দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাহত ১০
jugantor
যশোরে যুবলীগের বর্ধিত সভা
দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাহত ১০

  যশোর ব্যুরো  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের বিরোধ-সংঘর্ষে অন্তত ১০ কর্মী ছুরিকাহত হয়েছেন। শহরের ঝালাইপট্টি, পোস্টঅফিসপাড়া ও টাউন হল ময়দানে বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে তারা শহরে আসেন। এ ঘটনার পর থেকে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহতরা হলেন, যশোর সদর উপজেলার বিরামপুরের রবিউল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম, চুড়ামণকাটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আকিবুল ইসলাম, শহরের মুড়লির সুফিয়ানের ছেলে রাব্বি, রূপদিয়ার হাবিবুর রহমানের ছেলে শামীম হোসেন, ঝুমঝুমপুরের মুরাদ হোসেনের ছেলে রাসেল, চাঁচড়ার জাকির হোসেনের ছেলে জয় আহম্মেদ, ধর্মতলার বাদল গোপালের ছেলে গোষ্ঠ গোপাল, স্বপন সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার, আরএন রোডের শফি ড্রাইভারের ছেলে হ্যাপি, হামিদপুরের রেজাউল ইসলামের ছেলে টিটো। আহতদের মধ্যে রাসেল হোসেন, হ্যাপি, খায়রুল, টিটু ও আকিবুলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন পর বুধবার যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে যশোর শহরের সিটিটিএস মিলনায়তনে যশোর জেলা ও ৮ উপজেলার সব নেতা এতে অংশ নেন।

বর্ধিতসভায় অংশ নিতে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চত্বরে জড়ো হন যুবলীগের পদপ্রত্যাশী দুই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মী-সমর্থক। এরপর দুই গ্রুপের স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় শহরের গাড়িখানা রোড়ে। একপর্যায়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের সংঘর্ষ বাধে।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত রাসেল বলেন, সকালে যুবলীগের বর্ধিত সভায় মিছিল নিয়ে শহরের চিত্রার মোড়ে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে আসছিলাম। মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঝালাইপট্টি পৌঁছলে হ্যাপি তার লোকজন নিয়ে আমাকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে আসি। আহত হ্যাপি বলেন, রাসেলকে কে ছুরি মেরেছে আমার জানা নাই।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম আব্দুর রশিদ বলেন, হ্যাপি, খায়রুল ও আকিবুলের শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রক্ত বন্ধ করা যাচ্ছে না। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তাইজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যুবলীগের দুটি গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

যশোর পুলিশের মুখপাত্র রুপণ কুমার সরকার বলেন, ছিনতাইকারী হ্যাপি তার ব্যক্তিগত পূর্ব আক্রোশে শামীমকে ছুরিকাঘাত করে। এরই জের ধরে শামীমের লোকজন টিটু, হ্যাপি, খাইরুলদের ছুরিকাঘাত করে জখম করা হয়।

যশোরে যুবলীগের বর্ধিত সভা

দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাহত ১০

 যশোর ব্যুরো 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের বিরোধ-সংঘর্ষে অন্তত ১০ কর্মী ছুরিকাহত হয়েছেন। শহরের ঝালাইপট্টি, পোস্টঅফিসপাড়া ও টাউন হল ময়দানে বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে তারা শহরে আসেন। এ ঘটনার পর থেকে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহতরা হলেন, যশোর সদর উপজেলার বিরামপুরের রবিউল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলাম, চুড়ামণকাটি গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আকিবুল ইসলাম, শহরের মুড়লির সুফিয়ানের ছেলে রাব্বি, রূপদিয়ার হাবিবুর রহমানের ছেলে শামীম হোসেন, ঝুমঝুমপুরের মুরাদ হোসেনের ছেলে রাসেল, চাঁচড়ার জাকির হোসেনের ছেলে জয় আহম্মেদ, ধর্মতলার বাদল গোপালের ছেলে গোষ্ঠ গোপাল, স্বপন সরদারের ছেলে সোহাগ সরদার, আরএন রোডের শফি ড্রাইভারের ছেলে হ্যাপি, হামিদপুরের রেজাউল ইসলামের ছেলে টিটো। আহতদের মধ্যে রাসেল হোসেন, হ্যাপি, খায়রুল, টিটু ও আকিবুলকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন পর বুধবার যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে যশোর শহরের সিটিটিএস মিলনায়তনে যশোর জেলা ও ৮ উপজেলার সব নেতা এতে অংশ নেন।

বর্ধিতসভায় অংশ নিতে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চত্বরে জড়ো হন যুবলীগের পদপ্রত্যাশী দুই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল ও আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মী-সমর্থক। এরপর দুই গ্রুপের স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় শহরের গাড়িখানা রোড়ে। একপর্যায়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের সংঘর্ষ বাধে।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত রাসেল বলেন, সকালে যুবলীগের বর্ধিত সভায় মিছিল নিয়ে শহরের চিত্রার মোড়ে আওয়ামী লীগের অফিসের সামনে আসছিলাম। মিছিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঝালাইপট্টি পৌঁছলে হ্যাপি তার লোকজন নিয়ে আমাকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে আসি। আহত হ্যাপি বলেন, রাসেলকে কে ছুরি মেরেছে আমার জানা নাই।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এম আব্দুর রশিদ বলেন, হ্যাপি, খায়রুল ও আকিবুলের শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। রক্ত বন্ধ করা যাচ্ছে না। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তাইজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যুবলীগের দুটি গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে।

যশোর পুলিশের মুখপাত্র রুপণ কুমার সরকার বলেন, ছিনতাইকারী হ্যাপি তার ব্যক্তিগত পূর্ব আক্রোশে শামীমকে ছুরিকাঘাত করে। এরই জের ধরে শামীমের লোকজন টিটু, হ্যাপি, খাইরুলদের ছুরিকাঘাত করে জখম করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন