সীমিত পরিসরে কিনছেন ট্যানারি মালিকরা
jugantor
কুরবানির পশুর চামড়া
সীমিত পরিসরে কিনছেন ট্যানারি মালিকরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে ট্যানারি মালিকদের চামড়া কেনাকাটা। রাজধানীর পোস্তায় সকাল থেকে বেশ কয়েকটি ট্যানারি মালিক চামড়া কিনেছেন। তবে শনিবার থেকে দেশব্যাপী চামড়ার হাট শুরু হবে। সেদিন থেকে বড় পরিসরে কেনাকাটা শুরু হবে। চলমান লকডাউনে কুরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচায় কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, আশা করছি শনিবার থেকে দেশের বিভিন্ন চামড়া হাট শুরু হবে। একই দিন ট্যানারি মালিকরাও চামড়া কেনাকাটা করবেন। মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লবণ মিশ্রিত চামড়ার জন্য সরকার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। সে মূল্যেই আমরা কেনাকাটা করব। বিগত সময়েও সেটি করা হয়েছে।

পাইকারি বাজার পোস্তায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ আড়তে লবণ মেশানো চামড়ার স্তূপ পড়ে আছে। সকাল থেকে ঢাকার আশপাশের লবণ মেশানো চামড়াগুলো আসতে শুরু করেছে। এ বছর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকার বাইরে পশুর চামড়া কুরবানির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে আনতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ফলে বিভিন্ন জেলায় কুরবানির পশুর চামড়া কিনে লবণ মিশিয়ে রাখা হয়। তারাই শুধু এখন পোস্তায় নিয়ে আসছেন চামড়া বিক্রি করতে। এ বছর চামড়া কিনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পোস্তার আড়ত মালিকরা। তাদের মতে, এসব চামড়া উপযুক্ত মূল্য দিয়ে ট্যানারি মালিকরা ক্রয় করবেন।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব টিপু সুলতান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিটি চামড়া যে দামে কেনা হয়েছে তার ওপর ২৭৫-২৮০ টাকার মতো আরও ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লবণসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াগত ব্যয়। কয়েকটি ট্যানারির মালিক শনিবার পোস্তার বাজার থেকে চামড়া কিনেছেন। আশা করি আগামী ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে বাজার পুরোপুরি জমে উঠবে।

এদিকে শনিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, চলতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারা দেশে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার পশু কুরবানি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭৯টি গরু-মহিষ, ৫০ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৮টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৭১৫টি গবাদিপশু। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চামড়া সংগ্রহ করতে পারবেন ট্যানারি মালিকরা।

কুরবানির পশুর চামড়া

সীমিত পরিসরে কিনছেন ট্যানারি মালিকরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেই সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে ট্যানারি মালিকদের চামড়া কেনাকাটা। রাজধানীর পোস্তায় সকাল থেকে বেশ কয়েকটি ট্যানারি মালিক চামড়া কিনেছেন। তবে শনিবার থেকে দেশব্যাপী চামড়ার হাট শুরু হবে। সেদিন থেকে বড় পরিসরে কেনাকাটা শুরু হবে। চলমান লকডাউনে কুরবানির পশুর চামড়া কেনাবেচায় কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, আশা করছি শনিবার থেকে দেশের বিভিন্ন চামড়া হাট শুরু হবে। একই দিন ট্যানারি মালিকরাও চামড়া কেনাকাটা করবেন। মূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লবণ মিশ্রিত চামড়ার জন্য সরকার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। সে মূল্যেই আমরা কেনাকাটা করব। বিগত সময়েও সেটি করা হয়েছে।

পাইকারি বাজার পোস্তায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ আড়তে লবণ মেশানো চামড়ার স্তূপ পড়ে আছে। সকাল থেকে ঢাকার আশপাশের লবণ মেশানো চামড়াগুলো আসতে শুরু করেছে। এ বছর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকার বাইরে পশুর চামড়া কুরবানির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে আনতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ফলে বিভিন্ন জেলায় কুরবানির পশুর চামড়া কিনে লবণ মিশিয়ে রাখা হয়। তারাই শুধু এখন পোস্তায় নিয়ে আসছেন চামড়া বিক্রি করতে। এ বছর চামড়া কিনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পোস্তার আড়ত মালিকরা। তাদের মতে, এসব চামড়া উপযুক্ত মূল্য দিয়ে ট্যানারি মালিকরা ক্রয় করবেন।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব টিপু সুলতান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিটি চামড়া যে দামে কেনা হয়েছে তার ওপর ২৭৫-২৮০ টাকার মতো আরও ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লবণসহ অন্যান্য প্রক্রিয়াগত ব্যয়। কয়েকটি ট্যানারির মালিক শনিবার পোস্তার বাজার থেকে চামড়া কিনেছেন। আশা করি আগামী ২ থেকে ৪ দিনের মধ্যে বাজার পুরোপুরি জমে উঠবে।

এদিকে শনিবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, চলতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারা দেশে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার পশু কুরবানি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭৯টি গরু-মহিষ, ৫০ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৮টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৭১৫টি গবাদিপশু। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চামড়া সংগ্রহ করতে পারবেন ট্যানারি মালিকরা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন