৫৮১ দিন পর ক্যাম্পাসে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
jugantor
রাবিতে সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা
৫৮১ দিন পর ক্যাম্পাসে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
হাবিপ্রবি ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও শুরু হলো ক্লাস

  বরিশাল ব্যুরো ও রাবি প্রতিনিধি  

২২ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৫৮১ দিন পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা। যেসব শিক্ষার্থী অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছেন শুধু তারাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছেন।

করোনা মহামারির ধাক্কায় দেড় বছর পর বৃহস্পতিবার ক্লাসে ফিরে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী-শিক্ষক সবাই। এদিকে দীর্ঘ ১৮ মাস পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও (ববি) সশরীরে পাঠদান শুরু হয়েছে। সকাল ১০টার আগেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসা শুরু করে। একপর্যায়ে ছাত্র-শিক্ষকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

সকালে ক্লাস শুরুর আগেই নিজ নিজ বিভাগে হাজির হন শিক্ষার্থীরা। ক্লাসে ঢোকার আগে প্রতিটি একাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয়। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় বৃহস্পতিবার যেন প্রাণ ফিরে পেল রাবি। সকাল ১০টায় রাবির উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ফার্মেসি বিভাগে ক্লাস পরিদর্শনে যান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, প্রফেসর ড. সুলতান উল ইসলাম, জনসংযোগ প্রশাসক প্রফেসর ড. আজিজুর রহমান প্রমুখ। এ সময় উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রমে কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। এ শূন্যতা পূরণে শিক্ষা পরিষদের সভায় আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হলে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম এবং আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি রাবি প্রশাসন ১৭ অক্টোবর আবাসিক হল খোলা ও ২১ অক্টোবর থেকে ক্লাস পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে এ বছর শীত ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলেরও সিদ্ধান্ত নেয়। ক্লাসে ফেরার আগেই শিক্ষার্থীদের জন্য ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেগুলো হচ্ছে- ন্যূনতম এক ডোজ টিকা গ্রহণ, যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকার নিবন্ধন করেনি তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টিকা নিতে হবে। টিকা গ্রহণের সনদের কপি হল ও বিভাগে জমা দিতে হবে। ক্লাসে অবস্থানকালে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, হল বা একাডেমিক ভবনে প্রবেশের পূর্বে শরীরের তাপমাত্রা মেপে প্রবেশ করতে হবে।

সরেজমিন বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, কলা অনুষদ, কৃষি অনুষদ ও বিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি একাডেমিক ভবনের সামনে প্রবেশপথে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে এবং মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর আগে ১৭ অক্টোবর আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের ফুল, চকোলেট ও মিষ্টি দিয়ে বরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জনসংযোগ দপ্তর সূত্র জানায়, রাবির ৯টি অনুষদভুক্ত ৫৮টি বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় ১৭ অক্টোবর থেকে ভ্রাম্যমাণ টিকা কার্যক্রম চালু হয়েছে। ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। গত তিন দিনে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছে।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিক তুহিন বলেন, অনেকদিন পর বন্ধুদের পেয়ে ভালো লাগছে। সশরীরে ক্লাস করার মতো মজা আর নেই। দীর্ঘদিন পর শিক্ষকদের সাক্ষাৎ পেয়েও ভালো লাগছে।

ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন পলাশ জানান, খুবই ভালো লাগছে। কর্তৃপক্ষ চাইলে আরও আগে ক্যাম্পাস খুলে দিতে পারত। যাই হোক ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছি। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ফখরুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, প্রতিটি বিভাগে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস পরীক্ষা শুরু হয়েছে। হাত ধোয়া ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। যারা মাস্ক পরেননি তাদের মাস্ক দেওয়া হয়েছে।

স্লোগানে স্লোগানে মুখর বিভিন্ন চত্বর : ক্লাস-পরীক্ষা শেষে আড্ডা-গল্পে এ আনন্দ উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে টুকিটাকি চত্বর, ইবলিশ চত্বর, ফোকলোর চত্বর, আম চত্বরসহ পুরো ক্যাম্পাসে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে। স্লোগান দিয়ে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতারা বক্তব্য দেন।

শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর ববি ক্যাম্পাস : ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে ফেরার পর বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন শ্রেণি কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং ছাত্রছাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মনে চলার পরামর্শ দেন উপাচার্য।

মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ তুমন বলেন, দীর্ঘদিন পর ক্লাসে উপস্থিত হতে পেরে আমরা উচ্ছ্বাসিত। অনেকদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় খুবই ভালো লাগছে। তবে দীর্ঘ বন্ধ থাকায় আমাদের চাকরির পরীক্ষা এবং প্রস্তুতি পিছিয়ে গেছে। সেশনজট কমিয়ে দ্রুত সেমিস্টার শেষ করার দাবি জানাচ্ছি। উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের দুই ডোজ টিকার আওতায় আনতে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে টিকা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

রাবিতে সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা

৫৮১ দিন পর ক্যাম্পাসে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

হাবিপ্রবি ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও শুরু হলো ক্লাস
 বরিশাল ব্যুরো ও রাবি প্রতিনিধি 
২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৫৮১ দিন পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হলো সশরীরে ক্লাস-পরীক্ষা। যেসব শিক্ষার্থী অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়েছেন শুধু তারাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছেন।

করোনা মহামারির ধাক্কায় দেড় বছর পর বৃহস্পতিবার ক্লাসে ফিরে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী-শিক্ষক সবাই। এদিকে দীর্ঘ ১৮ মাস পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও (ববি) সশরীরে পাঠদান শুরু হয়েছে। সকাল ১০টার আগেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসা শুরু করে। একপর্যায়ে ছাত্র-শিক্ষকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

সকালে ক্লাস শুরুর আগেই নিজ নিজ বিভাগে হাজির হন শিক্ষার্থীরা। ক্লাসে ঢোকার আগে প্রতিটি একাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হয়। শিক্ষার্থীদের পদচারণায় বৃহস্পতিবার যেন প্রাণ ফিরে পেল রাবি। সকাল ১০টায় রাবির উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স ও ফার্মেসি বিভাগে ক্লাস পরিদর্শনে যান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, প্রফেসর ড. সুলতান উল ইসলাম, জনসংযোগ প্রশাসক প্রফেসর ড. আজিজুর রহমান প্রমুখ। এ সময় উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রমে কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। এ শূন্যতা পূরণে শিক্ষা পরিষদের সভায় আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশে করোনার সংক্রমণ শুরু হলে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০ সালের ১৭ মার্চ সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম এবং আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি রাবি প্রশাসন ১৭ অক্টোবর আবাসিক হল খোলা ও ২১ অক্টোবর থেকে ক্লাস পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। একই সঙ্গে এ বছর শীত ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিলেরও সিদ্ধান্ত নেয়। ক্লাসে ফেরার আগেই শিক্ষার্থীদের জন্য ১০টি নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেগুলো হচ্ছে- ন্যূনতম এক ডোজ টিকা গ্রহণ, যেসব শিক্ষার্থী এখনও টিকার নিবন্ধন করেনি তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টিকা নিতে হবে। টিকা গ্রহণের সনদের কপি হল ও বিভাগে জমা দিতে হবে। ক্লাসে অবস্থানকালে মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, হল বা একাডেমিক ভবনে প্রবেশের পূর্বে শরীরের তাপমাত্রা মেপে প্রবেশ করতে হবে।

সরেজমিন বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, কলা অনুষদ, কৃষি অনুষদ ও বিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি একাডেমিক ভবনের সামনে প্রবেশপথে শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে এবং মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর আগে ১৭ অক্টোবর আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের ফুল, চকোলেট ও মিষ্টি দিয়ে বরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জনসংযোগ দপ্তর সূত্র জানায়, রাবির ৯টি অনুষদভুক্ত ৫৮টি বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় ১৭ অক্টোবর থেকে ভ্রাম্যমাণ টিকা কার্যক্রম চালু হয়েছে। ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। গত তিন দিনে দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছে।

প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিক তুহিন বলেন, অনেকদিন পর বন্ধুদের পেয়ে ভালো লাগছে। সশরীরে ক্লাস করার মতো মজা আর নেই। দীর্ঘদিন পর শিক্ষকদের সাক্ষাৎ পেয়েও ভালো লাগছে।

ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন পলাশ জানান, খুবই ভালো লাগছে। কর্তৃপক্ষ চাইলে আরও আগে ক্যাম্পাস খুলে দিতে পারত। যাই হোক ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছি। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ফখরুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, প্রতিটি বিভাগে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস পরীক্ষা শুরু হয়েছে। হাত ধোয়া ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। যারা মাস্ক পরেননি তাদের মাস্ক দেওয়া হয়েছে।

স্লোগানে স্লোগানে মুখর বিভিন্ন চত্বর : ক্লাস-পরীক্ষা শেষে আড্ডা-গল্পে এ আনন্দ উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে টুকিটাকি চত্বর, ইবলিশ চত্বর, ফোকলোর চত্বর, আম চত্বরসহ পুরো ক্যাম্পাসে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মুহুর্মুহু স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে। স্লোগান দিয়ে তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতারা বক্তব্য দেন।

শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর ববি ক্যাম্পাস : ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে ফেরার পর বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ছাদেকুল আরেফিন শ্রেণি কক্ষ পরিদর্শন করেন এবং ছাত্রছাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মনে চলার পরামর্শ দেন উপাচার্য।

মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ তুমন বলেন, দীর্ঘদিন পর ক্লাসে উপস্থিত হতে পেরে আমরা উচ্ছ্বাসিত। অনেকদিন পর বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় খুবই ভালো লাগছে। তবে দীর্ঘ বন্ধ থাকায় আমাদের চাকরির পরীক্ষা এবং প্রস্তুতি পিছিয়ে গেছে। সেশনজট কমিয়ে দ্রুত সেমিস্টার শেষ করার দাবি জানাচ্ছি। উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং শিক্ষার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের দুই ডোজ টিকার আওতায় আনতে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে টিকা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন