ব্যাখ্যা দিতে আরও এক সপ্তাহ পেলেন দুই বিচারক
jugantor
পরীমনির রিমান্ড
ব্যাখ্যা দিতে আরও এক সপ্তাহ পেলেন দুই বিচারক

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চিত্রনায়িকা পরীমনির

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির দফায় দফায় রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে আরও এক সপ্তাহ পেয়েছেন দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এর আগে এ ব্যাপারে তাদের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। রোববার তাদের লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তা জমা দিয়ে তারা আরও এক সপ্তাহ সময় চান। দুই বিচারকের আইনজীবী এক সপ্তাহ (নট দিজ উইক) সময়ের আরজি জানান। এ আরজির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সময় মঞ্জুর করেন। ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বলেছিলেন, দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে আবার ব্যাখ্যা দিতে হবে। এ জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি ২৪ অক্টোবর পরবর্তী আদেশের জন্য আসবে। তদন্ত কর্মকর্তাকে (কাজী গোলাম মোস্তাফা) ধার্য তারিখের মধ্যে (২৪ অক্টোবর) ব্যাখ্যা দিতে বলেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের একই বেঞ্চের রোববারের কার্যতালিকায় পরীমনির আবেদনটি আদেশের জন্য ১২ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। মামলায় জজ আদালতে জামিন আবেদন দেরিতে শুনানির জন্য রাখা নিয়ে পরীমনি হাইকোর্টে এ আবেদন করেছিলেন। এদিন আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে দুই বিচারকের পক্ষে আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল এক সপ্তাহ সময়ের আরজি জানান। আদালত তা মঞ্জুর করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

পরে দুই বিচারকের আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল বলেন, দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের জন্য এক সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়। আদালত এক সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা আদালতে দাখিল করা হবে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস দ্বিতীয় দফায় পরীমনির দুদিন এবং ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম তৃতীয় দফায় এক দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাজী গোলাম মোস্তাফা ইতোমধ্যে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র?্যাব। পরে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ মামলায় পরীমনিকে প্রথমে চার দিন, দ্বিতীয় দফায় দুদিন ও তৃতীয় দফায় এক দিনসহ মোট সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলায় জামিন আবেদনের শুনানির দিন দেরিতে নির্ধারণ করা নিয়ে জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমনি। এ বিষয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। পরে জজ আদালত পরীমনির জামিন আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ এগিয়ে আনেন। ৩১ আগস্ট তাকে জামিন দেওয়া হয়। পরদিন পরীমনি কারামুক্তি পান।

অন্যদিকে, হাইকোর্টে পরীমনির আবেদনের শুনানিতে তাকে দফায় দফায় রিমান্ড নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ড মঞ্জুরের ব্যাপারে দুই বিচারকের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চান। দুই বিচারক ব্যাখ্যা দেন, যা ১৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়। তবে প্রথম দফায় তাদের দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হননি হাইকোর্ট। ফের ব্যাখ্যা তলব করেন হাইকোর্ট।

পরীমনির রিমান্ড

ব্যাখ্যা দিতে আরও এক সপ্তাহ পেলেন দুই বিচারক

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
চিত্রনায়িকা পরীমনির
চিত্রনায়িকা পরীমনি

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির দফায় দফায় রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে আরও এক সপ্তাহ পেয়েছেন দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এর আগে এ ব্যাপারে তাদের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন হাইকোর্ট। রোববার তাদের লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তা জমা দিয়ে তারা আরও এক সপ্তাহ সময় চান। দুই বিচারকের আইনজীবী এক সপ্তাহ (নট দিজ উইক) সময়ের আরজি জানান। এ আরজির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি এএসএম আব্দুল মোবিনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সময় মঞ্জুর করেন। ২৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বলেছিলেন, দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে আবার ব্যাখ্যা দিতে হবে। এ জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি ২৪ অক্টোবর পরবর্তী আদেশের জন্য আসবে। তদন্ত কর্মকর্তাকে (কাজী গোলাম মোস্তাফা) ধার্য তারিখের মধ্যে (২৪ অক্টোবর) ব্যাখ্যা দিতে বলেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের একই বেঞ্চের রোববারের কার্যতালিকায় পরীমনির আবেদনটি আদেশের জন্য ১২ নম্বর ক্রমিকে ওঠে। মামলায় জজ আদালতে জামিন আবেদন দেরিতে শুনানির জন্য রাখা নিয়ে পরীমনি হাইকোর্টে এ আবেদন করেছিলেন। এদিন আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে দুই বিচারকের পক্ষে আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল এক সপ্তাহ সময়ের আরজি জানান। আদালত তা মঞ্জুর করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

পরে দুই বিচারকের আইনজীবী আবদুল আলীম মিয়া জুয়েল বলেন, দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের জন্য এক সপ্তাহ সময় চাওয়া হয়। আদালত এক সপ্তাহ সময় মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা আদালতে দাখিল করা হবে। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস দ্বিতীয় দফায় পরীমনির দুদিন এবং ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম তৃতীয় দফায় এক দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাজী গোলাম মোস্তাফা ইতোমধ্যে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিয়েছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র?্যাব। পরে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ মামলায় পরীমনিকে প্রথমে চার দিন, দ্বিতীয় দফায় দুদিন ও তৃতীয় দফায় এক দিনসহ মোট সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলায় জামিন আবেদনের শুনানির দিন দেরিতে নির্ধারণ করা নিয়ে জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমনি। এ বিষয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। পরে জজ আদালত পরীমনির জামিন আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ এগিয়ে আনেন। ৩১ আগস্ট তাকে জামিন দেওয়া হয়। পরদিন পরীমনি কারামুক্তি পান।

অন্যদিকে, হাইকোর্টে পরীমনির আবেদনের শুনানিতে তাকে দফায় দফায় রিমান্ড নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা রিমান্ড মঞ্জুরের ব্যাপারে দুই বিচারকের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চান। দুই বিচারক ব্যাখ্যা দেন, যা ১৫ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়। তবে প্রথম দফায় তাদের দেওয়া ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হননি হাইকোর্ট। ফের ব্যাখ্যা তলব করেন হাইকোর্ট।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন