চট্টগ্রামে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না
jugantor
গণপরিবহণ সেক্টর
চট্টগ্রামে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না
প্রতিনিয়ত লেগে আছে বাগবিতণ্ডা * প্রতিবাদ করলে বাস থেকে ফেলে দেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের

  আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না

চট্টগ্রামে গণপরিবহণে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না। প্রতিটি রুটে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিনিয়ত নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। বাসের শ্রমিকরা যাত্রী হয়রানি ও চাকার নিচে ফেলতেও দ্বিধা করছেন না। ভাড়া নিয়ে বিতর্কের জেরে বাস শ্রমিকদের রোষানলে পড়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন অনেকে। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির নেতারা বলছেন, এসব নৈরাজ্য কঠোর হাতে দমন করতে হবে। কোনো অবস্থাতে সরকারের নির্দেশনা যাতে কেউ অমান্য করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের মনিটরিং করা উচিত। আর যাত্রীদেরও এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

গত শনিবার দুপুরে নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষককে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয় হেলপার। এরপর তার পায়ের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত ওই শিক্ষক বর্তমানে নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরও গণপরিবহণে নৈরাজ্য ঠেকানো যাচ্ছে না। বাড়তি ভাড়া আদায় থেমে নেই। গ্যাসচালিত গণপরিবহণে সবুজ ও ডিজেলচালিত পরিবহণে লাল চিহ্নিত স্টিকার সাঁটিয়ে দেওয়ার নিয়ম করা হলেও চট্টগ্রামে হাতেগোনা কয়েকটি বাসে স্টিকার লাগানো হয়েছে। ফলে গ্যাস ও ডিজেলের গাড়ি আলাদাভাবে চেনার উপায় নেই। মালিক-শ্রমিকরা গ্যাসচালিত গাড়িতে নিচ্ছেন ডিজেলচালিত গাড়ির ভাড়া। সিএমপির ফেসবুক পেজে নগরবাসী এ নিয়ে প্রতিনিয়ত অভিযোগ করে যাচ্ছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগের সমাধান ও জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সিএমপির পক্ষ থেকে সিএনজি রিফিলিং পাম্পগুলোতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেসব গাড়িতে স্টিকার থাকবে না তাদের জ্বালানি না দিতে। কিন্তু এরপরও থামছে না ভাড়া নৈরাজ্য।

একশ্রেণির অসাধু চক্র ডিজেলচালিত গাড়ির পাশাপাশি সিএনজিচালিত গাড়িতেও ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে ও যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারিভাবে ডিজেল ও সিএনজিচালিত গাড়ির ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এমনকি গাড়ি চিহ্নিতকরণে লাল সবুজ স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হয়। তার পরও প্রতিকার মিলছে না। বেশির ভাগ বাসেরই স্টিকার তুলে ফেলা হয়েছে। বহদ্দারহাট থেকে চকবাজারে সিএনজিচালিত বাসের সরকার নির্ধারত ভাড়া ৭ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১০ টাকা থেকে আরও বেশি। সিএনজিচালিত মিনিবাসে ভাড়া আরও কম ৫ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১০ টাকা। একই ভাড়া সিরাজউদদৌলা রোড ও আন্দরকিল্লায়ও। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১৩ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে আন্দরকিল্লা থেকে সিএন্ডবি রাস্তার মাথা পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত বাস ভাড়া ডিজেলচালিত হলে ১৯ টাকা আর সিএনজিচালিত হলে ১৫ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা করা হয়েছে। কিলোমিটারপ্রতি ৪৫ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরে মিনিবাসের বর্তমান ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৬০ পয়সা। এটি বাড়িয়ে ২ টাকা ৫ পয়সা করা হয়। এতে ভাড়া বাড়ে কিলোমিটারপ্রতি ৪৫ পয়সা।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির নেতারা বলছেন, মালিক-শ্রমিক-সরকার মিলেমিশে একচেটিয়াভাবে গণপরিবহণের ভাড়া বাড়িয়েছে। বাসে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করে মালিকদের মর্জিমতো সরকার নির্ধারিত ভাড়ার ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। সরকারি তালিকা অনুযায়ী, ভাড়া দিতে চাইলে যাত্রীদের অপমান, অপদস্থ করা, জোরজবরদস্তি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে কোনো কোনো বাসে যাত্রীদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে।

বাস ভাড়া নিয়ে নৃশংসতা : শনিবার নগরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোতোয়ালি থানার পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় রহমত উল্লাহ নামে এক স্কুল শিক্ষককে প্রথমে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় হেলপার। এরপর তার পায়ের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে দেওয়া হয়। ওই শিক্ষক গুরুতর আহত হয়ে এখন নগরীর একটি বেরসকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার একটি পা থেঁতলে গেছে। তিনি পাঁচলাইশ এলাকার হাবিবউল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

এছাড়া ১৩ নভেম্বর ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে একই থানার লালখান বাজার এলাকায় আবদুল হামিদ নামে এক যাত্রীকে ফেলে দেয় বাসের চালক-হেলপার। ওই ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাড়িচালক আশরাফ ও হেলপার হানিফকে গ্রেফতার করে। এরও আগে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রামের জিইসিতে বাস ভাড়ার ১ টাকা কমবেশি নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে জসিম উদ্দিন নামের এক যাত্রীকে হত্যা করে একই রুটের বাস হেলপার।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এসব নৈরাজ্য কঠোর হাতে দমন করতে হবে। পরিবহণ মালিকরা যাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে ব্যাপারে যাত্রীদের সচেতন হতে হবে।

গণপরিবহণ সেক্টর

চট্টগ্রামে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না

প্রতিনিয়ত লেগে আছে বাগবিতণ্ডা * প্রতিবাদ করলে বাস থেকে ফেলে দেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের
 আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
চট্টগ্রামে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে গণপরিবহণে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য থামছে না। প্রতিটি রুটে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে প্রতিনিয়ত নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। বাসের শ্রমিকরা যাত্রী হয়রানি ও চাকার নিচে ফেলতেও দ্বিধা করছেন না। ভাড়া নিয়ে বিতর্কের জেরে বাস শ্রমিকদের রোষানলে পড়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন অনেকে। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির নেতারা বলছেন, এসব নৈরাজ্য কঠোর হাতে দমন করতে হবে। কোনো অবস্থাতে সরকারের নির্দেশনা যাতে কেউ অমান্য করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্টদের মনিটরিং করা উচিত। আর যাত্রীদেরও এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।

গত শনিবার দুপুরে নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষককে চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেয় হেলপার। এরপর তার পায়ের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত ওই শিক্ষক বর্তমানে নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) নানা উদ্যোগ নেওয়ার পরও গণপরিবহণে নৈরাজ্য ঠেকানো যাচ্ছে না। বাড়তি ভাড়া আদায় থেমে নেই। গ্যাসচালিত গণপরিবহণে সবুজ ও ডিজেলচালিত পরিবহণে লাল চিহ্নিত স্টিকার সাঁটিয়ে দেওয়ার নিয়ম করা হলেও চট্টগ্রামে হাতেগোনা কয়েকটি বাসে স্টিকার লাগানো হয়েছে। ফলে গ্যাস ও ডিজেলের গাড়ি আলাদাভাবে চেনার উপায় নেই। মালিক-শ্রমিকরা গ্যাসচালিত গাড়িতে নিচ্ছেন ডিজেলচালিত গাড়ির ভাড়া। সিএমপির ফেসবুক পেজে নগরবাসী এ নিয়ে প্রতিনিয়ত অভিযোগ করে যাচ্ছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগের সমাধান ও জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সিএমপির পক্ষ থেকে সিএনজি রিফিলিং পাম্পগুলোতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেসব গাড়িতে স্টিকার থাকবে না তাদের জ্বালানি না দিতে। কিন্তু এরপরও থামছে না ভাড়া নৈরাজ্য।

একশ্রেণির অসাধু চক্র ডিজেলচালিত গাড়ির পাশাপাশি সিএনজিচালিত গাড়িতেও ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে ও যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে সরকারিভাবে ডিজেল ও সিএনজিচালিত গাড়ির ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এমনকি গাড়ি চিহ্নিতকরণে লাল সবুজ স্টিকার লাগিয়ে দেওয়া হয়। তার পরও প্রতিকার মিলছে না। বেশির ভাগ বাসেরই স্টিকার তুলে ফেলা হয়েছে। বহদ্দারহাট থেকে চকবাজারে সিএনজিচালিত বাসের সরকার নির্ধারত ভাড়া ৭ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১০ টাকা থেকে আরও বেশি। সিএনজিচালিত মিনিবাসে ভাড়া আরও কম ৫ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১০ টাকা। একই ভাড়া সিরাজউদদৌলা রোড ও আন্দরকিল্লায়ও। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১৩ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে আন্দরকিল্লা থেকে সিএন্ডবি রাস্তার মাথা পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত বাস ভাড়া ডিজেলচালিত হলে ১৯ টাকা আর সিএনজিচালিত হলে ১৫ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ২২ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত।

উল্লেখ্য, চলতি মাসে চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের বর্তমান ভাড়া কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা করা হয়েছে। কিলোমিটারপ্রতি ৪৫ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরে মিনিবাসের বর্তমান ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৬০ পয়সা। এটি বাড়িয়ে ২ টাকা ৫ পয়সা করা হয়। এতে ভাড়া বাড়ে কিলোমিটারপ্রতি ৪৫ পয়সা।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির নেতারা বলছেন, মালিক-শ্রমিক-সরকার মিলেমিশে একচেটিয়াভাবে গণপরিবহণের ভাড়া বাড়িয়েছে। বাসে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করে মালিকদের মর্জিমতো সরকার নির্ধারিত ভাড়ার ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। সরকারি তালিকা অনুযায়ী, ভাড়া দিতে চাইলে যাত্রীদের অপমান, অপদস্থ করা, জোরজবরদস্তি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে কোনো কোনো বাসে যাত্রীদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে।

বাস ভাড়া নিয়ে নৃশংসতা : শনিবার নগরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোতোয়ালি থানার পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় রহমত উল্লাহ নামে এক স্কুল শিক্ষককে প্রথমে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় হেলপার। এরপর তার পায়ের ওপর দিয়ে বাস চালিয়ে দেওয়া হয়। ওই শিক্ষক গুরুতর আহত হয়ে এখন নগরীর একটি বেরসকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার একটি পা থেঁতলে গেছে। তিনি পাঁচলাইশ এলাকার হাবিবউল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

এছাড়া ১৩ নভেম্বর ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে একই থানার লালখান বাজার এলাকায় আবদুল হামিদ নামে এক যাত্রীকে ফেলে দেয় বাসের চালক-হেলপার। ওই ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে গাড়িচালক আশরাফ ও হেলপার হানিফকে গ্রেফতার করে। এরও আগে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রামের জিইসিতে বাস ভাড়ার ১ টাকা কমবেশি নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে জসিম উদ্দিন নামের এক যাত্রীকে হত্যা করে একই রুটের বাস হেলপার।

যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এসব নৈরাজ্য কঠোর হাতে দমন করতে হবে। পরিবহণ মালিকরা যাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে ব্যাপারে যাত্রীদের সচেতন হতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন