মার্কেলের উত্তরসূরির অপেক্ষায় জার্মানি
jugantor
জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ
মার্কেলের উত্তরসূরির অপেক্ষায় জার্মানি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জার্মানিতে রোববার জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। দেশটিতে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা অ্যাঞ্জেলা মার্কেল এবার নির্বাচনে লড়েননি। ফলে তার উত্তরসূরিকেই বরণ করে নিতে যাচ্ছে বার্লিন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে সন্ধ্যা ৬টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) পর্যন্ত। ফলাফল জানা যাবে আজ। এবার প্রধান তিনটি দল-ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না-এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই তিন

দলীয় জোট সরকারই হতে যাচ্ছে জার্মানিতে। খবর ডয়েচে ভেলে, বিবিসি ও এএফপির।

জার্মানির জনসংখ্যা প্রায় আট কোটি। ভোটার ছয় কোটি। ভোটাররা দুটি করে ভোট দেন। একটি ভোট সরাসরি প্রার্থী নির্বাচনের, অপরটি পছন্দের দলকে। প্রার্থী ও দল ভিন্নও হতে পারে। দলীয় সমর্থনের অনুপাতের ভিত্তিতে সংসদে অর্ধেক আসনে প্রার্থী স্থির করা হয়। তবে কে জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর হতে যাচ্ছেন, তা আজই নির্ধারিত হবে না। পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই পরবর্তী সময়ে চ্যান্সেলর নির্বাচিত করবেন।

২০০৫ সাল থেকে টানা ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আঞ্জেলা মার্কেল। এবারের নির্বাচনে তিনি যে লড়ছেন না, তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। রোববারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন চ্যান্সেলরের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবেন দেশটির জনপ্রিয় এই রাজনীতিক। তবে নির্বাচনে কে জয়ী হবেন, তা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। নির্বাচনে অংশ নেওয়া মূল তিন দলই জয় পেতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে।

জনমত সমীক্ষা বলছে, এবারের নির্বাচনে মার্কেলের ক্ষমতাসীন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) সঙ্গে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) তুমুল লড়াই হবে। শক্ত অবস্থানে রয়েছে পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টিও। নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে এগিয়ে আছেন এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ। তিনি বর্তমান জোট সরকারে অর্থমন্ত্রী ও ডেপুটি চ্যান্সেলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে অন্য দুই প্রার্থীর থেকে লড়াইটা তার জন্য তুলনামূলক সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শলৎজ জয় পেলেও সরকার গঠনের জন্য অন্য দুই দলের সমর্থনের প্রয়োজন হতে পারে। এ নিয়ে শলৎজ বলেন, ‘ভোটারদের নিয়ে জোট গঠনই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা এসপিডিকে যতটা শক্তিশালী করবে, আমাদের জন্য সরকার গঠন ততটা সহজ হবে।’

নির্বাচনে মার্কেলের দল সিডিইউ থেকে এবার চ্যান্সেলর প্রার্থী হয়েছেন আরমিন ল্যাশেট। জার্মানির সবচেয়ে জনবহুল নর্থরাইন ভেস্টফেলিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সর্বশেষ জরিপে ল্যাশেটের দল এসপিডির তুলনায় পিছিয়ে আছে। শনিবার আরমিন ল্যাশেটের সঙ্গে এক প্রচারণা র‌্যালিতে যোগ দিয়েছিলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। সেখানে ল্যাশেটের পক্ষে তিনি বলেন, জার্মানিতে স্থিতিশীলতা দরকার। দেশের তরুণ প্রজšে§র প্রয়োজন রয়েছে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের। আর এ কাজের জন্য একমাত্র যোগ্য আরমিন। অনেকে মনে করছেন, মার্কেলের এই সমর্থন তার কপাল খুলে দিতে পারে।

এদিকে নির্বাচনে গ্রিন পার্টির হয়ে লড়েন আনালেনা বেয়ারবক। জার্মানিতে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু নিয়ে আলোচনায় রয়েছে গ্রিন পার্টি। জলবায়ু সংকটের বিষয়টি এ মুহূর্তে জার্মান নাগরিকদের কাছেও একটি আগ্রহের কারণ। নির্বাচনের আগে এক জনমত জরিপে একপর্যায়ে এগিয়েও ছিল এই গ্রিন পার্টি। সম্প্রতি এক টেলিভিশন বিতর্কে আনালেনা বেয়ারবক বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলার শেষ সুযোগ থাকবে জার্মানির আসন্ন সরকারের। আর এ কাজের অংশ হতে পারে তার দল। জলবায়ু ইস্যুকে সামনে রেখে এই দলটিও জার্মানদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ফলে জয়ী হতে পারেন আনালেনাও।

তবে নির্বাচন সামনে রেখে সব দলই জলবায়ু ও গণপরিবহণ, অভিবাসন, সামাজিক সুরক্ষা ও আবাসন, আয়কর, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষানীতি বিষয়ে নানামুখী প্রতিশ্র“তি দিয়েছে। রক্ষণশীল দল হিসাবে পরিচিত ক্ষমতাসীন সিডিইউ পুনরায় ক্ষমতায় এলে কর ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৫ লাখেরও বেশি নতুন ঘর বানানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক আয়ের ওপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে আনার প্রতিশ্র“তিও দিয়েছে তারা।

ভোটারদের মন জয় করতে বামপন্থি দল এসপিডিও নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। দলটি ক্ষমতায় এলে ইউরোপে ভ্রমণের ক্ষেত্রে রেলের ভাড়া কমানো হবে। অভিবাসনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করবে না দলটি। এছাড়া বেশি মাত্রায় আশ্রয়প্রার্থীদের পরিবারকে জার্মানিতে আসার সুযোগ দেওয়া, অবসরকালীন ভাতা মানানসই অবস্থানে রাখা, ঘণ্টায় ন্যূনতম মজুরি ১২ ইউরো করাসহ নানা প্রতিশ্র“তি দিয়েছে দলটি।

গ্রিন পার্টি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রাস্তাঘাটসহ নানা খাতের উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। দলটি ২০৩০ সাল থেকে রাস্তায় কার্বন ডাই-অক্সাউড নির্গমন করে এমন গাড়ি রাখতে চায় না। দলটি মনে করে, অভিবাসনের জন্য উপযোগী দেশ হলেও অভিবাসনকে সহজ করতে জার্মানিতে প্রয়োজনীয় আইনের ঘাটতি রয়েছে। তাই ক্ষমতায় এলে অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও দৃঢ় করতে এবং অভিবাসীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়টিকে সহজ করতে কাজ করতে চায় তারা।

জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ

মার্কেলের উত্তরসূরির অপেক্ষায় জার্মানি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জার্মানিতে রোববার জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। দেশটিতে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা অ্যাঞ্জেলা মার্কেল এবার নির্বাচনে লড়েননি। ফলে তার উত্তরসূরিকেই বরণ করে নিতে যাচ্ছে বার্লিন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে সন্ধ্যা ৬টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) পর্যন্ত। ফলাফল জানা যাবে আজ। এবার প্রধান তিনটি দল-ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না-এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই তিন

দলীয় জোট সরকারই হতে যাচ্ছে জার্মানিতে। খবর ডয়েচে ভেলে, বিবিসি ও এএফপির।

জার্মানির জনসংখ্যা প্রায় আট কোটি। ভোটার ছয় কোটি। ভোটাররা দুটি করে ভোট দেন। একটি ভোট সরাসরি প্রার্থী নির্বাচনের, অপরটি পছন্দের দলকে। প্রার্থী ও দল ভিন্নও হতে পারে। দলীয় সমর্থনের অনুপাতের ভিত্তিতে সংসদে অর্ধেক আসনে প্রার্থী স্থির করা হয়। তবে কে জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর হতে যাচ্ছেন, তা আজই নির্ধারিত হবে না। পার্লামেন্টের নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই পরবর্তী সময়ে চ্যান্সেলর নির্বাচিত করবেন।

২০০৫ সাল থেকে টানা ১৬ বছর জার্মানির চ্যান্সেলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আঞ্জেলা মার্কেল। এবারের নির্বাচনে তিনি যে লড়ছেন না, তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। রোববারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন চ্যান্সেলরের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নেবেন দেশটির জনপ্রিয় এই রাজনীতিক। তবে নির্বাচনে কে জয়ী হবেন, তা নিয়ে রয়েছে নানা জল্পনা। নির্বাচনে অংশ নেওয়া মূল তিন দলই জয় পেতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে।

জনমত সমীক্ষা বলছে, এবারের নির্বাচনে মার্কেলের ক্ষমতাসীন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) সঙ্গে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) তুমুল লড়াই হবে। শক্ত অবস্থানে রয়েছে পরিবেশবাদী গ্রিন পার্টিও। নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে এগিয়ে আছেন এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ। তিনি বর্তমান জোট সরকারে অর্থমন্ত্রী ও ডেপুটি চ্যান্সেলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে অন্য দুই প্রার্থীর থেকে লড়াইটা তার জন্য তুলনামূলক সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে শলৎজ জয় পেলেও সরকার গঠনের জন্য অন্য দুই দলের সমর্থনের প্রয়োজন হতে পারে। এ নিয়ে শলৎজ বলেন, ‘ভোটারদের নিয়ে জোট গঠনই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তারা এসপিডিকে যতটা শক্তিশালী করবে, আমাদের জন্য সরকার গঠন ততটা সহজ হবে।’

নির্বাচনে মার্কেলের দল সিডিইউ থেকে এবার চ্যান্সেলর প্রার্থী হয়েছেন আরমিন ল্যাশেট। জার্মানির সবচেয়ে জনবহুল নর্থরাইন ভেস্টফেলিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সর্বশেষ জরিপে ল্যাশেটের দল এসপিডির তুলনায় পিছিয়ে আছে। শনিবার আরমিন ল্যাশেটের সঙ্গে এক প্রচারণা র‌্যালিতে যোগ দিয়েছিলেন অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। সেখানে ল্যাশেটের পক্ষে তিনি বলেন, জার্মানিতে স্থিতিশীলতা দরকার। দেশের তরুণ প্রজšে§র প্রয়োজন রয়েছে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের। আর এ কাজের জন্য একমাত্র যোগ্য আরমিন। অনেকে মনে করছেন, মার্কেলের এই সমর্থন তার কপাল খুলে দিতে পারে।

এদিকে নির্বাচনে গ্রিন পার্টির হয়ে লড়েন আনালেনা বেয়ারবক। জার্মানিতে জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু নিয়ে আলোচনায় রয়েছে গ্রিন পার্টি। জলবায়ু সংকটের বিষয়টি এ মুহূর্তে জার্মান নাগরিকদের কাছেও একটি আগ্রহের কারণ। নির্বাচনের আগে এক জনমত জরিপে একপর্যায়ে এগিয়েও ছিল এই গ্রিন পার্টি। সম্প্রতি এক টেলিভিশন বিতর্কে আনালেনা বেয়ারবক বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলার শেষ সুযোগ থাকবে জার্মানির আসন্ন সরকারের। আর এ কাজের অংশ হতে পারে তার দল। জলবায়ু ইস্যুকে সামনে রেখে এই দলটিও জার্মানদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ফলে জয়ী হতে পারেন আনালেনাও।

তবে নির্বাচন সামনে রেখে সব দলই জলবায়ু ও গণপরিবহণ, অভিবাসন, সামাজিক সুরক্ষা ও আবাসন, আয়কর, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষানীতি বিষয়ে নানামুখী প্রতিশ্র“তি দিয়েছে। রক্ষণশীল দল হিসাবে পরিচিত ক্ষমতাসীন সিডিইউ পুনরায় ক্ষমতায় এলে কর ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১৫ লাখেরও বেশি নতুন ঘর বানানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক আয়ের ওপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে আনার প্রতিশ্র“তিও দিয়েছে তারা।

ভোটারদের মন জয় করতে বামপন্থি দল এসপিডিও নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। দলটি ক্ষমতায় এলে ইউরোপে ভ্রমণের ক্ষেত্রে রেলের ভাড়া কমানো হবে। অভিবাসনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করবে না দলটি। এছাড়া বেশি মাত্রায় আশ্রয়প্রার্থীদের পরিবারকে জার্মানিতে আসার সুযোগ দেওয়া, অবসরকালীন ভাতা মানানসই অবস্থানে রাখা, ঘণ্টায় ন্যূনতম মজুরি ১২ ইউরো করাসহ নানা প্রতিশ্র“তি দিয়েছে দলটি।

গ্রিন পার্টি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, রাস্তাঘাটসহ নানা খাতের উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। দলটি ২০৩০ সাল থেকে রাস্তায় কার্বন ডাই-অক্সাউড নির্গমন করে এমন গাড়ি রাখতে চায় না। দলটি মনে করে, অভিবাসনের জন্য উপযোগী দেশ হলেও অভিবাসনকে সহজ করতে জার্মানিতে প্রয়োজনীয় আইনের ঘাটতি রয়েছে। তাই ক্ষমতায় এলে অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও দৃঢ় করতে এবং অভিবাসীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়টিকে সহজ করতে কাজ করতে চায় তারা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন