কারখানা খোলায় কনটেইনার ডেলিভারি বেড়েছে
jugantor
চট্টগ্রাম বন্দর
কারখানা খোলায় কনটেইনার ডেলিভারি বেড়েছে

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০২ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কারখানা খোলায় কনটেইনার ডেলিভারি বেড়েছে

রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খোলায় চট্টগ্রাম বন্দর ও বেসরকারি আইসিডি (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) থেকে কনটেইনার ডেলিভারি (সরবরাহ) বেড়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরেক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯ হাজার টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সমমান) ধারণক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ৪২ হাজার কনটেইনার রয়েছে। এর বাইরে ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে ৬ হাজারের মতো কনটেইনার ডেলিভারির অপেক্ষায় রয়েছে।

কঠোর লকডাউনের কারণে ২৩ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকে দেশের শিল্পকারখানা। এ সময় উৎপাদন না হওয়ায় আমদানি করা শিল্পের কাঁচামাল বন্দর থেকে ডেলিভারি নেয়নি অনেক প্রতিষ্ঠান। ফলে বন্দরের ইয়ার্ডগুলোতে বেড়ে যায় কনটেইনারের স্তূপ। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন যেখানে চার থেকে সাড়ে চার হাজার কনটেইনার ডেলিভারি হয়, সেখানে লকডাউনে কোনো কোনোদিন তা নেমে আসে হাজারের নিচে। বন্দরের ইয়ার্ডগুলোতে জমে থাকা কনটেইনার ৪৩ হাজার টিইইউএস ছাড়িয়ে যায়, যা ধারণক্ষমতার কাছাকাছি। এ অবস্থায় কনটেইনার জট ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে তা এড়াতে এগিয়ে আসে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে এনবিআর ২৫ জুলাই থেকে সব ধরনের আমদানি কনটেইনার বন্দর সংলগ্ন ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে স্থানান্তর ও সেখান থেকে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক সময়ের জন্য ডেলিভারির অনুমতি দেয়। এর আগে ৩৭ প্রকারের আমদানি পণ্য আইসিডি থেকে ডেলিভারি দেওয়ার অনুমতি ছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষ এরপর থেকে প্রতিদিন ১২০০-১৩০০ কনটেইনার স্থানান্তর করতে থাকে আইসিডিতে। এদিকে আইসিডিতেও বাড়তে থাকে আমদানি কনটেইনারের চাপ। এরইমধ্যে লকডাউন চলাকালে শুক্রবার রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে রোববার দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলোতে ফের উৎপাদন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক যুগান্তরকে বলেন, কলকারখানা খোলার সিদ্ধান্তের পর কনটেইনার ডেলিভারি কিছুটা বেড়েছে। ধীরে ধীরে তা আরও বাড়বে। শনিবার বন্দর ও আইসিডি থেকে চার হাজার কনটেইনার ডেলিভারি হয়েছে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বলেন, শিল্পকারখানা খোলার খবরে শনিবার থেকে কাঁচামাল ডেলিভারি নেওয়া বেড়ে গেছে। তবে ডেলিভারি স্বাভাবিক হয়ে আসতে আরেক সপ্তাহ সময় লাগবে। কারণ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট অন্যসব প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম শেষ করে আমদানি পণ্যের ডকুমেন্ট আসবে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের হাতে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে তিন-চার দিন সময় লাগে।

চট্টগ্রাম বন্দর

কারখানা খোলায় কনটেইনার ডেলিভারি বেড়েছে

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০২ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
কারখানা খোলায় কনটেইনার ডেলিভারি বেড়েছে
ফাইল ছবি

রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খোলায় চট্টগ্রাম বন্দর ও বেসরকারি আইসিডি (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) থেকে কনটেইনার ডেলিভারি (সরবরাহ) বেড়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরেক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯ হাজার টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সমমান) ধারণক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ৪২ হাজার কনটেইনার রয়েছে। এর বাইরে ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে ৬ হাজারের মতো কনটেইনার ডেলিভারির অপেক্ষায় রয়েছে।

কঠোর লকডাউনের কারণে ২৩ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকে দেশের শিল্পকারখানা। এ সময় উৎপাদন না হওয়ায় আমদানি করা শিল্পের কাঁচামাল বন্দর থেকে ডেলিভারি নেয়নি অনেক প্রতিষ্ঠান। ফলে বন্দরের ইয়ার্ডগুলোতে বেড়ে যায় কনটেইনারের স্তূপ। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন যেখানে চার থেকে সাড়ে চার হাজার কনটেইনার ডেলিভারি হয়, সেখানে লকডাউনে কোনো কোনোদিন তা নেমে আসে হাজারের নিচে। বন্দরের ইয়ার্ডগুলোতে জমে থাকা কনটেইনার ৪৩ হাজার টিইইউএস ছাড়িয়ে যায়, যা ধারণক্ষমতার কাছাকাছি। এ অবস্থায় কনটেইনার জট ও বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে তা এড়াতে এগিয়ে আসে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে এনবিআর ২৫ জুলাই থেকে সব ধরনের আমদানি কনটেইনার বন্দর সংলগ্ন ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে স্থানান্তর ও সেখান থেকে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক সময়ের জন্য ডেলিভারির অনুমতি দেয়। এর আগে ৩৭ প্রকারের আমদানি পণ্য আইসিডি থেকে ডেলিভারি দেওয়ার অনুমতি ছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষ এরপর থেকে প্রতিদিন ১২০০-১৩০০ কনটেইনার স্থানান্তর করতে থাকে আইসিডিতে। এদিকে আইসিডিতেও বাড়তে থাকে আমদানি কনটেইনারের চাপ। এরইমধ্যে লকডাউন চলাকালে শুক্রবার রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে রোববার দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলোতে ফের উৎপাদন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব ওমর ফারুক যুগান্তরকে বলেন, কলকারখানা খোলার সিদ্ধান্তের পর কনটেইনার ডেলিভারি কিছুটা বেড়েছে। ধীরে ধীরে তা আরও বাড়বে। শনিবার বন্দর ও আইসিডি থেকে চার হাজার কনটেইনার ডেলিভারি হয়েছে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বলেন, শিল্পকারখানা খোলার খবরে শনিবার থেকে কাঁচামাল ডেলিভারি নেওয়া বেড়ে গেছে। তবে ডেলিভারি স্বাভাবিক হয়ে আসতে আরেক সপ্তাহ সময় লাগবে। কারণ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট অন্যসব প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম শেষ করে আমদানি পণ্যের ডকুমেন্ট আসবে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের হাতে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করতে তিন-চার দিন সময় লাগে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন