দেশে করোনা শনাক্ত হাজারের নিচে
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৫
দেশে করোনা শনাক্ত হাজারের নিচে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন উন্নতির দিকে। ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে শনাক্তের হার। এবার চার মাসের বেশি সময় পর সংক্রমণও নেমে এসেছে হাজারের নিচে। কমেছে মৃত্যুও। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ নিয়ে টানা পাঁচদিন সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা যায় ৩১ জন। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৩৯৩ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮১৮ জন। ১৭ মে এরচেয়ে কম ৬৯৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। তবে আগের দিনের চেয়ে নমুনা পরীক্ষা প্রায় ১০ হাজার কম হয়েছে। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন। ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৬৫ জন সুস্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ১০ হাজার ১৬৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হুহু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। তবে গত এক মাস ধরে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিুমুখী।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১৫টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৪৫টি, জিন এক্সপার্ট ৫৬টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬১৪টি। এসব ল্যাবে ১৭ হাজার ৫১৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৮১৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৯টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪১ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৪ ও নারী ১১ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৯ ও বেসরকারি হাসপাতালে ছয়জন মারা যায়। মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয়জন, খুলনা বিভাগে চারজন, সিলেট বিভাগে দুজন ও রংপুর বিভাগে দুজন রয়েছেন। রাজশাহী, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে কেউ মারা যায়নি। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের তিনজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের সাতজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ছয়জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের চারজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৫

দেশে করোনা শনাক্ত হাজারের নিচে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনা পরিস্থিতি দিন দিন উন্নতির দিকে। ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে শনাক্তের হার। এবার চার মাসের বেশি সময় পর সংক্রমণও নেমে এসেছে হাজারের নিচে। কমেছে মৃত্যুও। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ নিয়ে টানা পাঁচদিন সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে রয়েছে। একদিনে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা যায় ৩১ জন। সব মিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৩৯৩ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৮১৮ জন। ১৭ মে এরচেয়ে কম ৬৯৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। তবে আগের দিনের চেয়ে নমুনা পরীক্ষা প্রায় ১০ হাজার কম হয়েছে। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন। ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৬৫ জন সুস্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ১০ হাজার ১৬৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হুহু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার পর ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। তবে গত এক মাস ধরে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিুমুখী।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১৫টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৪৫টি, জিন এক্সপার্ট ৫৬টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৬১৪টি। এসব ল্যাবে ১৭ হাজার ৫১৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৮১৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৫ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৯টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪১ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৪ ও নারী ১১ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৯ ও বেসরকারি হাসপাতালে ছয়জন মারা যায়। মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয়জন, খুলনা বিভাগে চারজন, সিলেট বিভাগে দুজন ও রংপুর বিভাগে দুজন রয়েছেন। রাজশাহী, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে কেউ মারা যায়নি। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের তিনজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের সাতজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ছয়জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের চারজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন