১৬ দিন পর সেই জাহাজ থেকে চাল খালাস শুরু
jugantor
চট্টগ্রাম বন্দর
১৬ দিন পর সেই জাহাজ থেকে চাল খালাস শুরু

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারত থেকে আসা একটি জাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আটকে থাকা চাল প্রায় ১৬ দিন পর বৃহস্পতিবার থেকে খালাস শুরু হয়। আবহাওয়া ভালো থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে সব চাল খালাস করা সম্ভব হবে। জাহাজটির হ্যাচে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ১ হাজার ৬৫৫ টন চাল আটকে ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী নিয়ন্ত্রক (সার্বিক) ফরিদুল আলম।

চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ কার্যালয়ের কর্তাকর্তারা জানান, জিটুজির আওতায় ভারত থেকে সাড়ে ৬ হাজার টন সেদ্ধ চাল নিয়ে ৩১ আগস্ট বিএসজি ড্রিম নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে। দুদিন পরে খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি (একজন সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমদানি করা চালের নমুনা সংগ্রহ করেন। তা ল্যাবে পরীক্ষাও করা হয়। পরীক্ষা করে চালের গুণগতমান ভালো ও খাওয়ার উপযোগী বলে প্রতিবেদন দেওয়ার পর খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১ আগস্ট জাহাজ থেকে চাল খালাসের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু ওইদিনই জাহাজটির পাওয়ার ‘আউট অব অর্ডার’ হয়ে যায়। ফলে জাহাজের একটি হ্যাচ খোলা অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরে ২ আগস্ট আলাদা পাওয়ার সংযোজন করে খালাস শুরু করা হয়। প্রথম হ্যাচ থেকে ৪ হাজার ৮৪৫ টন চাল খালাস করে বিভিন্ন সিএসডি ও এলএসডিতে পাঠানো হয়। কিন্তু অপর হ্যাচটি খোলা না যাওয়ায় বাকি চাল খালাস সম্ভব হচ্ছিল না। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের পর অবশিষ্ট চাল খালাস শুরু হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর

১৬ দিন পর সেই জাহাজ থেকে চাল খালাস শুরু

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারত থেকে আসা একটি জাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আটকে থাকা চাল প্রায় ১৬ দিন পর বৃহস্পতিবার থেকে খালাস শুরু হয়। আবহাওয়া ভালো থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে সব চাল খালাস করা সম্ভব হবে। জাহাজটির হ্যাচে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ১ হাজার ৬৫৫ টন চাল আটকে ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী নিয়ন্ত্রক (সার্বিক) ফরিদুল আলম।

চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ কার্যালয়ের কর্তাকর্তারা জানান, জিটুজির আওতায় ভারত থেকে সাড়ে ৬ হাজার টন সেদ্ধ চাল নিয়ে ৩১ আগস্ট বিএসজি ড্রিম নামের জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে। দুদিন পরে খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি (একজন সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমদানি করা চালের নমুনা সংগ্রহ করেন। তা ল্যাবে পরীক্ষাও করা হয়। পরীক্ষা করে চালের গুণগতমান ভালো ও খাওয়ার উপযোগী বলে প্রতিবেদন দেওয়ার পর খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১ আগস্ট জাহাজ থেকে চাল খালাসের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু ওইদিনই জাহাজটির পাওয়ার ‘আউট অব অর্ডার’ হয়ে যায়। ফলে জাহাজের একটি হ্যাচ খোলা অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরে ২ আগস্ট আলাদা পাওয়ার সংযোজন করে খালাস শুরু করা হয়। প্রথম হ্যাচ থেকে ৪ হাজার ৮৪৫ টন চাল খালাস করে বিভিন্ন সিএসডি ও এলএসডিতে পাঠানো হয়। কিন্তু অপর হ্যাচটি খোলা না যাওয়ায় বাকি চাল খালাস সম্ভব হচ্ছিল না। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার যান্ত্রিক সমস্যা সমাধানের পর অবশিষ্ট চাল খালাস শুরু হয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন