সিংগাইরে পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র খুন
jugantor
সিংগাইরে পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র খুন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ ও সিংগাইর প্রতিনিধি  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মোবাইলে পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র রাজু আহমেদকে (১২) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বৃহস্পতিবার সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মারা যায়। সে উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলিফ মুরসালিনসহ (১৫) তার মা হোসনে আরা বেগম ও দুলাভাই মাহামুদুল হাসান খানকে (৪৫) শনিবার আটক করেছে পুলিশ। এ সময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি শটগান জব্দ করা হয়। আলিফ একই এলাকার রাজু কোরাইশির ছেলে। সিংগাইর থানার ওসি (তদন্ত) শেখ মো. আবু হানিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে আলিফের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। আলিফকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় জনতা আলিফের বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আলিফ পাবজি গেম ও বিভিন্ন আইডি হ্যাক করত। সম্প্রতি বিষয়টি রাজু সবাইকে জানানোর কথা বলে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আলিফ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৌশলে তাকে সাইকেলে পাশের নবাবগঞ্জ উপজেলার রূপারচর কালীগঙ্গা নদীর তীরে কাশবনে নিয়ে যায়। সেখানে ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এরপর রাজুর গায়ের জামা খুলে গলার ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। পরে মাথা ও মুখ থেঁতলে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে রাজুকে খুঁজে না পেয়ে আলিফের বাড়িতে যায়। আলিফ ও তার পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী নুরু মিয়া বাড়ি ফেরার পথে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। সেখানে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন।

হত্যার ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

সিংগাইরে পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র খুন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ ও সিংগাইর প্রতিনিধি 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মোবাইলে পাবজি খেলাকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র রাজু আহমেদকে (১২) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বৃহস্পতিবার সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মারা যায়। সে উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলিফ মুরসালিনসহ (১৫) তার মা হোসনে আরা বেগম ও দুলাভাই মাহামুদুল হাসান খানকে (৪৫) শনিবার আটক করেছে পুলিশ। এ সময় লাইসেন্সপ্রাপ্ত একটি শটগান জব্দ করা হয়। আলিফ একই এলাকার রাজু কোরাইশির ছেলে। সিংগাইর থানার ওসি (তদন্ত) শেখ মো. আবু হানিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে আলিফের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। আলিফকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় জনতা আলিফের বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আলিফ পাবজি গেম ও বিভিন্ন আইডি হ্যাক করত। সম্প্রতি বিষয়টি রাজু সবাইকে জানানোর কথা বলে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আলিফ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৌশলে তাকে সাইকেলে পাশের নবাবগঞ্জ উপজেলার রূপারচর কালীগঙ্গা নদীর তীরে কাশবনে নিয়ে যায়। সেখানে ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এরপর রাজুর গায়ের জামা খুলে গলার ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। পরে মাথা ও মুখ থেঁতলে দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে রাজুকে খুঁজে না পেয়ে আলিফের বাড়িতে যায়। আলিফ ও তার পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। রাত ৯টার দিকে স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী নুরু মিয়া বাড়ি ফেরার পথে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। সেখানে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন।

হত্যার ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন