সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর এপিএস গ্রেফতার
jugantor
সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর এপিএস গ্রেফতার

  ফরিদপুর ব্যুরো  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস ও বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা এএইচএম ফুয়াদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপি ভাটারা থানা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে ফরিদপুর ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও তদন্ত) জামাল পাশা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এএইচএম ফুয়াদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, হত্যাসহ মোট আট মামলার মধ্যে সাতটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি ১০ বছর ধরে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সরকারি অফিস, হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ, জমি দখল, টেন্ডার বাণিজ্য করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২০১৬ সালের ১২ জুলাই ছোটন হত্যা মামলার আসামি হিসাবে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ফুয়াদ সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস ছাড়াও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। ২০২০ সালের ৭ জুন ফরিদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হলে তিনি এলাকা ছেড়ে পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ অভিযান চালায়। গ্রেফতার ফুয়াদ ফরিদপুরের বিলনালিয়া গ্রামের মোজাহারুল হক চোকদারের ছেলে।

সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর এপিএস গ্রেফতার

 ফরিদপুর ব্যুরো 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুই হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিং মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস ও বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা এএইচএম ফুয়াদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে ঢাকার বসুন্ধরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপি ভাটারা থানা পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে ফরিদপুর ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বুধবার দুপুরে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও তদন্ত) জামাল পাশা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এএইচএম ফুয়াদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, হত্যাসহ মোট আট মামলার মধ্যে সাতটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি ১০ বছর ধরে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সরকারি অফিস, হাটবাজার নিয়ন্ত্রণ, জমি দখল, টেন্ডার বাণিজ্য করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২০১৬ সালের ১২ জুলাই ছোটন হত্যা মামলার আসামি হিসাবে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে বুধবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ফুয়াদ সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস ছাড়াও জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ছিলেন। ২০২০ সালের ৭ জুন ফরিদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হলে তিনি এলাকা ছেড়ে পলাতক ছিলেন। তাকে গ্রেফতারে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ অভিযান চালায়। গ্রেফতার ফুয়াদ ফরিদপুরের বিলনালিয়া গ্রামের মোজাহারুল হক চোকদারের ছেলে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন