বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে ব্যবস্থা নেব: অর্থমন্ত্রী
jugantor
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে ব্যবস্থা নেব: অর্থমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে স্থিতিশীল হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল। ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলার কমলেও ফের বেড়ে যাচ্ছে ২ মার্কিন ডলার।

বুধবার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর আগে তিনি সরকারের ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির দুটি বৈঠক করেন। ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ৭৭৩১ কোটি টাকার ১২টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। ভার্চুয়ালভাবে তিনি উভয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এরপর তিনি সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

অর্থ পাচারসংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদে কথা বলার আগে থেকেই বলছি, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আমাকে সুস্পষ্টভাবে তথ্য দিন। সেভাবে না পেলেও পত্রপত্রিকায় কিছু নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনগত প্রক্রিয়ায় যাকে যে শাস্তি দেওয়ার সে তা পাচ্ছে।

গত দু-তিন বছরে কে কত শাস্তি পেয়েছে এগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। একদিন আমি আপনাদের মন্ত্রণালয়ে নিমন্ত্রণ করব এবং আপনাদের কাছে এগুলো তুলে ধরব। আমরা কী ব্যবস্থা নিয়েছি এবং ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অগ্রগতি কতটুকু হয়েছে সে বিষয়ে বলব। আমি না, ব্যবস্থা নেবে আমাদের আইন বিভাগ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার তো নিজস্ব কোনো মেকানিজম নেই। মেকানিজম হলো সরকারের টাকা মেকানিজম। দেশের সব মানুষের টাকার মেকানিজম। আমার আছে আইন। আমাদের আইনে যে ব্যবস্থা আছে তা আমরা নিচ্ছি। কেউ যদি দুর্নীতি করে, কেউ যদি পাচার করে, মামলা করা হয় এবং তাদের জেলে নেওয়া হয়, সাজা দেওয়া হয়। কোর্ট যা মনে করবে সেভাবে বিচার ব্যবস্থা চলছে।

ওমিক্রন বিশ্ব অর্থনীতিকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে, এটা মোকাবিলায় আপনি কী চিন্তা করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এখনো সংক্রমিত হইনি। আগে যেভাবে করোনা দেখা দিয়েছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করেছি। অর্থনীতির জন্য যা যা করণীয় সাধ্যানুযায়ী দেশের সব মানুষকে অনেক সাপোর্ট দিয়ে গেছি। আমার মনে হয় এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে ঘটবে না। সংক্রমণটা অতটা কঠোর নয়। আমরা এখনো জানি না কতটা কঠোর হেবে। আমরা বিশ্বাস করব আল্লাহর রহমতে আমাদের কোনো ক্ষতি হবে না। এ ধরনের কোনো বিপর্যয়ে দেশের জনগণকে সাহায্য করার জন্য সরকার সব সময় প্রস্তুত।

জানা গেছে, ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ১৩টি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১২টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে আর্থিক ব্যয় হবে ৭ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি খাত থেকে ব্যয় করা হবে ৩ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং বাকি ৩ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে দেশি ও বিদেশি ব্যাংকের ঋণের মাধ্যমে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে ব্যবস্থা নেব: অর্থমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে স্থিতিশীল হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান জ্বালানি তেলের বাজার অস্থিতিশীল। ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলার কমলেও ফের বেড়ে যাচ্ছে ২ মার্কিন ডলার।

বুধবার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এর আগে তিনি সরকারের ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির দুটি বৈঠক করেন। ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ৭৭৩১ কোটি টাকার ১২টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। ভার্চুয়ালভাবে তিনি উভয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এরপর তিনি সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

অর্থ পাচারসংক্রান্ত অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদে কথা বলার আগে থেকেই বলছি, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে আমাকে সুস্পষ্টভাবে তথ্য দিন। সেভাবে না পেলেও পত্রপত্রিকায় কিছু নাম পেয়েছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনগত প্রক্রিয়ায় যাকে যে শাস্তি দেওয়ার সে তা পাচ্ছে।

গত দু-তিন বছরে কে কত শাস্তি পেয়েছে এগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। একদিন আমি আপনাদের মন্ত্রণালয়ে নিমন্ত্রণ করব এবং আপনাদের কাছে এগুলো তুলে ধরব। আমরা কী ব্যবস্থা নিয়েছি এবং ব্যবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অগ্রগতি কতটুকু হয়েছে সে বিষয়ে বলব। আমি না, ব্যবস্থা নেবে আমাদের আইন বিভাগ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার তো নিজস্ব কোনো মেকানিজম নেই। মেকানিজম হলো সরকারের টাকা মেকানিজম। দেশের সব মানুষের টাকার মেকানিজম। আমার আছে আইন। আমাদের আইনে যে ব্যবস্থা আছে তা আমরা নিচ্ছি। কেউ যদি দুর্নীতি করে, কেউ যদি পাচার করে, মামলা করা হয় এবং তাদের জেলে নেওয়া হয়, সাজা দেওয়া হয়। কোর্ট যা মনে করবে সেভাবে বিচার ব্যবস্থা চলছে।

ওমিক্রন বিশ্ব অর্থনীতিকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে, এটা মোকাবিলায় আপনি কী চিন্তা করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা এখনো সংক্রমিত হইনি। আগে যেভাবে করোনা দেখা দিয়েছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করেছি। অর্থনীতির জন্য যা যা করণীয় সাধ্যানুযায়ী দেশের সব মানুষকে অনেক সাপোর্ট দিয়ে গেছি। আমার মনে হয় এ ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে ঘটবে না। সংক্রমণটা অতটা কঠোর নয়। আমরা এখনো জানি না কতটা কঠোর হেবে। আমরা বিশ্বাস করব আল্লাহর রহমতে আমাদের কোনো ক্ষতি হবে না। এ ধরনের কোনো বিপর্যয়ে দেশের জনগণকে সাহায্য করার জন্য সরকার সব সময় প্রস্তুত।

জানা গেছে, ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে ১৩টি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১২টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে আর্থিক ব্যয় হবে ৭ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি খাত থেকে ব্যয় করা হবে ৩ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং বাকি ৩ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে দেশি ও বিদেশি ব্যাংকের ঋণের মাধ্যমে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন