করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন
jugantor
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিন যত যাচ্ছে দেশে করোনার প্রকোপ ততই কমছে। এই নিম্নমুখী ধারায় সংক্রমণ ও মৃত্যু নেমে এসেছে গত বছরের এপ্রিল-মে মাসের পর্যায়ে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে ২৩২ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। ১৭ মাসের মধ্যে এটাই সবচেয়ে কম মৃত্যু। গত বছর ৬ মে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণের দৈনন্দিন তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, একদিনে শনাক্ত রোগীর এই সংখ্যা দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সর্বশেষ গত বছরের ১৪ এপ্রিলের চেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২৪ ঘণ্টায়। সেদিন ২০৯ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আগের দিন বৃহস্পতিবার করোনায় ২৪৩ জনের সংক্রমণ ধরা পড়ে। মৃত্যু হয় ১০ জনের। সে হিসাবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু দুটোই কমেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সরকারি ও বেসরকারি ৮৩২টি ল্যাবরেটরিতে ১৭ হাজার ১০৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ১৭ হাজার ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময় ২৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়। নতুন রোগীদের নিয়ে এ পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮০৫ জনের। এই সময়ে আরও ৫৬৪ জন সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৬ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন। এদিকে গত একদিনে যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ১২১ জনই ঢাকা বিভাগের। আর মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। বাকি পাঁচ বিভাগে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমকি ৩৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত মৃত্যুর হার ১ দশমকি ৭৭ শতাংশ ও সুস্থতার হার ৯৭ দশমকি ৬৭ শতাংশ।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে। যা মহামারির মধ্যে একদিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, ১৭ মাসে সর্বনিম্ন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিন যত যাচ্ছে দেশে করোনার প্রকোপ ততই কমছে। এই নিম্নমুখী ধারায় সংক্রমণ ও মৃত্যু নেমে এসেছে গত বছরের এপ্রিল-মে মাসের পর্যায়ে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে ২৩২ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ সময় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। ১৭ মাসের মধ্যে এটাই সবচেয়ে কম মৃত্যু। গত বছর ৬ মে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। দেশে করোনা সংক্রমণের দৈনন্দিন তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, একদিনে শনাক্ত রোগীর এই সংখ্যা দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। সর্বশেষ গত বছরের ১৪ এপ্রিলের চেয়ে কম রোগী শনাক্ত হয়েছিল ২৪ ঘণ্টায়। সেদিন ২০৯ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আগের দিন বৃহস্পতিবার করোনায় ২৪৩ জনের সংক্রমণ ধরা পড়ে। মৃত্যু হয় ১০ জনের। সে হিসাবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ও মৃত্যু দুটোই কমেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ২৪ ঘণ্টায় সরকারি ও বেসরকারি ৮৩২টি ল্যাবরেটরিতে ১৭ হাজার ১০৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে ১৭ হাজার ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ সময় ২৩২ জন রোগী শনাক্ত হয়। নতুন রোগীদের নিয়ে এ পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৫ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৮০৫ জনের। এই সময়ে আরও ৫৬৪ জন সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৬ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন। এদিকে গত একদিনে যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ১২১ জনই ঢাকা বিভাগের। আর মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। বাকি পাঁচ বিভাগে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমকি ৩৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত মৃত্যুর হার ১ দশমকি ৭৭ শতাংশ ও সুস্থতার হার ৯৭ দশমকি ৬৭ শতাংশ।

দেশে গত বছরের ৮ মার্চ করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ আগস্ট ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে। যা মহামারির মধ্যে একদিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন