টাইমের প্রভাবশালীর তালিকায় তালেবান নেতা বারাদার
jugantor
টাইমের প্রভাবশালীর তালিকায় তালেবান নেতা বারাদার

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তি, আফগানিস্তান দখল ও সরকার গঠনে তালেবানের সবচেয়ে আলোচিত নেতা হচ্ছেন মোল্লা আবদুল গনি বারাদার। তালেবানের এ সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবার স্থান পেয়েছেন ২০২১ সালে টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও রয়েছে এবারের তালিকায়। গত বুধবার তালিকাটি প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন।

টাইম বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তালেবানের সমঝোতায় মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন বারাদার। আর এ সমঝোতার ওপর ভিত্তি করেই আফগানিস্তানের ক্ষমতার মসনদ দখল করতে পেরেছে তালেবান। বলা হয়ে থাকে, তালেবানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে থাকেন বারাদার। আফগানিস্তানের সাবেক সরকারি কর্মীদের জন্য যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তও তিনি নেন। কাবুলে তালেবানের প্রবেশের সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে তালেবানের যোগাযোগ ও সফরেও তিনি ছিলেন মুখ্য ভূমিকায়। আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে যারা কাজ করবেন, তাদের অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বারাদারকে। একজন শান্ত, অগোচরে থাকা ব্যক্তি বারাদার, যিনি খুব কমই প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখেন। তবুও তালেবানের মধ্যে তিনিই দেশটির আর্থিক সহায়তার পথ খোলার জন্য আলোচনার দায়ভার নিতে পারেন। টাইমসের জরিপে তাকে ‘ক্যারিশমাটিক সামরিক নেতা’ ও ‘গভীর ধার্মিক ব্যক্তি’ বলা হয়েছে। তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। তরুণদের কাছে গ্রহণযোগ্য অন্য তালেবান নেতাদেরও শীর্ষ স্থানে বসিয়েছেন।

টাইম ম্যাগাজিনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নিয়ে লেখা হয়েছে, হাওয়াই চটি পায়ে সাদা শাড়ি পরা মমতা আপসহীন নেত্রী হিসেবে এক পরিচিত মুখ। কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য এর আগেও তিনি পেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক সম্মান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াইয়েও প্রথম সারিতে তিনি। তিনি শুধু দলের নেত্রী নন, তিনিই একটি দল। মোদির প্রোফাইল লেখা হয়েছে, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হলেন জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী ও নরেন্দ্র মোদি। তিনি ভারতের তৃতীয় নেতা যিনি দেশটির রাজনীতিতে এত প্রভাব বিস্তার করেছেন। ভারতকে ধর্মীয় নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের দিকে ঠেলে দিয়েছেন মোদি। টাইম ম্যাগাজিনের এবারের তালিকায় স্থান পাওয়াদের মধ্যে আরও রয়েছেন-মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক, প্রিন্স হ্যারি, মেগান মার্কেল, রুশবিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি, পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স, সংগীত শিল্পী বিলি ইলিশ, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা, অভিনেত্রী কেট উইন্সলেট ও স্কারলেট জোহানসন।

টাইমের প্রভাবশালীর তালিকায় তালেবান নেতা বারাদার

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তি, আফগানিস্তান দখল ও সরকার গঠনে তালেবানের সবচেয়ে আলোচিত নেতা হচ্ছেন মোল্লা আবদুল গনি বারাদার। তালেবানের এ সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবার স্থান পেয়েছেন ২০২১ সালে টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও রয়েছে এবারের তালিকায়। গত বুধবার তালিকাটি প্রকাশ করেছে টাইম ম্যাগাজিন।

টাইম বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তালেবানের সমঝোতায় মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন বারাদার। আর এ সমঝোতার ওপর ভিত্তি করেই আফগানিস্তানের ক্ষমতার মসনদ দখল করতে পেরেছে তালেবান। বলা হয়ে থাকে, তালেবানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে থাকেন বারাদার। আফগানিস্তানের সাবেক সরকারি কর্মীদের জন্য যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তও তিনি নেন। কাবুলে তালেবানের প্রবেশের সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে তালেবানের যোগাযোগ ও সফরেও তিনি ছিলেন মুখ্য ভূমিকায়। আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে যারা কাজ করবেন, তাদের অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বারাদারকে। একজন শান্ত, অগোচরে থাকা ব্যক্তি বারাদার, যিনি খুব কমই প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখেন। তবুও তালেবানের মধ্যে তিনিই দেশটির আর্থিক সহায়তার পথ খোলার জন্য আলোচনার দায়ভার নিতে পারেন। টাইমসের জরিপে তাকে ‘ক্যারিশমাটিক সামরিক নেতা’ ও ‘গভীর ধার্মিক ব্যক্তি’ বলা হয়েছে। তালেবানের অন্তর্বর্তী সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তিনি। তরুণদের কাছে গ্রহণযোগ্য অন্য তালেবান নেতাদেরও শীর্ষ স্থানে বসিয়েছেন।

টাইম ম্যাগাজিনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে নিয়ে লেখা হয়েছে, হাওয়াই চটি পায়ে সাদা শাড়ি পরা মমতা আপসহীন নেত্রী হিসেবে এক পরিচিত মুখ। কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য এর আগেও তিনি পেয়েছিলেন আন্তর্জাতিক সম্মান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে লড়াইয়েও প্রথম সারিতে তিনি। তিনি শুধু দলের নেত্রী নন, তিনিই একটি দল। মোদির প্রোফাইল লেখা হয়েছে, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হলেন জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী ও নরেন্দ্র মোদি। তিনি ভারতের তৃতীয় নেতা যিনি দেশটির রাজনীতিতে এত প্রভাব বিস্তার করেছেন। ভারতকে ধর্মীয় নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে হিন্দু জাতীয়তাবাদের দিকে ঠেলে দিয়েছেন মোদি। টাইম ম্যাগাজিনের এবারের তালিকায় স্থান পাওয়াদের মধ্যে আরও রয়েছেন-মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক, প্রিন্স হ্যারি, মেগান মার্কেল, রুশবিরোধী নেতা অ্যালেক্সি নাভালনি, পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স, সংগীত শিল্পী বিলি ইলিশ, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুনাওয়ালা, অভিনেত্রী কেট উইন্সলেট ও স্কারলেট জোহানসন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন