অর্থের উৎস ও সহযোগীদের খোঁজে বিভিন্ন সংস্থা
jugantor
হেলেনার মামলা ডিবিতে
অর্থের উৎস ও সহযোগীদের খোঁজে বিভিন্ন সংস্থা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস, তার সহযোগী ও ইন্ধনদাতাদের খোঁজে কাজ করছে পুলিশ-র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থা। তদন্তে আইপি টিভির মাধ্যমে চাঁদাবাজির প্রমাণ মিলেছে। বেতন দেওয়ার পরিবর্তে নিউজ প্রদর্শন, লাইভ অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ প্রদানের জন্য কথিত সাংবাদিকদের কাছ থেকে নেওয়া হতো টাকা।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকা না দিলে আইপি টিভি জয়যাত্রা’র প্রতিনিধি পদ বাতিল করা হতো। এসবের প্রতিবাদ করে হুমকির মুখেও পড়েছেন অনেকে। হেলেনা সরাসরি এসবে জড়িত না থাকলেও তার হয়ে একটি সিন্ডিকেট এই কাজ করত। গ্রেফতারের পর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গুলশান থানায় তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রোববার ছিল রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন। এদিন তার মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। এদিন অন্য দুই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গুলশান ও পল্লবী থানায় মোট তিনটি মামলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের ঢাকায় ১৫ ফ্ল্যাট, নারায়ণগঞ্জে ৫টি গার্মেন্ট রয়েছে। এছাড়া আইপি টিভি জয়যাত্রাসহ আরও সম্পদ রয়েছে তারা। মোটা অংকের টাকা দিয়ে ১২টি ক্লাবের সদস্যপদ নিয়েছেন তিনি। এই সম্পদ কীভাবে হলো, দেশের বাইরে অর্থ পাচার করা হয়েছে কিনা- তার তদন্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে ‘জয়যাত্রা টেলিভিশন’ এর নামে সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ করে অর্থ আদায়ের খবর পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এ সংক্রান্ত কথোপকথন ও টাকা লেনদেনের বেশকিছু তথ্য যুগান্তরের হাতে রয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা ও যুগান্তরের নিজস্ব অনুসন্ধানে জানা যায়, সারাদেশ থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের থেকে সংবাদ প্রকাশের জন্য টাকা নেওয়া হতো। মোট দুটি অ্যাকাউন্টে নেওয়া হতো টাকা। বড় পরিমাণের টাকা হলে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে এবং ছোট পরিমাণে হলে পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে নেওয়া হতো। ‘প্রতিনিধি কো-অর্ডিনেটর’ নামে একটি পদ সৃষ্টি করে তার মাধ্যমে এই কাজ করত হেলেনা। জনৈক সানাউল্লাহ নূরীকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি সারা দেশে এ বিষয়গুলো সমন্বয় করতেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, শুরুতে যখন আইপি টিভি প্রতিষ্ঠার ইচ্ছার কথা জানান হেলেনা তখনো তিনি সেভাবে জানতেন না যে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে এভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়। পরে জনৈক মাকসুদ নামের একজন সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়।

বিষয়টি হেলেনা জাহাঙ্গীরের নজরে এলে তিনি তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেন। এরপর জনৈক হাজেরা তার পদে স্থলাভিষিক্ত হয়ে একই কাজে জড়িয়ে পড়েন। পাশাপাশি জনৈক সানাউল্লাহ নূরীকে নিয়োগ দেওয়া হয় ‘প্রতিনিধি কো-অর্ডিনেটর’ হিসাবে। সানাউল্লাহ নিজের নম্বরটি জয়যাত্রার স্ক্রলে দিয়ে প্রতিনিধি নিয়োগের কথা জানান। যারা নিয়োগ পেতে চান তাদেরকে গুনতে হয় বিভিন্ন অংকের অর্থ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জয়যাত্রা টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত চার কর্মী যুগান্তরকে জানান, সেখানে একটি ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ ছিল। নিয়মিত টাকা পরিশোধ না করলে ওই গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হতো। যারা টাকা পরিশোধ করত তাদের নিউজই প্রকাশ করা হতো। ব্যাপারটা অনেকটা এমন হয়ে গিয়েছিল যে, ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে থাকলে প্রতিনিধি আছে, বের করে দিলে আর নেই। সানাউল্লাহই ঠিক করে দিতেন কোন সংবাদ যাবে, কোনটি যাবে না। এক সময় টেলিভিশন চ্যানেলটিতে প্রতিনিধিদের মাসিক তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার নিয়ম করে দেওয়া হয়। অনেকেই এই টাকা পরিশোধ করতে সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি শুরু করেন। যারা তা করতে পারেননি তাদের অনেকের চাকরি চলে যায়। প্রতিবাদ করলে তাদের অনেককে একজন মন্ত্রীর নামে ভয় দেখানো হয়। তদন্তকারীরা আরও জানান, টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিনিধিদের থেকে টাকা নেওয়ার পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের নামেও নেওয়া হতো টাকা। জনৈক রাকিবের বিকাশ নম্বরে এই টাকার বড় একটা অংক আসত। এক সময় প্রবাসীদের নিয়ে কাজ শুরু করে জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেখানেও প্রতিনিধি নিয়োগের নামে নেওয়া হয় টাকা। ফাউন্ডেশনের নামে অনুদান হিসাবেও চাওয়া হয় টাকা। বিভিন্ন উৎস থেকে আসা এসব অর্থ নিয়ে সৎ কর্মকর্তাদের অনেকে প্রতিবাদ করে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের রোষানলে পড়েন। এজন্য কয়েকজনকে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়তেও হয়।

এরমধ্যে একটি বাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তা ও মূলধারার একটি টিভি চ্যানেলের কাজ করা এক ব্যক্তিও ছিলেন বলে জানা যায়। এদিকে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারণার জন্য ব্যবহার হতো জয়যাত্রা টেলিভিশন চ্যানেল। তার সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করতে প্রধান অফিস থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হতো। করা হতো চাপ প্রয়োগ। এছাড়া স্যাটেলাইট টেলিভিশন না হয়েও অবৈধভাবে তা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে প্রদর্শনের চেষ্টা করে চক্রটি।

জানতে চাইলে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, বেশকিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। নতুন অনেক অভিযোগের কথাও জানতে পারছি। এসব বিষয়ে তাকে (হেলেনা) জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

হেলেনার মামলা ডিবিতে : হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে। রোববার বিকালে গুলশান থানা থেকে মামলার তদন্তভার ডিবির স্পেশাল সাইবার ক্রাইম বিভাগে দেওয়া হয়। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ডিবির কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে রোববার হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ও পল্লবী থানায় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

হেলেনার মামলা ডিবিতে

অর্থের উৎস ও সহযোগীদের খোঁজে বিভিন্ন সংস্থা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস, তার সহযোগী ও ইন্ধনদাতাদের খোঁজে কাজ করছে পুলিশ-র‌্যাবসহ বিভিন্ন সংস্থা। তদন্তে আইপি টিভির মাধ্যমে চাঁদাবাজির প্রমাণ মিলেছে। বেতন দেওয়ার পরিবর্তে নিউজ প্রদর্শন, লাইভ অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ প্রদানের জন্য কথিত সাংবাদিকদের কাছ থেকে নেওয়া হতো টাকা।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকা না দিলে আইপি টিভি জয়যাত্রা’র প্রতিনিধি পদ বাতিল করা হতো। এসবের প্রতিবাদ করে হুমকির মুখেও পড়েছেন অনেকে। হেলেনা সরাসরি এসবে জড়িত না থাকলেও তার হয়ে একটি সিন্ডিকেট এই কাজ করত। গ্রেফতারের পর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গুলশান থানায় তিনদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রোববার ছিল রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন। এদিন তার মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হয়। এদিন অন্য দুই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গুলশান ও পল্লবী থানায় মোট তিনটি মামলা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের ঢাকায় ১৫ ফ্ল্যাট, নারায়ণগঞ্জে ৫টি গার্মেন্ট রয়েছে। এছাড়া আইপি টিভি জয়যাত্রাসহ আরও সম্পদ রয়েছে তারা। মোটা অংকের টাকা দিয়ে ১২টি ক্লাবের সদস্যপদ নিয়েছেন তিনি। এই সম্পদ কীভাবে হলো, দেশের বাইরে অর্থ পাচার করা হয়েছে কিনা- তার তদন্ত হচ্ছে।

অন্যদিকে ‘জয়যাত্রা টেলিভিশন’ এর নামে সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ করে অর্থ আদায়ের খবর পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এ সংক্রান্ত কথোপকথন ও টাকা লেনদেনের বেশকিছু তথ্য যুগান্তরের হাতে রয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা ও যুগান্তরের নিজস্ব অনুসন্ধানে জানা যায়, সারাদেশ থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের থেকে সংবাদ প্রকাশের জন্য টাকা নেওয়া হতো। মোট দুটি অ্যাকাউন্টে নেওয়া হতো টাকা। বড় পরিমাণের টাকা হলে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে এবং ছোট পরিমাণে হলে পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে নেওয়া হতো। ‘প্রতিনিধি কো-অর্ডিনেটর’ নামে একটি পদ সৃষ্টি করে তার মাধ্যমে এই কাজ করত হেলেনা। জনৈক সানাউল্লাহ নূরীকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি সারা দেশে এ বিষয়গুলো সমন্বয় করতেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, শুরুতে যখন আইপি টিভি প্রতিষ্ঠার ইচ্ছার কথা জানান হেলেনা তখনো তিনি সেভাবে জানতেন না যে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে এভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়। পরে জনৈক মাকসুদ নামের একজন সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়ে প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়।

বিষয়টি হেলেনা জাহাঙ্গীরের নজরে এলে তিনি তাকে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেন। এরপর জনৈক হাজেরা তার পদে স্থলাভিষিক্ত হয়ে একই কাজে জড়িয়ে পড়েন। পাশাপাশি জনৈক সানাউল্লাহ নূরীকে নিয়োগ দেওয়া হয় ‘প্রতিনিধি কো-অর্ডিনেটর’ হিসাবে। সানাউল্লাহ নিজের নম্বরটি জয়যাত্রার স্ক্রলে দিয়ে প্রতিনিধি নিয়োগের কথা জানান। যারা নিয়োগ পেতে চান তাদেরকে গুনতে হয় বিভিন্ন অংকের অর্থ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে জয়যাত্রা টেলিভিশনের সঙ্গে যুক্ত চার কর্মী যুগান্তরকে জানান, সেখানে একটি ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ ছিল। নিয়মিত টাকা পরিশোধ না করলে ওই গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হতো। যারা টাকা পরিশোধ করত তাদের নিউজই প্রকাশ করা হতো। ব্যাপারটা অনেকটা এমন হয়ে গিয়েছিল যে, ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে থাকলে প্রতিনিধি আছে, বের করে দিলে আর নেই। সানাউল্লাহই ঠিক করে দিতেন কোন সংবাদ যাবে, কোনটি যাবে না। এক সময় টেলিভিশন চ্যানেলটিতে প্রতিনিধিদের মাসিক তিন হাজার টাকা করে দেওয়ার নিয়ম করে দেওয়া হয়। অনেকেই এই টাকা পরিশোধ করতে সাংবাদিকতার নামে চাঁদাবাজি শুরু করেন। যারা তা করতে পারেননি তাদের অনেকের চাকরি চলে যায়। প্রতিবাদ করলে তাদের অনেককে একজন মন্ত্রীর নামে ভয় দেখানো হয়। তদন্তকারীরা আরও জানান, টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিনিধিদের থেকে টাকা নেওয়ার পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের নামেও নেওয়া হতো টাকা। জনৈক রাকিবের বিকাশ নম্বরে এই টাকার বড় একটা অংক আসত। এক সময় প্রবাসীদের নিয়ে কাজ শুরু করে জয়যাত্রা টেলিভিশন। সেখানেও প্রতিনিধি নিয়োগের নামে নেওয়া হয় টাকা। ফাউন্ডেশনের নামে অনুদান হিসাবেও চাওয়া হয় টাকা। বিভিন্ন উৎস থেকে আসা এসব অর্থ নিয়ে সৎ কর্মকর্তাদের অনেকে প্রতিবাদ করে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের রোষানলে পড়েন। এজন্য কয়েকজনকে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়তেও হয়।

এরমধ্যে একটি বাহিনীর সাবেক এক কর্মকর্তা ও মূলধারার একটি টিভি চ্যানেলের কাজ করা এক ব্যক্তিও ছিলেন বলে জানা যায়। এদিকে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারণার জন্য ব্যবহার হতো জয়যাত্রা টেলিভিশন চ্যানেল। তার সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করতে প্রধান অফিস থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হতো। করা হতো চাপ প্রয়োগ। এছাড়া স্যাটেলাইট টেলিভিশন না হয়েও অবৈধভাবে তা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে প্রদর্শনের চেষ্টা করে চক্রটি।

জানতে চাইলে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, বেশকিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। নতুন অনেক অভিযোগের কথাও জানতে পারছি। এসব বিষয়ে তাকে (হেলেনা) জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

হেলেনার মামলা ডিবিতে : হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) স্থানান্তর করা হয়েছে। রোববার বিকালে গুলশান থানা থেকে মামলার তদন্তভার ডিবির স্পেশাল সাইবার ক্রাইম বিভাগে দেওয়া হয়। ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হেলেনা জাহাঙ্গীরকে ডিবির কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। এদিকে রোববার হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ও পল্লবী থানায় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন