ফেঞ্চুগঞ্জে বসত ঘরের সামনেই পাঠদান
jugantor
ফেঞ্চুগঞ্জে বসত ঘরের সামনেই পাঠদান

  সিলেট ব্যুরো ও ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইউসুফ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম একটি বসতঘরের সামনে পাঠদান করা হচ্ছে। ১৭ মাস পর বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিন থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যালয়টির নতুন চারতলা ভবনে ৭টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হবে। এজন্য বিদ্যালয়ের পুরোনো দুটি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিদ্যালয়ের দাতা পরিবারের সদস্য আরিফুজ্জামান চৌধুরীর বসতঘরের সামনেই ক্লাস নিতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, বিদ্যালয়টিতে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়। বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন পুরোনো ভবন দুটি ভেঙে ফেলা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কয়েক মাস আগে থেকে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরু করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু করেনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল আলম রাজ্জাক বলেন, দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলেছে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। দুই শিফটে ক্লাস করানোর ফলে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান হয়েছে। কিন্তু নতুন ভবন নির্মাণ করার জন্য এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিক উদ্দিন বলেন, ঠিকাদারের সঙ্গে আলাপ করেছি। তারা বলেছেন, কয়েকদিনের মধ্যে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করবেন। অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চালানোর জন্য টিনশেডের শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী আহমেদ বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

ফেঞ্চুগঞ্জে বসত ঘরের সামনেই পাঠদান

 সিলেট ব্যুরো ও ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ইউসুফ আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম একটি বসতঘরের সামনে পাঠদান করা হচ্ছে। ১৭ মাস পর বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিন থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খোলা আকাশের নিচে পাঠদান চলছে।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিদ্যালয়টির নতুন চারতলা ভবনে ৭টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণ করা হবে। এজন্য বিদ্যালয়ের পুরোনো দুটি ভবন ভেঙে ফেলা হয়েছে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিদ্যালয়ের দাতা পরিবারের সদস্য আরিফুজ্জামান চৌধুরীর বসতঘরের সামনেই ক্লাস নিতে হচ্ছে।

সূত্র জানায়, বিদ্যালয়টিতে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়। বিদ্যালয় বন্ধ থাকাকালীন পুরোনো ভবন দুটি ভেঙে ফেলা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কয়েক মাস আগে থেকে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরু করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো কাজ শুরু করেনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল আলম রাজ্জাক বলেন, দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলেছে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা আনন্দিত। দুই শিফটে ক্লাস করানোর ফলে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান হয়েছে। কিন্তু নতুন ভবন নির্মাণ করার জন্য এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিক উদ্দিন বলেন, ঠিকাদারের সঙ্গে আলাপ করেছি। তারা বলেছেন, কয়েকদিনের মধ্যে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করবেন। অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চালানোর জন্য টিনশেডের শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাখী আহমেদ বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। আমি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন