টাকা ফেরত পেতে ধামাকা বিক্রেতাদের আলটিমেটাম
jugantor
টাকা ফেরত পেতে ধামাকা বিক্রেতাদের আলটিমেটাম

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০০ কোটি টাকা ফেরত পেতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকা শপিং ডটকমকে পাঁচ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন বিক্রেতারা। এর মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে ধামাকা শপিং ডটকম বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা এ হুঁশিয়ারি দেন।

সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমন লিখিত বক্তব্যে বলেন, সেলার বা মার্চেন্ট হিসাবে প্রায় ৬৫০ জন এসএমই উদ্যোক্তা ধামাকা শপিংকে পণ্য সরবরাহ করেছে। কোম্পানির চেয়ারম্যান স্বনামধন্য চিকিৎসক ডা. এম আলী (মো. মোজতবা আলী) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিমউদ্দিন চিশতীর ওপর আস্থা রেখে গত ডিসেম্বর হতে ধামাকা শপিং ডটকমের নির্দেশনা ও চুক্তি অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা হয়। চুক্তিতে স্পষ্ট লেখা ছিল, পণ্য সরবরাহের অর্ডারের কপি (পিও) পাওয়ার পর পণ্য সরবরাহ করে বা তাদের নির্দেশিত গ্রাহকদের পণ্য দিয়ে বিল সাবমিট করার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ধামাকা শপিং ডটকম পাওনা অর্থ পরিশোধ করবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখন ১৬০ দিনেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে। এপ্রিল থেকে গ্রাহকদের পণ্য সরবরাহ বাবদ বিক্রেতাদের পাওনা ২০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেনি তারা।

ইমন আরও বলেন, পাওনা আদায়ে কোম্পানির চেয়ারম্যান ডা. এম আলীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের জন্য তার বাসভবনে যাওয়ার পরও তিনি সেলারদের সঙ্গে দেখা করেননি। তার সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করার জন্য একাধিকবার ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ মারফত যোগাযোগের চেষ্টা করার পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। মাঝে মাঝে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম উদ্দিন চিশতী ভার্চুয়াল সভা ও ফেসবুকে লাইভ প্রোগ্রামে পাওনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও তিনি কোনো প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করেননি।

টাকা ফেরত পেতে ধামাকা বিক্রেতাদের আলটিমেটাম

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০০ কোটি টাকা ফেরত পেতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ধামাকা শপিং ডটকমকে পাঁচ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন বিক্রেতারা। এর মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে ধামাকা শপিং ডটকম বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা এ হুঁশিয়ারি দেন।

সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ইমন লিখিত বক্তব্যে বলেন, সেলার বা মার্চেন্ট হিসাবে প্রায় ৬৫০ জন এসএমই উদ্যোক্তা ধামাকা শপিংকে পণ্য সরবরাহ করেছে। কোম্পানির চেয়ারম্যান স্বনামধন্য চিকিৎসক ডা. এম আলী (মো. মোজতবা আলী) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিমউদ্দিন চিশতীর ওপর আস্থা রেখে গত ডিসেম্বর হতে ধামাকা শপিং ডটকমের নির্দেশনা ও চুক্তি অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা হয়। চুক্তিতে স্পষ্ট লেখা ছিল, পণ্য সরবরাহের অর্ডারের কপি (পিও) পাওয়ার পর পণ্য সরবরাহ করে বা তাদের নির্দেশিত গ্রাহকদের পণ্য দিয়ে বিল সাবমিট করার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে ধামাকা শপিং ডটকম পাওনা অর্থ পরিশোধ করবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখন ১৬০ দিনেরও বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে। এপ্রিল থেকে গ্রাহকদের পণ্য সরবরাহ বাবদ বিক্রেতাদের পাওনা ২০০ কোটি টাকা পরিশোধ করেনি তারা।

ইমন আরও বলেন, পাওনা আদায়ে কোম্পানির চেয়ারম্যান ডা. এম আলীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের জন্য তার বাসভবনে যাওয়ার পরও তিনি সেলারদের সঙ্গে দেখা করেননি। তার সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করার জন্য একাধিকবার ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ মারফত যোগাযোগের চেষ্টা করার পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। মাঝে মাঝে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম উদ্দিন চিশতী ভার্চুয়াল সভা ও ফেসবুকে লাইভ প্রোগ্রামে পাওনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও তিনি কোনো প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করেননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন