ই-অরেঞ্জ কর্মকর্তা নাজমুল রিমান্ডে
jugantor
ই-অরেঞ্জ কর্মকর্তা নাজমুল রিমান্ডে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩০ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতারণা করে গ্রাহকের এক হাজার একশ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ই-অরেঞ্জের সাবেক চিফ অপারেটিং অফিসার নাজমুল আলম রাসেলের চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর ছিদ্দিক এ আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন নাকচ করে রিমান্ডের আদেশ দেন। গত ২৩ আগস্ট ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিনসহ তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। অপর দুজন হলেন-সোনিয়ার স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার আমানউল্লাহ।

গত ১৭ আগস্ট সকালে মামলা করেন ই-অরেঞ্জের প্রতারণার শিকার গ্রাহক তাহেরুল ইসলাম। প্রতারণার শিকার হওয়া আরও ৩৭ জন এ সময় উপস্থিত থেকে সাক্ষ্য দেন। ওইদিন দুপুরে সোনিয়া ও তার স্বামী আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তা নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠান। তাহেরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিনি গত ২১ এপ্রিল পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জকে অগ্রিম টাকা দেন। তবে ই-অরেঞ্জ নির্ধারিত তারিখে পণ্য সরবরাহ করেনি। টাকাও ফেরত দেয়নি। নিজেদের ফেসবুক পেজে বারবার নোটিশ দিয়েছে। সময় চেয়েছে। কিন্তু পণ্য ও টাকা দেয়নি। আজ পর্যন্ত তারা পণ্য ডেলিভারি না দিয়ে এক লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় এক হাজার একশ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

কুমিল্লা আদালতে ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের নামে মামলা : কুমিল্লা ব্যুরো জানায়, কুমিল্লার আদালতে ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে মামলা হয়েছে। রোববার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাইফুল খান (৩৭) নামে কুমিল্লা নগরীর একজন গ্রাহক কুমিল্লার ৩৯ গ্রাহকের পক্ষে ৪ কোটি টাকা দাবি করে মামলা করেন। কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিরা হলেন-প্রতিষ্ঠানের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, বিথী আক্তার ও কাওসার। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মজুমদার নোমান জানান, ‘ই-অরেঞ্জ সারা দেশে লাখ লাখ গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করেছে। আমরা প্রতারিত গ্রাহকদের টাকা ফেরত চেয়ে আদালতে মামলা করেছি, আশা করি ন্যায়বিচার পাব।’

ই-অরেঞ্জ কর্মকর্তা নাজমুল রিমান্ডে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩০ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতারণা করে গ্রাহকের এক হাজার একশ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ই-অরেঞ্জের সাবেক চিফ অপারেটিং অফিসার নাজমুল আলম রাসেলের চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর ছিদ্দিক এ আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন নাকচ করে রিমান্ডের আদেশ দেন। গত ২৩ আগস্ট ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিনসহ তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। অপর দুজন হলেন-সোনিয়ার স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার আমানউল্লাহ।

গত ১৭ আগস্ট সকালে মামলা করেন ই-অরেঞ্জের প্রতারণার শিকার গ্রাহক তাহেরুল ইসলাম। প্রতারণার শিকার হওয়া আরও ৩৭ জন এ সময় উপস্থিত থেকে সাক্ষ্য দেন। ওইদিন দুপুরে সোনিয়া ও তার স্বামী আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তা নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠান। তাহেরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিনি গত ২১ এপ্রিল পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জকে অগ্রিম টাকা দেন। তবে ই-অরেঞ্জ নির্ধারিত তারিখে পণ্য সরবরাহ করেনি। টাকাও ফেরত দেয়নি। নিজেদের ফেসবুক পেজে বারবার নোটিশ দিয়েছে। সময় চেয়েছে। কিন্তু পণ্য ও টাকা দেয়নি। আজ পর্যন্ত তারা পণ্য ডেলিভারি না দিয়ে এক লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় এক হাজার একশ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

কুমিল্লা আদালতে ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের নামে মামলা : কুমিল্লা ব্যুরো জানায়, কুমিল্লার আদালতে ই-অরেঞ্জের মালিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে মামলা হয়েছে। রোববার কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাইফুল খান (৩৭) নামে কুমিল্লা নগরীর একজন গ্রাহক কুমিল্লার ৩৯ গ্রাহকের পক্ষে ৪ কোটি টাকা দাবি করে মামলা করেন। কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামিরা হলেন-প্রতিষ্ঠানের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, বিথী আক্তার ও কাওসার। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মজুমদার নোমান জানান, ‘ই-অরেঞ্জ সারা দেশে লাখ লাখ গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করেছে। আমরা প্রতারিত গ্রাহকদের টাকা ফেরত চেয়ে আদালতে মামলা করেছি, আশা করি ন্যায়বিচার পাব।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন