সাড়ে ৬ বছর পর রহস্য উন্মোচন
jugantor
গাবতলীতে ট্রাঙ্কে নারীর লাশ
সাড়ে ৬ বছর পর রহস্য উন্মোচন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রায় সাড়ে ৬ বছর আগে গাবতলীতে বাসের লাগেজ বক্সে লোহার ট্রাঙ্কে পাওয়া ২৫ বছর বয়সি নারীর লাশের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যারহস্য উন্মোচন হয়েছে। ওই সময় চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানার নিখোঁজসংক্রান্ত জিডি পর্যালোচনা করে এ হত্যারহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। এ ঘটনায় শুক্রবার ভোরে ওই নারীর ঘাতক প্রেমিক রেজাউল করিম স্বপনকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তিনি দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে শনিবার দুপুরে পিবিআই সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ৩ মে সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামের কে খান মোড়ে ঈগল পরিবহণের কাউন্টারে টিকিট কেটে একজন ব্যক্তি একটি ট্রাঙ্ক তুলে দেয় বাসের লাগেজ বক্সে। বাসের হেলপারকে বলে, সামনের ভাটিয়ারি কাউন্টার থেকে ওই টিকিটের যাত্রী উঠবে। কিন্তু পরের ওই কাউন্টার থেকে যাত্রী না ওঠায় বাসটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা করে এবং বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে গাবতলী পৌঁছায়। এরপর বাসের সব যাত্রী তাদের জিনিসপত্র নিয়ে নেমে যান। ট্রাঙ্কটি দেখতে পান বাসের হেলপার। তখন বাসের ড্রাইভার-হেলপার মিলে ট্রাঙ্কটি নামিয়ে দেখেন এটি খুব ভারী। তাদের সন্দেহ হওয়ায় দারুস সালাম থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ট্রাঙ্কটি খুলে একজন অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ দেখতে পায়। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ওইদিন রাতেই দারুস সালাম থানার এসআই জাহানুর আলী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পরিচয় না পাওয়ায় ওই তরুণীর লাশ আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়। এই মামলাটি দারুস সালাম থানা পুলিশ তিন মাস তদন্ত করে। পরে তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। মামলাটি চার বছরের বেশি সময় তদন্ত করে সিআইডি। কিন্তু লাশের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যারহস্য কোনোটাই উদঘাটন করা যায়নি। ২০১৯ সালে মামলাটির ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। চাঞ্চল্যকর এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর)-এর ইউনিট ইনচার্জ বিশেষ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমের তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ইন্সপেক্টর আশরাফুজ্জামান ভিকটিমকে শনাক্ত করার জন্য প্রচলিত সব পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। প্রায় দেড় বছর তদন্তের পর ওই নারীর পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক আসামিকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পিবিআই। পিবিআই প্রধান বলেন, নিহতের নাম শম্পা বেগম। তিনি খুলনার দৌলতপুর থানার দেওয়ানা উত্তরপাড়ার ইলিয়াস শেখের মেয়ে। হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি রেজাউল করিম স্বপনকে শুক্রবার ভোরে কুমিল্লার ইপিজেড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।

পিবিআই প্রধান আরও বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে চট্টগ্রাম শহর ও জেলা এলাকার সব থানায় ২০১৫ সালে নিখোঁজ জিডির অনুসন্ধান শুরু হয়। সেখানে ১০-১২টি নিখোঁজ জিডির তথ্য পাওয়া যায়। জিডিগুলোর মধ্যে ২০১৫ সালের ১০ জুন তারিখের একটি জিডিতে (যার নং ৫৯৯) দেখা যায়, শম্পা বেগম চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ওই ঘটনায় নিহত শম্পা বেগমের ভগ্নিপতি আব্দুল মান্নান পাহাড়তলী থানায় জিডিটি করেন।

পিবিআই প্রধান বলেন, ওই জিডির সূত্র ধরে তদন্তকারী কর্মকর্তা জিডিকারী আব্দুল মান্নান ও নিহত শম্পা বেগমের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ইলিয়াস শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, ২০১৩ সালে রেজাউল করিম স্বপন (অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনী সদস্য) খুলনা তিতুমীর নৌঘাঁটিতে কর্মরত থাকাকালে শম্পা বেগম একটি হাসপাতালে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ করতেন। ওই হাসপাতালে শম্পার সঙ্গে রেজাউলের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে শম্পা বিয়ের জন্য চাপ দিলে রেজাউল বদলি হয়ে চট্টগ্রামে চলে যান। ভুক্তভোগী শম্পাও কিছু দিন পরে চট্টগ্রামে তার এক ফুফুর বাসায় চলে যায়। এরপর ফয়’স লেক এলাকায় একটি হোটেলে কিছু দিন অবস্থান করেন তারা। তারপর পাহাড়তলী থানাধীন উত্তর নিভিউ আবাসিক এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সাবলেট হিসাবে বসবাস শুরু করেন দুজন। এভাবে তারা ২০১৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের মে পর্যন্ত বসবাস করেন। কিন্তু তারা বিয়ে করেননি।

পিবিআই প্রধান বলেন, দুজনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই মনোমালিন্য দেখা দিত। ২০১৫ সালের ২ মে গভীর রাতে ঝগড়া হলে শম্পাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে রেজাউল করিম স্বপন। এরপর লাশ গোপন করতে একটি ট্রাঙ্কে ভরে ঢাকাগামী ঈগল পরিবহণের বাসে তুলে দেয়। এদিকে শম্পার বাবাকে সে তখন জানায়, শম্পাকে খুলনার বাসে তুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শম্পা তার বাবার বাড়িতে আর পৌঁছায়নি। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানায় একটি জিডি করেন শম্পার ভগ্নিপত্তি আব্দুল মান্নান। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা ২০১৫ সালের ২৭ মে আসামি রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নৌবাহিনী চট্টগ্রাম অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, গোপন তদন্তের ভিত্তিতে জানা যায়, আসামি রেজাউল করিম স্বপনের বিষয়ে তার বাহিনী তদন্ত করে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে ২০১৯ সালে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়।

গাবতলীতে ট্রাঙ্কে নারীর লাশ

সাড়ে ৬ বছর পর রহস্য উন্মোচন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রায় সাড়ে ৬ বছর আগে গাবতলীতে বাসের লাগেজ বক্সে লোহার ট্রাঙ্কে পাওয়া ২৫ বছর বয়সি নারীর লাশের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যারহস্য উন্মোচন হয়েছে। ওই সময় চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানার নিখোঁজসংক্রান্ত জিডি পর্যালোচনা করে এ হত্যারহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই। এ ঘটনায় শুক্রবার ভোরে ওই নারীর ঘাতক প্রেমিক রেজাউল করিম স্বপনকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তিনি দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে শনিবার দুপুরে পিবিআই সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ৩ মে সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামের কে খান মোড়ে ঈগল পরিবহণের কাউন্টারে টিকিট কেটে একজন ব্যক্তি একটি ট্রাঙ্ক তুলে দেয় বাসের লাগেজ বক্সে। বাসের হেলপারকে বলে, সামনের ভাটিয়ারি কাউন্টার থেকে ওই টিকিটের যাত্রী উঠবে। কিন্তু পরের ওই কাউন্টার থেকে যাত্রী না ওঠায় বাসটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা করে এবং বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে গাবতলী পৌঁছায়। এরপর বাসের সব যাত্রী তাদের জিনিসপত্র নিয়ে নেমে যান। ট্রাঙ্কটি দেখতে পান বাসের হেলপার। তখন বাসের ড্রাইভার-হেলপার মিলে ট্রাঙ্কটি নামিয়ে দেখেন এটি খুব ভারী। তাদের সন্দেহ হওয়ায় দারুস সালাম থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ট্রাঙ্কটি খুলে একজন অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ দেখতে পায়। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ওইদিন রাতেই দারুস সালাম থানার এসআই জাহানুর আলী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। পরিচয় না পাওয়ায় ওই তরুণীর লাশ আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করা হয়। এই মামলাটি দারুস সালাম থানা পুলিশ তিন মাস তদন্ত করে। পরে তদন্তভার দেওয়া হয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। মামলাটি চার বছরের বেশি সময় তদন্ত করে সিআইডি। কিন্তু লাশের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যারহস্য কোনোটাই উদঘাটন করা যায়নি। ২০১৯ সালে মামলাটির ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি। চাঞ্চল্যকর এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর)-এর ইউনিট ইনচার্জ বিশেষ পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমের তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ইন্সপেক্টর আশরাফুজ্জামান ভিকটিমকে শনাক্ত করার জন্য প্রচলিত সব পদ্ধতি প্রয়োগ করেন। প্রায় দেড় বছর তদন্তের পর ওই নারীর পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনার রহস্য উন্মোচন ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক আসামিকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পিবিআই। পিবিআই প্রধান বলেন, নিহতের নাম শম্পা বেগম। তিনি খুলনার দৌলতপুর থানার দেওয়ানা উত্তরপাড়ার ইলিয়াস শেখের মেয়ে। হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি রেজাউল করিম স্বপনকে শুক্রবার ভোরে কুমিল্লার ইপিজেড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।

পিবিআই প্রধান আরও বলেন, তদন্ত করতে গিয়ে চট্টগ্রাম শহর ও জেলা এলাকার সব থানায় ২০১৫ সালে নিখোঁজ জিডির অনুসন্ধান শুরু হয়। সেখানে ১০-১২টি নিখোঁজ জিডির তথ্য পাওয়া যায়। জিডিগুলোর মধ্যে ২০১৫ সালের ১০ জুন তারিখের একটি জিডিতে (যার নং ৫৯৯) দেখা যায়, শম্পা বেগম চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ওই ঘটনায় নিহত শম্পা বেগমের ভগ্নিপতি আব্দুল মান্নান পাহাড়তলী থানায় জিডিটি করেন।

পিবিআই প্রধান বলেন, ওই জিডির সূত্র ধরে তদন্তকারী কর্মকর্তা জিডিকারী আব্দুল মান্নান ও নিহত শম্পা বেগমের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ইলিয়াস শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, ২০১৩ সালে রেজাউল করিম স্বপন (অবসরপ্রাপ্ত নৌবাহিনী সদস্য) খুলনা তিতুমীর নৌঘাঁটিতে কর্মরত থাকাকালে শম্পা বেগম একটি হাসপাতালে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাজ করতেন। ওই হাসপাতালে শম্পার সঙ্গে রেজাউলের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। পরে শম্পা বিয়ের জন্য চাপ দিলে রেজাউল বদলি হয়ে চট্টগ্রামে চলে যান। ভুক্তভোগী শম্পাও কিছু দিন পরে চট্টগ্রামে তার এক ফুফুর বাসায় চলে যায়। এরপর ফয়’স লেক এলাকায় একটি হোটেলে কিছু দিন অবস্থান করেন তারা। তারপর পাহাড়তলী থানাধীন উত্তর নিভিউ আবাসিক এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সাবলেট হিসাবে বসবাস শুরু করেন দুজন। এভাবে তারা ২০১৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের মে পর্যন্ত বসবাস করেন। কিন্তু তারা বিয়ে করেননি।

পিবিআই প্রধান বলেন, দুজনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায়ই মনোমালিন্য দেখা দিত। ২০১৫ সালের ২ মে গভীর রাতে ঝগড়া হলে শম্পাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে রেজাউল করিম স্বপন। এরপর লাশ গোপন করতে একটি ট্রাঙ্কে ভরে ঢাকাগামী ঈগল পরিবহণের বাসে তুলে দেয়। এদিকে শম্পার বাবাকে সে তখন জানায়, শম্পাকে খুলনার বাসে তুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শম্পা তার বাবার বাড়িতে আর পৌঁছায়নি। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানায় একটি জিডি করেন শম্পার ভগ্নিপত্তি আব্দুল মান্নান। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা ২০১৫ সালের ২৭ মে আসামি রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নৌবাহিনী চট্টগ্রাম অফিসে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, গোপন তদন্তের ভিত্তিতে জানা যায়, আসামি রেজাউল করিম স্বপনের বিষয়ে তার বাহিনী তদন্ত করে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে ২০১৯ সালে তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন