মঙ্গলের জন্য পারমাণবিক চুল্লি!

প্রকাশ : ০৭ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

‘কিলোপাওয়ার রিঅ্যাক্টর’ পারমাণবিক চুল্লি

নতুন নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লির পরীক্ষায় সফল হয়েছে নাসা। ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজে ব্যবহার করা হতে পারে এটি।

নাসার নেভাডা ন্যাশনাল সিকিউরিটি সাইটে নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত পরীক্ষা চালানো হয়েছে ‘কিলোপাওয়ার রিঅ্যাক্টর’ নামের এই পারমাণবিক চুল্লির।

খবর ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড মিররের। প্রকল্পে কাজ করা জিম রয়টার বলেন, নিরাপদ, কার্যকর এবং যথেষ্ট শক্তি হবে ভবিষ্যৎ রোবোটিকস এবং মানব অন্বেষণের মূল চাবি। আমি বিশ্বাস করি বিকাশ ঘটলে চন্দ্র ও মঙ্গলে শক্তি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে কিলোপাওয়ার।

কিলোপাওয়ার হল হালকা একটি বিভাজন শক্তি ব্যবস্থা, যা ১০ কিলোওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। এই শক্তি দিয়ে মাঝারি ধরনের কয়েকটি বাড়িতে টানা ১০ বছর বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

চাঁদে সূর্য থেকে শক্তি উৎপাদন কঠিন হওয়ায় নাসার ধারণা চাঁদের জন্য আদর্শ হবে এই পারমাণবিক চুল্লি। কারণ এক চাঁদরাত পৃথিবীর ১৪ দিনের সমান।

কিলোপাওয়ারের প্রধান প্রকৌশলী মার্ক গিবসন বলেন, ‘কিলোপাওয়ার আমাদের আরও বেশি শক্তির মিশন পরিচালনা এবং চাঁদের অন্ধকার গর্তগুলোতে অনুসন্ধান চালানোর ক্ষমতা দিয়েছে। আমরা যখন চাঁদে বা অন্যান্য গ্রহে দীর্ঘদিন থাকার জন্য নভোচারী পাঠাব সেখানে নতুন শ্রেণীর শক্তি লাগবে যা আগে কখনও দরকার পড়েনি।’

নতুন পারমাণবিক চুল্লিটি পরীক্ষার উদ্দেশ্য ছিল দুটি। এর মধ্যে একটি হল ব্যবস্থাটি বিভাজন শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে কিনা। আর ব্যবস্থাটি স্থির এবং পরিবেশের জন্য নিরাপদ কিনা।

গিবসন বলেন, ‘আমরা চুল্লিটি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি এবং পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে যে, ব্যবস্থাটি যেভাবে নকশা করা হয়েছে তেমনভাবেই কাজ করে। যে পরিবেশই দেয়া হোক না কেন, চুল্লিটি ভালো কাজ করে।’ চুল্লিটি কখন মহাকাশে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তা স্পষ্ট করেনি নাসা।