জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের ৩ দাবি
jugantor
জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের ৩ দাবি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাইম স্কেল ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রোববার তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ সময় তিনটি দাবি তুলে ধরেন শিক্ষকরা। দাবি আদায় না হলে বড় আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেন তারা। জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নেন। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে-অধিগ্রহণকৃত ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালা-২০১৩’ এর বিধি অনুযায়ী কার্যকর চাকরিকালের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতাসহ পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইম স্কেল প্রদান, ৪৮ হাজার ৭২০ জন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উত্তোলিত টাইম স্কেলসংক্রান্ত জটিলতার স্থায়ী সমাধান এবং এ সংক্রান্ত ২০২০ সালের ১২ আগস্টের অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পত্রটি সংশোধন। অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসএমসি কর্তৃক নিয়োগ করা প্রধান শিক্ষক হিসাবে যাদের নাম গেজেট থেকে বাদ পড়েছে সেসব শিক্ষককে স্বপদে রাখা। ২০১৩ সালে এ ধরনের ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয় সরকার জাতীয়করণ করে। ওইসব বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক শিক্ষকের চাকরি সরকারি হয়েছে।

সংগঠনের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চাকরিকাল গণনা করে আইন অনুযায়ী শিক্ষকদেরকে টাইম স্কেল দেওয়া হয়। কিন্তু গতবছর অর্থ মন্ত্রণালয় তা ফেরত প্রদানের ব্যাপারে অবৈধ পত্র জারি করে। ফলে প্রায় ৪৯ হাজার শিক্ষক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষক টাইম স্কেলসহ অন্য সুবিধাদি ভোগ করে মৃত্যুবরণ ও অবসর নিয়েছেন। এখন সব শিক্ষক বিপাকে পড়েছেন। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন জেলা-উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস শিক্ষকদেরকে অর্থ ফেরতে চাপ দিচ্ছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালের অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ বিধিমালা) ২০১৩ বিধির ভুল ও মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যেমন অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিধান অনুযায়ী কার্যকর ৫০ শতাংশ চাকরিকালের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রয়োজনীয় টাইম স্কেল প্রাপ্য হয়ে আসছিলাম। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আইনের কোনো তোয়াক্কা না করে ২০১৭ সালে জ্যেষ্ঠতার তালিকা থেকে বাদ দেয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগই বিদ্যমান সমস্যার জন্য দায়ী।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন শিক্ষক নেতা আব্দুর রহমান বাচ্চু, শেখ আবদুস সালাম মিয়া, মাহবুবুল আলম, মহিউদ্দিন খন্দকার, আলী আক্কাস মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের ৩ দাবি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাইম স্কেল ও জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রোববার তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ সময় তিনটি দাবি তুলে ধরেন শিক্ষকরা। দাবি আদায় না হলে বড় আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেন তারা। জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক মহাজোটের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অংশ নেন। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে-অধিগ্রহণকৃত ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালা-২০১৩’ এর বিধি অনুযায়ী কার্যকর চাকরিকালের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতাসহ পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইম স্কেল প্রদান, ৪৮ হাজার ৭২০ জন প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের উত্তোলিত টাইম স্কেলসংক্রান্ত জটিলতার স্থায়ী সমাধান এবং এ সংক্রান্ত ২০২০ সালের ১২ আগস্টের অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পত্রটি সংশোধন। অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসএমসি কর্তৃক নিয়োগ করা প্রধান শিক্ষক হিসাবে যাদের নাম গেজেট থেকে বাদ পড়েছে সেসব শিক্ষককে স্বপদে রাখা। ২০১৩ সালে এ ধরনের ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয় সরকার জাতীয়করণ করে। ওইসব বিদ্যালয়ের লক্ষাধিক শিক্ষকের চাকরি সরকারি হয়েছে।

সংগঠনের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, চাকরিকাল গণনা করে আইন অনুযায়ী শিক্ষকদেরকে টাইম স্কেল দেওয়া হয়। কিন্তু গতবছর অর্থ মন্ত্রণালয় তা ফেরত প্রদানের ব্যাপারে অবৈধ পত্র জারি করে। ফলে প্রায় ৪৯ হাজার শিক্ষক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষক টাইম স্কেলসহ অন্য সুবিধাদি ভোগ করে মৃত্যুবরণ ও অবসর নিয়েছেন। এখন সব শিক্ষক বিপাকে পড়েছেন। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন জেলা-উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস শিক্ষকদেরকে অর্থ ফেরতে চাপ দিচ্ছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ২০১৩ সালের অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ বিধিমালা) ২০১৩ বিধির ভুল ও মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যেমন অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের উল্লিখিত বিধান অনুযায়ী কার্যকর ৫০ শতাংশ চাকরিকালের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রয়োজনীয় টাইম স্কেল প্রাপ্য হয়ে আসছিলাম। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আইনের কোনো তোয়াক্কা না করে ২০১৭ সালে জ্যেষ্ঠতার তালিকা থেকে বাদ দেয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগই বিদ্যমান সমস্যার জন্য দায়ী।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন শিক্ষক নেতা আব্দুর রহমান বাচ্চু, শেখ আবদুস সালাম মিয়া, মাহবুবুল আলম, মহিউদ্দিন খন্দকার, আলী আক্কাস মোমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন