আইসিইউতে করোনা রোগীর ছুরি হামলা!
jugantor
আইসিইউতে করোনা রোগীর ছুরি হামলা!
গুরুতর আহত নার্স ওয়ার্ডবয়, হামলাকারীকেও বেধড়ক পিটুনি

  তোহুর আহমদ  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আইসিইউতে করোনা রোগীর ছুরি হামলা!

নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের ওপর ছুরি হামলা চালিয়েছেন আইসিইউতে থাকা একজন করোনা রোগী। হামলাকারী রোগীকেও বেধড়ক পেটানো হয়েছে। যে ছুরি দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে তা কোনোভাবে আইসিইউতে থাকার কথা নয়। ডাক্তারি পেশায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহৃত হয় না। রহস্যঘেরা চাঞ্চল্যকর এমন ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর উত্তরা এলাকার বেসরকারি শিন শিন জাপান হাসপাতালে। ঘটনার পর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। এতে একমাত্র আসামি চিকিৎসাধীন করোনা রোগী সবুজ পিরিস (২৫)।

মামলার এজাহার অনুযায়ী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সবুজ পিরিস রাত দেড়টায় ধারালো ছুরি নিয়ে চিকিৎসাকর্মীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে মিতু রেগো এবং ইমনা আফরোজ নামের দুই নার্স এবং সাগর নামের এক ওয়ার্ডবয় গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে মিতু রেগোর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ বলছে, চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর হঠাৎ এমন বিকারগ্রস্ত আচরণের কারণ অনুসন্ধানসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার। এছাড়া আইসিইউতে ধারালো ছুরির উৎস এবং নন-কোভিড হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তির বিষয়ে জানতে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ। রোগীর স্বজনরাও হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা নিয়ে পুলিশের কাছে এন্তার অভিযোগের কথা জানিয়েছেন।

চকচকে ছুরিটি নতুন : আইসিইউ ওয়ার্ড থেকে রক্তমাখা একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চকচকে স্টিলের ছুরিটি মাঝারি সাইজের। তবে একেবারেই নতুন। বাঁটে লাগানো প্রাইস ট্যাগও উঠানো হয়নি। আমদানিকারক আরএফএল এন্টারপ্রাইজ। মোদ্দা কথা, এ ধরনের ছুরি আইসিইউ তো দূরের কথা ডাক্তারি কাজে ব্যবহৃত হওয়ার কথা নয়। তাহলে প্রশ্ন হলো-এই ছুরি কোথা থেকে এখানে এলো। এটিই এখন পুলিশের কাছে বড় প্রশ্ন।

থানা পুলিশ বলছে, সাধারণত আইসিইউ একটি সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে বিবেচিত। সেখানে এ ধরনের ধারালো ছুরি থাকার কথা নয়। তাছাড়া আইসিইউতে ভর্তি রোগী ছুরি নিয়ে নার্সদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার বিষয়টি অস্বাভাবিক। সাধারণত রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করলেই আইসিইউ থেকে বের করে ওয়ার্ডে দেওয়া হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। তাছাড়া করোনা আক্রান্ত যাদের আইসিইউ প্রয়োজন হয় তারা সাধারণত জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকেন। তিনি কিভাবে ছুরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে সক্ষম হলেন এবং একাই তিনজন স্বাস্থ্যকর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করতে পারলেন তার অনুসন্ধান চলছে।

সূত্র জানায়, উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালটি করোনা চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত নয়। তার পরও করোনা আক্রান্ত রোগীকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি করোনা রোগীর সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন সংকটাপন্ন সাধারণ রোগীকে একই আইসিইউ ওয়ার্ডে রাখা হয়। এতে অন্য রোগীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

সবুজ পিরিসের স্ত্রী লাবণী যুগান্তরকে বলেন, ১৭ জুলাই তার স্বামীর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এ জন্য তারা হাসপাতালে যান। দ্রুততম সময়ে রোগীকে আইসিইউতে নিতে হবে বলে জানানো হয়। এক পর্যায়ে চিকিৎসক জানান, রোগীকে বাঁচাতে হলে ৮০ হাজার টাকা দামের একটি ইঞ্জেকশনও দিতে। আইসিইউতে ভর্তি অবস্থায় ওই ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরপরই রোগী বিকারগ্রস্ত আচরণ শুরু করে। এ ছাড়া প্রতিদিনের জন্য ওষুধের খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকার বিল দেওয়া হয়। শুরু থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসার নামে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

নির্মম প্রতিশোধ : কয়েকজন চিকিৎসাকর্মী আহত হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিশোধপরায়ণ আচরণ করে। চিকিৎসাধীন রোগীকে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে রোগীর এক হাতের হাড় ভেঙে যায়। অপর হাতেরও কনুইয়ের জয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া তার শরীরে অসংখ্যা কিল ঘুসি ও এলোপাতাড়ি আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এভাবে পেটানোর পর তাকে আইসিইউ থেকে বের করে দেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা চিকিৎসাবিহীন অবস্থায় তিনি বারান্দায় পড়েছিলেন। পরে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় রোগীকে অন্যত্র নিয়ে যায় তার পরিবার। বর্তমানে তিনি গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার বিকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানে তার অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছিল।

রোগীর স্বজনদের কাছে থাকা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় অচেতন অবস্থায় রোগীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ সময় সবুজ অসংলগ্নভাবে কয়েকটি কথা বলেন। এক পর্যায়ে কোনো প্রশ্নের উত্তরা না দিয়ে বিছানায় ঢলে পড়েন তিনি। পরে তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন।

করোনা রোগীর ছুরিকাঘাত এবং রোগীকে পেটানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জানার জন্য হাসপাতালে গেলে সংশ্লিষ্টরা ম্যানেজার শরিফুল ইসলামের মোবাইল নম্বর দেন। কিন্তু তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

যুগান্তরের পক্ষ থেকে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এখন ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলব।’ এরপর ফোনকলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

উত্তরা পশ্চিম থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ইয়াসিন গাজী যুগান্তরকে বলেন, মামলার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত রোগী সবুজ পিরিস যেহেতু মামলার আসামি, তাই পুলিশ পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগী পেটানো এবং অপচিকিৎসার যে অভিযোগ পাওয়া গেছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

আইসিইউতে করোনা রোগীর ছুরি হামলা!

গুরুতর আহত নার্স ওয়ার্ডবয়, হামলাকারীকেও বেধড়ক পিটুনি
 তোহুর আহমদ 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
আইসিইউতে করোনা রোগীর ছুরি হামলা!
প্রতীকী ছবি

নার্স ও ওয়ার্ডবয়ের ওপর ছুরি হামলা চালিয়েছেন আইসিইউতে থাকা একজন করোনা রোগী। হামলাকারী রোগীকেও বেধড়ক পেটানো হয়েছে। যে ছুরি দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে তা কোনোভাবে আইসিইউতে থাকার কথা নয়। ডাক্তারি পেশায় এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহৃত হয় না। রহস্যঘেরা চাঞ্চল্যকর এমন ঘটনা ঘটেছে রাজধানীর উত্তরা এলাকার বেসরকারি শিন শিন জাপান হাসপাতালে। ঘটনার পর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। এতে একমাত্র আসামি চিকিৎসাধীন করোনা রোগী সবুজ পিরিস (২৫)।

মামলার এজাহার অনুযায়ী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সবুজ পিরিস রাত দেড়টায় ধারালো ছুরি নিয়ে চিকিৎসাকর্মীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তার এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে মিতু রেগো এবং ইমনা আফরোজ নামের দুই নার্স এবং সাগর নামের এক ওয়ার্ডবয় গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে মিতু রেগোর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ বলছে, চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর হঠাৎ এমন বিকারগ্রস্ত আচরণের কারণ অনুসন্ধানসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানা দরকার। এছাড়া আইসিইউতে ধারালো ছুরির উৎস এবং নন-কোভিড হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তির বিষয়ে জানতে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ। রোগীর স্বজনরাও হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসা নিয়ে পুলিশের কাছে এন্তার অভিযোগের কথা জানিয়েছেন।

চকচকে ছুরিটি নতুন : আইসিইউ ওয়ার্ড থেকে রক্তমাখা একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। চকচকে স্টিলের ছুরিটি মাঝারি সাইজের। তবে একেবারেই নতুন। বাঁটে লাগানো প্রাইস ট্যাগও উঠানো হয়নি। আমদানিকারক আরএফএল এন্টারপ্রাইজ। মোদ্দা কথা, এ ধরনের ছুরি আইসিইউ তো দূরের কথা ডাক্তারি কাজে ব্যবহৃত হওয়ার কথা নয়। তাহলে প্রশ্ন হলো-এই ছুরি কোথা থেকে এখানে এলো। এটিই এখন পুলিশের কাছে বড় প্রশ্ন।

থানা পুলিশ বলছে, সাধারণত আইসিইউ একটি সংরক্ষিত এলাকা হিসাবে বিবেচিত। সেখানে এ ধরনের ধারালো ছুরি থাকার কথা নয়। তাছাড়া আইসিইউতে ভর্তি রোগী ছুরি নিয়ে নার্সদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার বিষয়টি অস্বাভাবিক। সাধারণত রোগী সুস্থ হয়ে উঠতে শুরু করলেই আইসিইউ থেকে বের করে ওয়ার্ডে দেওয়া হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। তাছাড়া করোনা আক্রান্ত যাদের আইসিইউ প্রয়োজন হয় তারা সাধারণত জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকেন। তিনি কিভাবে ছুরি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে সক্ষম হলেন এবং একাই তিনজন স্বাস্থ্যকর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করতে পারলেন তার অনুসন্ধান চলছে।

সূত্র জানায়, উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালটি করোনা চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত নয়। তার পরও করোনা আক্রান্ত রোগীকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি করোনা রোগীর সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন সংকটাপন্ন সাধারণ রোগীকে একই আইসিইউ ওয়ার্ডে রাখা হয়। এতে অন্য রোগীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে।

সবুজ পিরিসের স্ত্রী লাবণী যুগান্তরকে বলেন, ১৭ জুলাই তার স্বামীর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। এ জন্য তারা হাসপাতালে যান। দ্রুততম সময়ে রোগীকে আইসিইউতে নিতে হবে বলে জানানো হয়। এক পর্যায়ে চিকিৎসক জানান, রোগীকে বাঁচাতে হলে ৮০ হাজার টাকা দামের একটি ইঞ্জেকশনও দিতে। আইসিইউতে ভর্তি অবস্থায় ওই ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরপরই রোগী বিকারগ্রস্ত আচরণ শুরু করে। এ ছাড়া প্রতিদিনের জন্য ওষুধের খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকার বিল দেওয়া হয়। শুরু থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসার নামে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়।

নির্মম প্রতিশোধ : কয়েকজন চিকিৎসাকর্মী আহত হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিশোধপরায়ণ আচরণ করে। চিকিৎসাধীন রোগীকে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে রোগীর এক হাতের হাড় ভেঙে যায়। অপর হাতেরও কনুইয়ের জয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া তার শরীরে অসংখ্যা কিল ঘুসি ও এলোপাতাড়ি আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। এভাবে পেটানোর পর তাকে আইসিইউ থেকে বের করে দেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা চিকিৎসাবিহীন অবস্থায় তিনি বারান্দায় পড়েছিলেন। পরে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কায় রোগীকে অন্যত্র নিয়ে যায় তার পরিবার। বর্তমানে তিনি গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার বিকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানে তার অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছিল।

রোগীর স্বজনদের কাছে থাকা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় অচেতন অবস্থায় রোগীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ সময় সবুজ অসংলগ্নভাবে কয়েকটি কথা বলেন। এক পর্যায়ে কোনো প্রশ্নের উত্তরা না দিয়ে বিছানায় ঢলে পড়েন তিনি। পরে তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন।

করোনা রোগীর ছুরিকাঘাত এবং রোগীকে পেটানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে জানার জন্য হাসপাতালে গেলে সংশ্লিষ্টরা ম্যানেজার শরিফুল ইসলামের মোবাইল নম্বর দেন। কিন্তু তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

যুগান্তরের পক্ষ থেকে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেনের সঙ্গে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি এখন ব্যস্ত আছি। পরে কথা বলব।’ এরপর ফোনকলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

উত্তরা পশ্চিম থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ইয়াসিন গাজী যুগান্তরকে বলেন, মামলার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত রোগী সবুজ পিরিস যেহেতু মামলার আসামি, তাই পুলিশ পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগী পেটানো এবং অপচিকিৎসার যে অভিযোগ পাওয়া গেছে সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন