ড্রেনে নিখোঁজের সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর দোকানি জীবিত উদ্ধার
jugantor
ড্রেনে নিখোঁজের সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর দোকানি জীবিত উদ্ধার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পল্লবীর কালশীতে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজের সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছেন এক মুদি দোকানি। তার নাম মানিক মিয়া (৪৫)।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি ড্রেনে পড়ে যান। বিকাল ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই কিলোমিটার দূর থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করে।

এর দুদিন আগে থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন যুগান্তরকে বলেন, সকাল ৯টার দিকে ওই ব্যক্তির ড্রেনে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ছয় ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর ঘটনাস্থলের দুই কিলোমিটার দূরে খালের পার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে তিনি লাফ দিয়ে পড়েন। ম্যানহোলের মধ্য দিয়ে চলে যান কিছুটা দূরে। দেখতে পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন স্থানীয়রা।

তাকে উদ্ধার করে শুরুতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখন তিনি পরিবারের জিম্মায় রয়েছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তির ছেলে মো. রিয়াজ (২৪) জানান, মিরপুর ১২ নম্বরে তাদের একটি চায়ের দোকান আছে। সে ও তার বাবা মিলে দোকান চালাতেন। তার বাবা গত দুদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বৃহস্পতিবার তাদের পরিচিত একজন কল করে জানান, সাদা লুঙ্গি ও চাপ দাঁড়িওয়ালা নিখোঁজ এক ব্যক্তিকে উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। এরপর সেখানে গিয়ে তিনি তার বাবাকে খুঁজে পান।

রিয়াজ আরও জানান, তাদের বাসা পল্লবীর সুজাতনগরে। কিছু দিন ধরেই তার বাবা নানা বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। অনেক টাকা ঋণ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সে কারণে অনেকটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। এজন্যই তিনি নিখোঁজ হন। বর্তমানে তার বাবা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখন শরীরের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

ড্রেনে নিখোঁজের সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর দোকানি জীবিত উদ্ধার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পল্লবীর কালশীতে ড্রেনে পড়ে নিখোঁজের সাড়ে ছয় ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছেন এক মুদি দোকানি। তার নাম মানিক মিয়া (৪৫)।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় তিনি ড্রেনে পড়ে যান। বিকাল ৩টায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই কিলোমিটার দূর থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করে।

এর দুদিন আগে থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, ওই ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন যুগান্তরকে বলেন, সকাল ৯টার দিকে ওই ব্যক্তির ড্রেনে পড়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ছয় ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর ঘটনাস্থলের দুই কিলোমিটার দূরে খালের পার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। তাকে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাসির উদ্দিন জানান, ঘটনাস্থলে তিনি লাফ দিয়ে পড়েন। ম্যানহোলের মধ্য দিয়ে চলে যান কিছুটা দূরে। দেখতে পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন স্থানীয়রা।

তাকে উদ্ধার করে শুরুতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখন তিনি পরিবারের জিম্মায় রয়েছেন।

নিখোঁজ ব্যক্তির ছেলে মো. রিয়াজ (২৪) জানান, মিরপুর ১২ নম্বরে তাদের একটি চায়ের দোকান আছে। সে ও তার বাবা মিলে দোকান চালাতেন। তার বাবা গত দুদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বৃহস্পতিবার তাদের পরিচিত একজন কল করে জানান, সাদা লুঙ্গি ও চাপ দাঁড়িওয়ালা নিখোঁজ এক ব্যক্তিকে উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস। এরপর সেখানে গিয়ে তিনি তার বাবাকে খুঁজে পান।

রিয়াজ আরও জানান, তাদের বাসা পল্লবীর সুজাতনগরে। কিছু দিন ধরেই তার বাবা নানা বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। অনেক টাকা ঋণ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সে কারণে অনেকটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন। এজন্যই তিনি নিখোঁজ হন। বর্তমানে তার বাবা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখন শরীরের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন