দেশে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ নিম্নমুখী
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৫ চিহ্নিত ১১৯০
দেশে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ নিম্নমুখী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিয়ন্ত্রণে আসছে দেশের করোনা পরিস্থিতি। মৃত্যু, সংক্রমণ ও শনাক্তের হার সবকিছুই নিম্নমুখী। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৩৫ জন মারা গেছেন। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৩৮। দুদিন ধরে পুরুষের চেয়ে নারীর মৃত্যু বেশি। একদিনে পুরুষ মারা গেছেন ১৬ ও নারী ১৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ১৮২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৯০ জন। যা ১৬ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২৯ মে এরচেয়ে কম ১ হাজার ৪৩ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আগের দিন শনাক্ত হন ১ হাজার ৯০৭ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জন। ২৪ ঘণ্টায় নমুন পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। আগের দিন তা ছিল ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। একদিনে আরও ১ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮০৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৪৪টি, জিন এক্সপার্ট ৫৫টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬০৯টি। এসব ল্যাবে ১৯ হাজার ৮৯৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯ হাজার ৬৬৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৩টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ২৩ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২৭ ও বেসরকারি হাসপাতালে আটজন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৯, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয়জন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, বরিশাল বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে দুজন ও রংপুর বিভাগে একজন রয়েছেন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে এক জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের ছয়জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের আটজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের সাতজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ছয়জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৫ চিহ্নিত ১১৯০

দেশে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ নিম্নমুখী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিয়ন্ত্রণে আসছে দেশের করোনা পরিস্থিতি। মৃত্যু, সংক্রমণ ও শনাক্তের হার সবকিছুই নিম্নমুখী। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৩৫ জন মারা গেছেন। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৩৮। দুদিন ধরে পুরুষের চেয়ে নারীর মৃত্যু বেশি। একদিনে পুরুষ মারা গেছেন ১৬ ও নারী ১৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ১৮২ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৯০ জন। যা ১৬ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২৯ মে এরচেয়ে কম ১ হাজার ৪৩ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আগের দিন শনাক্ত হন ১ হাজার ৯০৭ জন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জন। ২৪ ঘণ্টায় নমুন পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। আগের দিন তা ছিল ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। একদিনে আরও ১ হাজার ৬৪৫ জন সুস্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮০৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৪৪টি, জিন এক্সপার্ট ৫৫টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬০৯টি। এসব ল্যাবে ১৯ হাজার ৮৯৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯ হাজার ৬৬৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৩টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ২৩ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ২৭ ও বেসরকারি হাসপাতালে আটজন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১৯, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয়জন, রাজশাহী বিভাগে তিনজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, বরিশাল বিভাগে একজন, সিলেট বিভাগে দুজন ও রংপুর বিভাগে একজন রয়েছেন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে এক জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের ছয়জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের পাঁচজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের আটজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের সাতজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ছয়জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন