও কমেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশেও এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি ক্রেতারা সে দেশের ব্যাংকের মাধ্যমে বিশেষ করে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকে ই-এলসি পাঠাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো থেকে এসব এলসির তথ্য বা গ্রাহককে মেইলে বা মোবাইল ফোনে জানানো হচ্ছে। এ এলসির বিপরীতে পণ্য রপ্তানির প্রক্রিয়াটি আর অনলাইনে সম্পন্ন হচ্ছে না। একই সঙ্গে এর বিপরীতে ব্যাক টু ব্যাক এলসি অনলাইনে খোলা যাচ্ছে না। ব্যাংকে গিয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র ও সনদ দেখিয়ে খুলতে হচ্ছে। ই-এলসি কার্যক্রম শুরু হলে কাগজপত্র ও সনদ অনলাইনে ব্যাংকে পাঠিয়ে এলসি খোলা যাবে। শুধু আমদানি বাণিজ্যের জন্য একই প্রক্রিয়ায়ও ই-এলসি খোলা যাবে।

এসব ক্ষেত্রে তদারকি বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রচলিত আইনি কাঠামোতে সংস্কার আনার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ই-ব্যাংকিং ও ই-কমার্স লেনদেন নিবিড়ভাবে তদারকি করতে নতুন সফটওয়্যার ও তথ্য সংগ্রহের নতুন ফরম তৈরি করছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলো থেকে ই-এলসির তথ্য নিয়ে তা তদারকি করবে। বর্তমানে ভোগ্যপণ্য আমদানির এলসি অনলাইনে তদারকি করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন