ক্ষতিগ্রস্ত সব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার নির্দেশ
jugantor
বড় শিল্প ও সেবায় ৪৩ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ
ক্ষতিগ্রস্ত সব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বড় শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ঘোষিত ৪৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণ বিতরণের নীতিমালা আরও শিথিল করা হয়েছে। প্যাকেজের আওতায় চলতি অর্থবছরেও ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দেওয়া যাবে। আর ঋণ কোনো একক প্রতিষ্ঠানকে বেশি দিয়ে কোনো ক্রমেই স্বল্প সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত যেসব গ্রাহক এখন পর্যন্ত এ প্যাকেজ থেকে ঋণ পাননি তাদের ঋণ দিতে হবে।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় এখন থেকেই ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করতে পারবে। করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় গত বছরের ১২ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় শিল্প ও সেবা খাতে চলতি মূলধনের জোগান দিতে ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করে। পরে তিন দফায় এর আকার বাড়িয়ে ৪৩ হাজার কোটি টাকা করা হয়। এর মধ্যে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

প্যাকেজ ঘোষণার সময় এর আওতায় এক বছর মেয়াদে ঋণ বিতরণের শর্ত ছিল। এক বছরের বেশি কোনো গ্রাহক ঋণ ব্যবহার করতে চাইলে তাকে বাণিজ্যিক হারে সুদ দিতে হবে। অর্থাৎ প্রণোদনার ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রাহক দেবে সাড়ে ৪ শতাংশ এবং বাকি সাড়ে ৪ শতাংশ দেবে সরকার। এ সুবিধা এক বছর গ্রাহক পাবে। এরপর ৯ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। এ শর্তে ঋণের অর্থ এক বছরের বেশি সময়ও গ্রাহকরা ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো এ প্যাকেজ থেকে চলতি অর্থবছরেও ঋণ বিতরণ করতে পারবে।

সার্কুলারে বলা হয়, এখন থেকে কোনো একক গ্রাহককে বেশি মাত্রায় ঋণ দিয়ে প্যাকেজের ঋণকে কেন্দ্রীভূত করা যাবে না। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথচ এখন পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাননি, এমন গ্রাহকদের ঋণ দিতে হবে।

গ্রাহক ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে পরিমাণ চলতি মূলধন ঋণ নিয়েছেন তার ৩০ শতাংশ বিতরণ করা যাবে প্যাকেজের আওতায়। কোনো কারণে গ্রাহক এক বছরে ওই পরিমাণ ঋণ নিতে না পারলে পরের বছরও তা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রণোদনার সুবিধাও পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানকে সীমার অতিরিক্ত ঋণ দেওয়া যাবে না। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বড় শিল্প ও সেবায় ৪৩ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ

ক্ষতিগ্রস্ত সব প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়ার নির্দেশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বড় শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ঘোষিত ৪৩ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণ বিতরণের নীতিমালা আরও শিথিল করা হয়েছে। প্যাকেজের আওতায় চলতি অর্থবছরেও ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দেওয়া যাবে। আর ঋণ কোনো একক প্রতিষ্ঠানকে বেশি দিয়ে কোনো ক্রমেই স্বল্প সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত যেসব গ্রাহক এখন পর্যন্ত এ প্যাকেজ থেকে ঋণ পাননি তাদের ঋণ দিতে হবে।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় এখন থেকেই ব্যাংকগুলো ঋণ বিতরণ করতে পারবে। করোনার ক্ষতি মোকাবিলায় গত বছরের ১২ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় শিল্প ও সেবা খাতে চলতি মূলধনের জোগান দিতে ৩০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করে। পরে তিন দফায় এর আকার বাড়িয়ে ৪৩ হাজার কোটি টাকা করা হয়। এর মধ্যে ৩৩ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

প্যাকেজ ঘোষণার সময় এর আওতায় এক বছর মেয়াদে ঋণ বিতরণের শর্ত ছিল। এক বছরের বেশি কোনো গ্রাহক ঋণ ব্যবহার করতে চাইলে তাকে বাণিজ্যিক হারে সুদ দিতে হবে। অর্থাৎ প্রণোদনার ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ। এর মধ্যে গ্রাহক দেবে সাড়ে ৪ শতাংশ এবং বাকি সাড়ে ৪ শতাংশ দেবে সরকার। এ সুবিধা এক বছর গ্রাহক পাবে। এরপর ৯ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। এ শর্তে ঋণের অর্থ এক বছরের বেশি সময়ও গ্রাহকরা ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো এ প্যাকেজ থেকে চলতি অর্থবছরেও ঋণ বিতরণ করতে পারবে।

সার্কুলারে বলা হয়, এখন থেকে কোনো একক গ্রাহককে বেশি মাত্রায় ঋণ দিয়ে প্যাকেজের ঋণকে কেন্দ্রীভূত করা যাবে না। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অথচ এখন পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাননি, এমন গ্রাহকদের ঋণ দিতে হবে।

গ্রাহক ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যে পরিমাণ চলতি মূলধন ঋণ নিয়েছেন তার ৩০ শতাংশ বিতরণ করা যাবে প্যাকেজের আওতায়। কোনো কারণে গ্রাহক এক বছরে ওই পরিমাণ ঋণ নিতে না পারলে পরের বছরও তা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রণোদনার সুবিধাও পাবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানকে সীমার অতিরিক্ত ঋণ দেওয়া যাবে না। ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস