টিকার নিবন্ধন নিতে হবে দৈনিক সোয়া ২ লাখ শিক্ষার্থীর
jugantor
ইউজিসির ওয়েব লিংক প্রকাশ
টিকার নিবন্ধন নিতে হবে দৈনিক সোয়া ২ লাখ শিক্ষার্থীর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকার আওতায় আনতে ওয়েব লিংক চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (এনআইডি) ব্যবহার করে এই লিংকে নাম নিবন্ধন করতে হবে। পাশাপাশি তাদেরকে টিকার সরকারি ওয়েবসাইট সুরক্ষাডটকমেও নিবন্ধন করতে হবে। আর

যাদের এনআইডি নেই, তারা জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর এই লিংকে দেবেন। এরপর তাদের জন্য কোভিড-১৯ টিকার ব্যবস্থা করা হবে। বৃহস্পতিবার এই লিংকটি (https://univac.ugc.gov.bd) প্রকাশ করে সংস্থাটি।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৩৯ লাখ শিক্ষার্থী আছে। এর মধ্যে টিকার নিবন্ধন করেছেন সাড়ে ১৭ লাখ। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ ছাত্রছাত্রী টিকা দিয়েছেন। এর মধ্যে আবার সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী এক ডোজ এবং ৯০ হাজার উভয় ডোজ টিকা নিয়েছেন। সেই হিসাবে এখনো সাড়ে ২১ লাখ শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেনি। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব শিক্ষার্থীকে টিকার নিবন্ধন কাজ সারতে হবে। সেই হিসাবে দৈনিক সোয়া ২ লাখ শিক্ষার্থীকে নিবন্ধন করতে হবে।

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, লিংকটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে স্ক্রল আকারে যাবে। এছাড়া ইউজিসি এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ও নিজস্ব ওয়েবসাইটে স্ক্রল আকারে দেবে। টিকা সংক্রান্ত সরকারি ওয়েবসাইট সুরক্ষাডটকমের মতোই এতে শিক্ষার্থী তার বিভিন্ন তথ্য দেবে।

সর্বশেষ ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের টিকাদান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতেই ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ তথ্য আপলোডের জন্য লিংক তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। এটি তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইউজিসিকে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি নেই, তারা সেটা করার চেষ্টা করবে। না পারলে জন্মনিবন্ধন সনদ নম্বর দিয়েই নিবন্ধন করবে। আর যাদের জন্ম নিবন্ধন সনদও নেই, তাদেরকে এখন দ্রুতসময়ের মধ্যে তা সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে (ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানে অনুরোধও করেছে ইউজিসি। যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হয়, সেক্ষেত্রেও জন্মসনদ ব্যবহার করে নিবন্ধন করতে পারবেন।

জানা যায়, ১০টি ধাপে নিবন্ধনের কাজটি শেষ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রথমে লিংকে যেতে হবে। সেখানে রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করলে যে পাতা আসবে, সেখানে তথ্য আপলোড করতে হবে। তথ্য সাবমিট করা হলে একটি ওটিপি নম্বর যাবে শিক্ষার্থীর ইমেইলে। এরপর ওটিপি দিয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করে আরও কিছু তথ্য আপলোড করতে হবে। এতে কেউ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে থাকলে সেই তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। এর সঙ্গে দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারীকে এনআইডি নম্বরও দিতে হবে। টিকা নেয়নি কিন্তু এনআইডি নম্বর আছে-এমন শিক্ষার্থীকে সুরক্ষাডটকমে নিবন্ধন করতে হবে।

ইউজিসি সূত্র জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা আছে। আর যেসব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র আছে, তারাও এই লিংক ব্যবহার করে সুরক্ষা অ্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে টিকার নিবন্ধন করতে পারবে। এই ওয়েব লিংকের মাধ্যমে টিকা গ্রহণকারী ও নিবন্ধনকারী শিক্ষার্থীর সঠিক সংখ্যা জানা যাবে। শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনের তথ্য পাওয়ার পর ইউজিসি স্বাস্থ্য বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবে। ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব শিক্ষার্থীর টিকা নিবন্ধনের কাজ শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে পারবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, এই লিংকের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ করা বা নিবন্ধন নিশ্চিত করা। কেননা, এখন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বাধাই হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন। তাদের তালিকাভুক্ত করা গেলে ক্যাম্পাসে এনে টিকা দেওয়া যাবে। এটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : এদিকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে টিকার জন্য নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীকে টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা অধিভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বা ১৮ বছরের বেশি এবং যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাদেরকে তিন কার্যদিবস অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জন্মনিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করে এর নিবন্ধন নম্বর সংশ্লিষ্ট লিংকে দিতে হবে। সনদপ্রাপ্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী যাতে স্থানীয় পর্যায়ে কোভিড-১৯-এর টিকা পেতে পারে, সে লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে টিকার ১ম/২য় ডোজ গ্রহণ করেছে, তাদের তথ্য অতিসত্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

ইউজিসির ওয়েব লিংক প্রকাশ

টিকার নিবন্ধন নিতে হবে দৈনিক সোয়া ২ লাখ শিক্ষার্থীর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকার আওতায় আনতে ওয়েব লিংক চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (এনআইডি) ব্যবহার করে এই লিংকে নাম নিবন্ধন করতে হবে। পাশাপাশি তাদেরকে টিকার সরকারি ওয়েবসাইট সুরক্ষাডটকমেও নিবন্ধন করতে হবে। আর

যাদের এনআইডি নেই, তারা জন্মনিবন্ধন সনদের নম্বর এই লিংকে দেবেন। এরপর তাদের জন্য কোভিড-১৯ টিকার ব্যবস্থা করা হবে। বৃহস্পতিবার এই লিংকটি (https://univac.ugc.gov.bd) প্রকাশ করে সংস্থাটি।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৩৯ লাখ শিক্ষার্থী আছে। এর মধ্যে টিকার নিবন্ধন করেছেন সাড়ে ১৭ লাখ। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ ছাত্রছাত্রী টিকা দিয়েছেন। এর মধ্যে আবার সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী এক ডোজ এবং ৯০ হাজার উভয় ডোজ টিকা নিয়েছেন। সেই হিসাবে এখনো সাড়ে ২১ লাখ শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেনি। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব শিক্ষার্থীকে টিকার নিবন্ধন কাজ সারতে হবে। সেই হিসাবে দৈনিক সোয়া ২ লাখ শিক্ষার্থীকে নিবন্ধন করতে হবে।

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন যুগান্তরকে বলেন, লিংকটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে স্ক্রল আকারে যাবে। এছাড়া ইউজিসি এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ও নিজস্ব ওয়েবসাইটে স্ক্রল আকারে দেবে। টিকা সংক্রান্ত সরকারি ওয়েবসাইট সুরক্ষাডটকমের মতোই এতে শিক্ষার্থী তার বিভিন্ন তথ্য দেবে।

সর্বশেষ ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের টিকাদান সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতেই ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ তথ্য আপলোডের জন্য লিংক তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। এটি তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইউজিসিকে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি নেই, তারা সেটা করার চেষ্টা করবে। না পারলে জন্মনিবন্ধন সনদ নম্বর দিয়েই নিবন্ধন করবে। আর যাদের জন্ম নিবন্ধন সনদও নেই, তাদেরকে এখন দ্রুতসময়ের মধ্যে তা সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে (ইউনিয়ন পরিষদ/ওয়ার্ড) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদানে অনুরোধও করেছে ইউজিসি। যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হয়, সেক্ষেত্রেও জন্মসনদ ব্যবহার করে নিবন্ধন করতে পারবেন।

জানা যায়, ১০টি ধাপে নিবন্ধনের কাজটি শেষ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রথমে লিংকে যেতে হবে। সেখানে রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করলে যে পাতা আসবে, সেখানে তথ্য আপলোড করতে হবে। তথ্য সাবমিট করা হলে একটি ওটিপি নম্বর যাবে শিক্ষার্থীর ইমেইলে। এরপর ওটিপি দিয়ে সিস্টেমে প্রবেশ করে আরও কিছু তথ্য আপলোড করতে হবে। এতে কেউ দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে থাকলে সেই তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। এর সঙ্গে দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারীকে এনআইডি নম্বরও দিতে হবে। টিকা নেয়নি কিন্তু এনআইডি নম্বর আছে-এমন শিক্ষার্থীকে সুরক্ষাডটকমে নিবন্ধন করতে হবে।

ইউজিসি সূত্র জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা আছে। আর যেসব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র আছে, তারাও এই লিংক ব্যবহার করে সুরক্ষা অ্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে টিকার নিবন্ধন করতে পারবে। এই ওয়েব লিংকের মাধ্যমে টিকা গ্রহণকারী ও নিবন্ধনকারী শিক্ষার্থীর সঠিক সংখ্যা জানা যাবে। শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনের তথ্য পাওয়ার পর ইউজিসি স্বাস্থ্য বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবে। ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব শিক্ষার্থীর টিকা নিবন্ধনের কাজ শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে পারবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, এই লিংকের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীর তথ্য সংগ্রহ করা বা নিবন্ধন নিশ্চিত করা। কেননা, এখন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বাধাই হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন। তাদের তালিকাভুক্ত করা গেলে ক্যাম্পাসে এনে টিকা দেওয়া যাবে। এটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় : এদিকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে টিকার জন্য নিবন্ধনের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীকে টিকা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা অধিভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বা ১৮ বছরের বেশি এবং যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাদেরকে তিন কার্যদিবস অর্থাৎ ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জন্মনিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করে এর নিবন্ধন নম্বর সংশ্লিষ্ট লিংকে দিতে হবে। সনদপ্রাপ্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী যাতে স্থানীয় পর্যায়ে কোভিড-১৯-এর টিকা পেতে পারে, সে লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে টিকার ১ম/২য় ডোজ গ্রহণ করেছে, তাদের তথ্য অতিসত্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন