যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা মেহেদী অস্ত্র গুলিসহ গ্রেফতার
jugantor
যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা মেহেদী অস্ত্র গুলিসহ গ্রেফতার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পল্টনে একটি বাড়িতে শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা মেহেদী আলমকে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে। এ সময় তার সহযোগী যুবরাজ খানকেও গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পল্টনের একটি হোটেলে খাওয়া-দাওয়া করে বিল না দিয়ে মেহেদী ও তার সহযোগীরা চলে যেতে চাইলে হোটেল কর্মীরা বাধা দেয়। এ সময় হোটেল কর্মীদের তারা মারধর করেন। এমন অভিযোগে পল্টনের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মেহেদী ও তার সহযোগী যুবরাজকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি ও ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় তার তিন সহযোগী পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

র‌্যাব জানায়, মিথিলা এন্টারপ্রাইজের নামে পল্টন এলাকায় মেহেদী মোটরসাইকেল পার্কিংয়ে চাঁদা আদায় করতেন। তার কাছে দুটি প্রেস আইডি কার্ড পাওয়া যায় যা সাধারণ জনগণকে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখাতে ব্যবহার করা হতো। সাধারণ মানুষকে ফাঁসাতে তারা বিভিন্ন ধরনের সিল ব্যবহার করতেন। কখনো কখনো মেহেদী ও তার সহযোগীরা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিতেন। পুলিশ পরিচয়েও তারা রাস্তায় পথচারীদের আটক করে মোবাইল ফোনসেট, মানিব্যাগসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করতেন। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মেহেদীর বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধারায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। যুবরাজের বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা রয়েছে। র‌্যাব আরও জানায়, ক্যাসিনো সম্রাটখ্যাত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটের অন্যতম সহযোগী মেহেদী হলেন মতিঝিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। সহযোগীদের নিয়ে মেহেদী ও যুবরাজ ফুটপাত দখল করে চাঁদা আদায়সহ নানা অপরাধের আস্তানা গড়ে তোলেন। নিজের ক্ষমতার প্রমাণ দিতে পল্টনে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তা দখল করেন মেহেদী। সেখান থেকে সহযোগীদের মাধ্যমে তিনি নানা অপরাধ করতেন। সম্রাটের গ্রেফতারের পর তিনি গাঢাকা দেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা মেহেদী অস্ত্র গুলিসহ গ্রেফতার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর পল্টনে একটি বাড়িতে শুক্রবার ভোরে অভিযান চালিয়ে র‌্যাব যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা মেহেদী আলমকে বিদেশি পিস্তল-গুলি ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে। এ সময় তার সহযোগী যুবরাজ খানকেও গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পল্টনের একটি হোটেলে খাওয়া-দাওয়া করে বিল না দিয়ে মেহেদী ও তার সহযোগীরা চলে যেতে চাইলে হোটেল কর্মীরা বাধা দেয়। এ সময় হোটেল কর্মীদের তারা মারধর করেন। এমন অভিযোগে পল্টনের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মেহেদী ও তার সহযোগী যুবরাজকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, দুই রাউন্ড গুলি ও ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় তার তিন সহযোগী পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

র‌্যাব জানায়, মিথিলা এন্টারপ্রাইজের নামে পল্টন এলাকায় মেহেদী মোটরসাইকেল পার্কিংয়ে চাঁদা আদায় করতেন। তার কাছে দুটি প্রেস আইডি কার্ড পাওয়া যায় যা সাধারণ জনগণকে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখাতে ব্যবহার করা হতো। সাধারণ মানুষকে ফাঁসাতে তারা বিভিন্ন ধরনের সিল ব্যবহার করতেন। কখনো কখনো মেহেদী ও তার সহযোগীরা নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিতেন। পুলিশ পরিচয়েও তারা রাস্তায় পথচারীদের আটক করে মোবাইল ফোনসেট, মানিব্যাগসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করতেন। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মেহেদীর বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধারায় পাঁচটি মামলা রয়েছে। যুবরাজের বিরুদ্ধেও তিনটি মামলা রয়েছে। র‌্যাব আরও জানায়, ক্যাসিনো সম্রাটখ্যাত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটের অন্যতম সহযোগী মেহেদী হলেন মতিঝিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী। সহযোগীদের নিয়ে মেহেদী ও যুবরাজ ফুটপাত দখল করে চাঁদা আদায়সহ নানা অপরাধের আস্তানা গড়ে তোলেন। নিজের ক্ষমতার প্রমাণ দিতে পল্টনে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তা দখল করেন মেহেদী। সেখান থেকে সহযোগীদের মাধ্যমে তিনি নানা অপরাধ করতেন। সম্রাটের গ্রেফতারের পর তিনি গাঢাকা দেন। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন