ভরা এজলাসে এলোপাতাড়ি গুলি
jugantor
দিল্লির রোহিনী কোর্টে গ্যাংস্টারসহ নিহত ৩
ভরা এজলাসে এলোপাতাড়ি গুলি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রীতিমতো গ্যাংস্টার যুদ্ধের ঘটনা ঘটে গেল দিল্লির রোহিনী আদালতে। ভরা এজলাসেই চলল গুলি। শুক্রবার দুপুরে গুলির লড়াইয়ে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। দিল্লির কুখ্যাত দুষ্কৃতকারী জিতেন্দ্র গোগীর মৃত্যু হয়েছে এই লড়াইয়ে। উত্তর দিল্লির রোহিনীতে আদালতকক্ষের মধ্যেই বিবদমান দুই দলের দুষ্কৃতকারীরা গুলি চালায়। তারা আইনজীবীদের পোশাক পরে আদালতকক্ষে প্রবেশ করেছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার।

কুখ্যাত দুষ্কৃতকারী গোগীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গত এপ্রিলে তাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ বিভাগ। সে রকম এক মামলায় আদালতে আনা হয়েছিল গোগীকে। তখনই বিরোধীগোষ্ঠীর দুষ্কৃতকারীরা তার ওপর গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা আইনজীবীদের পোশাক পরেই আদালত চত্বরে ঢুকেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গোগীর ওপর হামলার ঘটনায় ‘টিল্লু’ দলের দুষ্কৃতকারীরা জড়িত বলে সন্দেহ পুলিশের। তাদের গুলি চালনার মধ্যেই পাঠঃা গুলি চালিয়েছে পুলিশও। সেই গুলিতে দুষ্কৃতকারী দলের দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবারের এ ঘটনায় আদালত চত্বরের মধ্যে ৩৫ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি চলেছে। সেখানে কর্মরত এক মহিলা আইনজীবীও আহত হয়েছেন। রোহিনীর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার প্রণব তয়াল বলেছেন, ‘আইনজীবীর পোশাক পরে আততায়ীরা আদালতের মধ্যেই গোগীর ওপর গুলি চালায়। তারপর পুলিশও পালটা গুলি চালিয়েছে।’ দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা বলেছেন, ‘রোহিনী আদালতে গ্যাংস্টার জিতেন্দ্র গোগীর ওপর গুলি চালায় দুই দুষ্কৃতকারী। পুলিশের পালটা গুলিতে দুই আততায়ীর মৃত্যু হয়েছে।’ দিল্লির ওই দুই গ্যাঙের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। গত কয়েক বছরে তাদের মধ্যে লড়াইয়ের জেরে ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির প্রাণ গেছে। ২০১০ সালে বাবার মৃত্যুর পর অপরাধ জগতে প্রবেশ করে জিতেন্দ্র গোগী। গোগী প্রোমোটারি সংক্রান্ত কাজকর্ম শুরু করে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রবীণ নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুন করে গোগী। সে বছরই অক্টোবরে দিল্লির শ্রদ্ধানন্দ কলেজের নির্বাচনে গোগী এবং তার সহযোগীরা সন্দীপ এবং রবিন্দর নামের দুই যুবককে খুন করে। তখন তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এরপর টাকা রোজগারের জন্য নতুন গ্যাং তৈরি করে সে।

দিল্লির রোহিনী কোর্টে গ্যাংস্টারসহ নিহত ৩

ভরা এজলাসে এলোপাতাড়ি গুলি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রীতিমতো গ্যাংস্টার যুদ্ধের ঘটনা ঘটে গেল দিল্লির রোহিনী আদালতে। ভরা এজলাসেই চলল গুলি। শুক্রবার দুপুরে গুলির লড়াইয়ে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। দিল্লির কুখ্যাত দুষ্কৃতকারী জিতেন্দ্র গোগীর মৃত্যু হয়েছে এই লড়াইয়ে। উত্তর দিল্লির রোহিনীতে আদালতকক্ষের মধ্যেই বিবদমান দুই দলের দুষ্কৃতকারীরা গুলি চালায়। তারা আইনজীবীদের পোশাক পরে আদালতকক্ষে প্রবেশ করেছিল। টাইমস অব ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার।

কুখ্যাত দুষ্কৃতকারী গোগীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। গত এপ্রিলে তাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ বিভাগ। সে রকম এক মামলায় আদালতে আনা হয়েছিল গোগীকে। তখনই বিরোধীগোষ্ঠীর দুষ্কৃতকারীরা তার ওপর গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তারা আইনজীবীদের পোশাক পরেই আদালত চত্বরে ঢুকেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গোগীর ওপর হামলার ঘটনায় ‘টিল্লু’ দলের দুষ্কৃতকারীরা জড়িত বলে সন্দেহ পুলিশের। তাদের গুলি চালনার মধ্যেই পাঠঃা গুলি চালিয়েছে পুলিশও। সেই গুলিতে দুষ্কৃতকারী দলের দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবারের এ ঘটনায় আদালত চত্বরের মধ্যে ৩৫ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি চলেছে। সেখানে কর্মরত এক মহিলা আইনজীবীও আহত হয়েছেন। রোহিনীর ডেপুটি পুলিশ কমিশনার প্রণব তয়াল বলেছেন, ‘আইনজীবীর পোশাক পরে আততায়ীরা আদালতের মধ্যেই গোগীর ওপর গুলি চালায়। তারপর পুলিশও পালটা গুলি চালিয়েছে।’ দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা বলেছেন, ‘রোহিনী আদালতে গ্যাংস্টার জিতেন্দ্র গোগীর ওপর গুলি চালায় দুই দুষ্কৃতকারী। পুলিশের পালটা গুলিতে দুই আততায়ীর মৃত্যু হয়েছে।’ দিল্লির ওই দুই গ্যাঙের মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। গত কয়েক বছরে তাদের মধ্যে লড়াইয়ের জেরে ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির প্রাণ গেছে। ২০১০ সালে বাবার মৃত্যুর পর অপরাধ জগতে প্রবেশ করে জিতেন্দ্র গোগী। গোগী প্রোমোটারি সংক্রান্ত কাজকর্ম শুরু করে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে প্রবীণ নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুন করে গোগী। সে বছরই অক্টোবরে দিল্লির শ্রদ্ধানন্দ কলেজের নির্বাচনে গোগী এবং তার সহযোগীরা সন্দীপ এবং রবিন্দর নামের দুই যুবককে খুন করে। তখন তাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এরপর টাকা রোজগারের জন্য নতুন গ্যাং তৈরি করে সে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন