সুজনের সংবাদ সম্মেলন

সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা স্থানীয়দের

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৪ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা স্থানীয়দের

আসন্ন গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে একধরনের শঙ্কা কাজ করছে বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সংগঠনটির মতে, এ নির্বাচনের প্রচারে এমপিদের সুযোগ দেয়া হলে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বিঘ্নিত হবে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে গাজীপুর ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সুজনের সংশ্লিষ্টরা। তারা আরও জানান, খুলনা ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের বেশিরভাগই পেশায় ব্যবসায়ী।

কাউন্সিলর পদে প্রার্থীদের একটি বড় অংশ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে পারেনি। অর্থাৎ তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে। এছাড়া দুই সিটি কর্পোরেশনের ১৩২ জন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে। এমনকি কারও কারও বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও রয়েছে।

প্রার্থীদের অর্ধেকের বেশির সম্পদ পাঁচ লাখ টাকার কম। তবে গত পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগ মনোনীত গাজীপুরের মেয়র প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম ও খুলনার মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের নিট সম্পদ বেড়েছে একশ’ শতাংশের বেশি।

প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় বক্তারা জানান, প্রার্থীদের হলফনামায় অনেক ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য দেয়া হয় না। আবার কখনও কখনও তথ্য গোপন করা হয়।

এ ধরনের কার্যকলাপ ফৌজদারি অপরাধ। প্রার্থীদের হলফনামা যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, নির্বাহী সদস্য সৈয়দ আবুল মকসুদ ও আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক। প্রার্থীদের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রার্থীদের হলফনামায় দেয়া তথ্য খতিয়ে দেখা হোক। আইন অনুযায়ী হলফ করে তথ্য গোপন করা ফৌজদারি অপরাধ। মিথ্যা তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিল করা যায়। নির্বাচন কমিশনের উচিত সেই অস্ত্রটি ব্যবহার করা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশনে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি ও বুঝেছি সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ নিয়ে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এমপিরা প্রচণ্ড ক্ষমতাধর, এলাকার নিয়ন্ত্রক ও স্থানীয় উন্নয়নের শরিক। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারে তাদের সুযোগ দেয়া হলে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বিঘ্নিত হবে।

আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্ভব না হলেও অন্তত নির্বাচিত ব্যক্তিদের হলফনামার তথ্য শপথ গ্রহণের আগে এক সপ্তাহের মধ্যে যাচাই-বাছাই করা যায়। প্রার্থীদের একটি বড় অংশ ব্যবসায়ী ও শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে শাহদীন মালিক বলেন, সমাজসেবী, পেশাজীবী ও প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থী বেশি হলে ভালো হতো।

এখন প্রার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতিফলন পাওয়া যায়। এটা রাজনীতির জন্য শুভ নয়।

বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে সবার জন্য সমান সুযোগ নষ্ট হচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে শাহদীন মালিক বলেন, গ্রেফতার নতুন কিছু নয়। তবে এতে সবার জন্য সমান সুযোগ ব্যাহত হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক দলগুলো বা প্রার্থীদের জন্য নয়, নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি পরীক্ষা। কারণ জাতীয় নির্বাচনের ৬ মাস আগে এ নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যথাযথ দায়িত্ব পালন করে তার সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ দেবে বলে তিনি আশা করেন।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন : সুজনের তথ্যমতে, গাজীপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী সাত মেয়র প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন স্নাতকোত্তর এবং বাকি দু’জন স্নাতক ডিগ্রিধারী। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম আইনে স্নাতকোত্তর এবং বিএনপি থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার স্নাতক ডিগ্রিধারী।

এ প্রার্থীদের মধ্যে তিনজন ব্যবসায়ী, তিনজন চাকরিজীবী এবং একজন আইনজীবী। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী উভয়ের পেশা ব্যবসা। সাতজন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে। বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং অতীতে আরও তিনটি ছিল।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অতীতে দুটি ফৌজদারি মামলা থাকলেও এখন নেই। কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী কাজী মো. রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, অতীতেও ছিল না।

গাজীপুরে সাত মেয়র প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদ রয়েছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের। তার সম্পদের পরিমাণ ৮ কোটি ৮৮ লাখ ২৬ হাজার ৭৩৬ টাকা। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিনের সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪৯ টাকা। মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২ কোটি ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা আয় করেন জাহাঙ্গীর আলম। আর হাসান সরকার বছরে ১৭ লাখ ৮৯ হাজার ৫২৪ টাকা আয় করেন।

২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনের হলফনামার সঙ্গে ২০১৮ সালের তুলনা করে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ২০১৩ সালে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৭ টাকা। আর এ ৫ বছরে তার সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৯৯৯ টাকা। বৃদ্ধির এ হার ৬৪৬ শতাংশ। একই সময়ে দায়দেনা বাদে জাহাঙ্গীরের নিট সম্পদ বেড়েছে ১৬০ শতাংশ। ঋণ ছাড়া ২০১৩ সালে তার নিট সম্পদ ছিল ৩৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৭ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৯৯ টাকা। বিএনপি প্রার্থী আগেরবার প্রার্থী না থাকায় তার সম্পদের তুলনা পাওয়া যায়নি।

কাউন্সিলরদের তথ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, গাজীপুরে ২৫৪ জন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৭৫ দশমিক ৯৮ শতাংশের (১৯৩ জন) পেশাই ব্যবসা। কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন ২২ জন (৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ)। বাকিরা অন্য পেশার। অপরদিকে ৮৪ জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৪৬ দশমিক ৪২ শতাংশ (৩৯ জন) গৃহিণী। ২৩ জন (২৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ) ব্যবসায়ী ও ৫ জন আইনজীবী।

কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১১২ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে, ৪০ জনের এসএসসি এবং ৩৪ জনের এইচএসসি। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ৩৯ ও ২১ জন। ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ৮৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে এসএসসির কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর সংখ্যা ৪৯ জন। ৯ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি এবং ৯ জনের এইচএসসি। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ৯ জন ও ৭ জন। কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ৯৩ জনের (৩৬ দশমিক ৬১ শতাংশ) বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা রয়েছে। আগে মামলা ছিল ৩৮ জনের বিরুদ্ধে। ২২ জনের উভয় সময়ে মামলা ছিল বা আছে। ৩০২ ধারায় ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ফৌজদারি মামলা আছে এবং ২ জনের বিরুদ্ধে অতীতে ফৌজদারি মামলা ছিল। এ সিটি কর্পোরেশনের তিনটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০০ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে, ৪৩ জনের বিরুদ্ধে অতীতে এবং ২৪ জনের বিরুদ্ধে উভয় সময়ে মামলা আছে বা ছিল।

সম্পদের হিসাব তুলে ধরে সুজন জানিয়েছে, ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১৫৬ জন ৫ লাখ টাকার কম মূল্যমানের সম্পদের মালিক। ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে ৬১ জনের এবং ৫০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা মূল্যমানের সম্পদ রয়েছে ৩ জনের। এছাড়া ৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর সম্পদ কোটি টাকার বেশি। সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৫৯ জনের সম্পদ ৫ লাখ টাকার কম। ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে ১৫ জনের। আর ১০ জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী সম্পদের কথা উল্লেখ করেননি।

খুলনা সিটি কর্পোরেশন : এই সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী পাঁচজনের মধ্যে তিনজন স্নাতক ডিগ্রিধারী হলেও বাকি দুইজন ‘স্বশিক্ষিত’। আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বিএ পাস করেছেন আর বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু আইনে স্নাতক।

প্রার্থীদের মধ্যে তিনজন ব্যবসায়ী, একজন কৃষিজীবী এবং আরেকজনের আয়ের উৎস বাড়িভাড়া। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পেশা ব্যবসায়ী আর বিএনপির প্রার্থীর ব্যবসা এখন বন্ধ, তার আয়ের উৎস বাড়িভাড়া।

এ সিটি কর্পোরেশনের দু’জন মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুর বিরুদ্ধে চারটি ফৌজদারি মামলা রয়েছে এবং অতীতে ছিল তিনটি। আওয়ামী লীগের তালুকদার খালেকের অতীতে নয়টি ফৌজদারি মামলা থাকলেও এখন একটিও নেই।

তার বিরুদ্ধে এই নয়টির চারটিই ছিল ৩০২ ধারায়। জাতীয় পার্টির প্রার্থী শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দুটি ফৌজদারি মামলা চলমান, যার একটি ৩০২ ধারায়। অতীতে আরও দুটি ফৌজদারি মামলা ছিল তার নামে। খু

লনা সিটিতেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের সম্পদের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তার মোট সম্পদ ১১ কোটি ৮৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৫৬ টাকার। বাকি চার প্রার্থীর সম্পদের পরিমাণ ৫ লাখ টাকার নিচে।

২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনের হলফনামা অনুযায়ী তালুকদার খালেকের সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৮ লাখ ৪১ হাজার ২৯১ জানিয়ে দিলীপ সরকার বলেন, সেখান থেকে ২০১৮ সালের হলফনামা অনুযায়ী পাঁচ বছরে বেড়েছে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার ২৬৫ টাকা, বৃদ্ধির হার ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ। দায়দেনা বাদে খালেকের ২০১৩ সালের তুলনায় সম্পদ বেড়েছে ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৩২ হাজার ৫২০ টাকা অর্থাৎ ১০৪ শতাংশ।

খুলনার ১৪৮ জন সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৪৭ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে, ৩৯ জন এসএসসি ও ২৫ জন এইচএসসি পাস। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ২৪ জন ও ১ জন।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে এসএসসির কম শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীর সংখ্যা ২১ জন, ৭ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি এবং ২ জনের এইচএসসি। স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী প্রার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ৬ জন ও ৩ জন। কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১১৩ জনের পেশাই ব্যবসা। কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন ৭ জন ও আইনজীবী রয়েছেন ২ জন (০.৭৮%)।

৩৯ জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১৫ জন গৃহিণী ও ১০ জন ব্যবসায়ী। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৩০ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে, ৩৭ জনের বিরুদ্ধে অতীতে এবং ১৪ জনের উভয় সময়ে মামলা ছিল বা আছে।

৩০২ ধারায় ৪ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে ফৌজদারি মামলা আছে, ৮ জনের বিরুদ্ধে অতীতে ছিল এবং ১ জনের বিরুদ্ধে উভয় সময়ে আছে বা ছিল। ৩৯ জন সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ১ জনের বিরুদ্ধে অতীতে ১টি ফৌজদারি মামলা ছিল।

ঘটনাপ্রবাহ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter