গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পেরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত
jugantor
গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পেরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত

  ঢাবি প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার দীর্ঘ ১৮ মাস পর রোববার খুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পর গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে গ্রন্থাগার ব্যবহারের সময় বাড়ানোরও দাবি তাদের। এদিকে, প্রথমদিন বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে প্রবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ঢাবিও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও গ্রন্থাগার ব্যবহারের সুযোগ পাননি শিক্ষার্থীরা। ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রন্থাগার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খুলে দেওয়া হয়। গ্রন্থাগারের মূল ফটকের সামনে সামাজিক দূরত্ব মেনে তিন ফুট পরপর বৃত্তাকার চিহ্ন দেওয়া হয়। এ বৃত্ত অনুসরণ করে করোনাভাইরাসের অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন। ভেতরে তাদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। এছাড়া ফটকের ভেতরে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

গ্রন্থাগারে প্রবেশের জন্য দাঁড়ানো রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী সাদেকিন প্রিন্স বলেন, গ্রন্থাগার খুলে দেওয়ায় আমরা খুশি। আমাদের খুব ভালো লাগছে। এতদিন বাসায় পড়তে অসুবিধায় হচ্ছিল। এখন অসুবিধা দূর হলো। তবে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে- আগের সময় অনুযায়ী গ্রন্থাগার যেন খোলা রাখা হয়। আমরা চাই- সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রন্থাগার খোলা রাখা হোক। এতে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে পড়াশোনা করতে পারব। গ্রন্থাগারে অধ্যয়নরত স্নাতকোত্তরের ছাত্রী উম্মে কুলসুম বলেন, গ্রন্থাগার খোলার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। এ সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সশরীরে ক্লাস নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে শুধু স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রন্থাগার ব্যবহার করার নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে জোর করে প্রবেশ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে গ্রন্থাগারের কয়েকজন কর্মচারী আঘাত পেয়েছেন। কয়েকজন কর্মচারী জানান, চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের গ্রন্থাগারে বরণ করতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত মাস্ক নিয়ে প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তারা বলেন, শুরুতে কিছুটা শৃঙ্খলা দেখা গেলেও খানিক পরে নিয়মের তোয়াক্কা না করে জোর করে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন অনেক শিক্ষার্থী। এ সুযোগে চাকরিপ্রত্যাশীরাও প্রবেশ করেন। কয়েকজন কর্মচারীকে ধাক্কা ও ঘুসি দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। বাইরের বই নিয়ে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করা যাবে না- এমন নিয়ম থাকলেও তা মানেননি শিক্ষার্থীরা। বিসিএস পরীক্ষার বইসহ বিভিন্ন বই নিয়ে তারা প্রবেশ করেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজ্ঞান লাইব্রেরিতে প্রবেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম গোলাম রাব্বানী ও গ্রন্থাগারিক নাসির উদ্দীন মুন্সী। চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছাড়া অন্যদের তারা বের হতে বললে কিছু শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রক্টর গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘তোমাদের সহযোগিতা করে কি আমরা ভুল করেছি। তোমরা আমাদের এমন স্মৃতি দিও না, যে স্মৃতি আমাদের কষ্ট দেয়। তোমাদের প্রতি আমাদের যে মমত্ববোধ সেটি কি আমরা এ দেড় বছরে প্রমাণ করিনি! তোমরা যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী আছ তারা পড়। আর অন্যরা আমাদের সহযোগিতা কর। তোমাদের বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।’ সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রন্থাগার খোলা রাখতে প্রক্টরের কাছে শিক্ষার্থীরা দাবি জানান। এ সময় প্রক্টর ড. রাব্বানী বলেন, শিক্ষার্থীরা পড়তে চায়, এটি ইতিবাচক দিক। এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।

গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন বলেন, সব আয়োজন থাকার পরও শিক্ষার্থীরা জোর করে প্রবেশ করেছে। তাদের মধ্যে অনেকে চাকরিপ্রত্যাশী ছিলেন। আমরা আজ তাদের বের করে দিইনি। সামনের দিনে এটি নজরে রাখা হবে।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিদর্শনে যান। এ সময় প্রক্টর ড. রব্বানী, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীনসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত স্বাস্থ্য সচেতন। সবাই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে দেখে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করছি, শিক্ষার্থীদের মতো সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। এটিই আমাদের প্রত্যাশা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছি, তারা সেভাবে লাইব্রেরিতে এসেছে। শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণ একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের পরিবারকেও আমরা ধন্যবাদ জানাই।

গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পেরে ঢাবি শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বসিত

 ঢাবি প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার দীর্ঘ ১৮ মাস পর রোববার খুলে দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন পর গ্রন্থাগার ব্যবহার করতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে গ্রন্থাগার ব্যবহারের সময় বাড়ানোরও দাবি তাদের। এদিকে, প্রথমদিন বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে প্রবেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হট্টগোল হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ঢাবিও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও গ্রন্থাগার ব্যবহারের সুযোগ পাননি শিক্ষার্থীরা। ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রন্থাগার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খুলে দেওয়া হয়। গ্রন্থাগারের মূল ফটকের সামনে সামাজিক দূরত্ব মেনে তিন ফুট পরপর বৃত্তাকার চিহ্ন দেওয়া হয়। এ বৃত্ত অনুসরণ করে করোনাভাইরাসের অন্তত এক ডোজ টিকা নেওয়ার প্রমাণপত্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র দেখিয়ে শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন। ভেতরে তাদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। এছাড়া ফটকের ভেতরে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

গ্রন্থাগারে প্রবেশের জন্য দাঁড়ানো রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী সাদেকিন প্রিন্স বলেন, গ্রন্থাগার খুলে দেওয়ায় আমরা খুশি। আমাদের খুব ভালো লাগছে। এতদিন বাসায় পড়তে অসুবিধায় হচ্ছিল। এখন অসুবিধা দূর হলো। তবে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে- আগের সময় অনুযায়ী গ্রন্থাগার যেন খোলা রাখা হয়। আমরা চাই- সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রন্থাগার খোলা রাখা হোক। এতে সবাই শান্তিপূর্ণভাবে পড়াশোনা করতে পারব। গ্রন্থাগারে অধ্যয়নরত স্নাতকোত্তরের ছাত্রী উম্মে কুলসুম বলেন, গ্রন্থাগার খোলার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। এ সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সশরীরে ক্লাস নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে শুধু স্নাতক শেষবর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রন্থাগার ব্যবহার করার নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষা করে বিজ্ঞান গ্রন্থাগারে জোর করে প্রবেশ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে গ্রন্থাগারের কয়েকজন কর্মচারী আঘাত পেয়েছেন। কয়েকজন কর্মচারী জানান, চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের গ্রন্থাগারে বরণ করতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত মাস্ক নিয়ে প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তারা বলেন, শুরুতে কিছুটা শৃঙ্খলা দেখা গেলেও খানিক পরে নিয়মের তোয়াক্কা না করে জোর করে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করেন অনেক শিক্ষার্থী। এ সুযোগে চাকরিপ্রত্যাশীরাও প্রবেশ করেন। কয়েকজন কর্মচারীকে ধাক্কা ও ঘুসি দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। বাইরের বই নিয়ে গ্রন্থাগারে প্রবেশ করা যাবে না- এমন নিয়ম থাকলেও তা মানেননি শিক্ষার্থীরা। বিসিএস পরীক্ষার বইসহ বিভিন্ন বই নিয়ে তারা প্রবেশ করেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজ্ঞান লাইব্রেরিতে প্রবেশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর একেএম গোলাম রাব্বানী ও গ্রন্থাগারিক নাসির উদ্দীন মুন্সী। চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছাড়া অন্যদের তারা বের হতে বললে কিছু শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রক্টর গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘তোমাদের সহযোগিতা করে কি আমরা ভুল করেছি। তোমরা আমাদের এমন স্মৃতি দিও না, যে স্মৃতি আমাদের কষ্ট দেয়। তোমাদের প্রতি আমাদের যে মমত্ববোধ সেটি কি আমরা এ দেড় বছরে প্রমাণ করিনি! তোমরা যারা নিয়মিত শিক্ষার্থী আছ তারা পড়। আর অন্যরা আমাদের সহযোগিতা কর। তোমাদের বিষয়ে আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।’ সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত গ্রন্থাগার খোলা রাখতে প্রক্টরের কাছে শিক্ষার্থীরা দাবি জানান। এ সময় প্রক্টর ড. রাব্বানী বলেন, শিক্ষার্থীরা পড়তে চায়, এটি ইতিবাচক দিক। এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।

গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীন বলেন, সব আয়োজন থাকার পরও শিক্ষার্থীরা জোর করে প্রবেশ করেছে। তাদের মধ্যে অনেকে চাকরিপ্রত্যাশী ছিলেন। আমরা আজ তাদের বের করে দিইনি। সামনের দিনে এটি নজরে রাখা হবে।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পরিদর্শনে যান। এ সময় প্রক্টর ড. রব্বানী, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূঁইয়া, গ্রন্থাগারিক অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দীনসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে উপাচার্য ড. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত স্বাস্থ্য সচেতন। সবাই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করছে দেখে আমি খুবই আনন্দিত। আশা করছি, শিক্ষার্থীদের মতো সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন। এটিই আমাদের প্রত্যাশা। এ সময় শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছি, তারা সেভাবে লাইব্রেরিতে এসেছে। শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণ একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের পরিবারকেও আমরা ধন্যবাদ জানাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন