এক বছরে ঝরেছে ৬০ তাজা প্রাণ
jugantor
চট্টগ্রামে লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা
এক বছরে ঝরেছে ৬০ তাজা প্রাণ
হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্বিষহ জীবন অনেকের * গেটম্যান না থাকা, দায়িত্ব পালনে অনীহা, সিগন্যাল না মানার প্রবণতা দায়ী

  এমএ কাউসার, চট্টগ্রাম  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তদারকি না থাকায় মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে রেলের লেভেল ক্রসিংগুলো। গেটম্যানদের দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। শুধু চলতি বছরেই চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন অন্তত ৬০ জন। এর অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে লেভেল ক্রসিংয়ে। হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন অনেকে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫৮টি।

চট্টগ্রামে অন্তত দেড়শ অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব ক্রসিংয়ের অধিকাংশতেই নেই লোহার ব্যারিয়ার বা বার। নেই গেটম্যানও। অপরদিকে বৈধ ক্রসিংয়েও নেই পর্যাপ্ত লোকবল। অস্থায়ী লোকবলের মাধ্যমে সারিয়ে নেয়া হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাদের মধ্যে দায়িত্ব পালনেও রয়েছে উদাসীনতা।

একইভাবে পারাপারকারী যানবাহন ও মানুষের মধ্যেও রয়েছে সংকেত না মানার প্রবণতা। মূলত এসব কারণেই রেল ক্রসিংগুলোতে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হচ্ছে।

নাজিরহাট থেকে একটি ডেমু ট্রেন চট্টগ্রাম স্টেশনে যাওয়ার সময় নগরীর জাকির হোসেন সড়কের ঝাউতলা লেভেল ক্রসিংয়ে শনিবার সকালে প্রাণ যায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী, এক পুলিশ কনস্টেবল ও এক প্রকৌশলীর।

গেটম্যান উপস্থিত না থাকায় এবং লোহার ব্যারিয়ার এক পাশে উন্মুক্ত থাকায় অটোরিকশা উঠে যায় রেলপথে। পেছন থেকে ওই অটোরিকশা ধাক্কা মারে হিউম্যান হলারে। দুটি গাড়িই আছড়ে পড়ে ধাবমান ডেমু ট্রেনের ওপর। ঘটনার পর থেকে ঝাউতলা লেভেল ক্রসিংয়ের গেটম্যান পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, লেভেল ক্রসিংয়ে লোহার বার না ফেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে মুহাম্মদ সোলাইমান নামে এক তরুণের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ১ নম্বর গেটের কাছে রেলস্টেশনে রেললাইন পার হচ্ছিলেন সোলাইমান। বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশাপাশি চট্টগ্রামের অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে থাকা লেভেল ক্রসিংয়ের অর্ধেকের বেশি অবৈধ। রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে রেলপথ রয়েছে ২ হাজার ৯৫৫ কিলোমিটার। এই পথে মোট লেভেল ক্রসিং রয়েছে ২ হাজার ৫৪১টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৪০০টি বৈধ লেভেল ক্রসিং থাকলেও অবৈধ রয়েছে ১ হাজার ১৪১টি। আর ১ হাজার ৪০০টি বৈধ লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে গেটম্যান রয়েছে ৪৬৬টিতে। বাকি ৯৩৪টি ক্রসিং চালানো হয় অস্থায়ী লোকবলের মাধ্যমে।

রেলওয়ের ১ হাজার ১৪১টি অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় রয়েছে দেড় শতাধিক ক্রসিং। এগুলোর মধ্যে মিরসরাই উপজেলা এলাকার ৩০ কিলোমিটারে রয়েছে ৭০টি অবৈধ লেভেল ক্রসিং। সীতাকুণ্ডের ৩৮ কিলোমিটারের মধ্যে ৬০টি অবৈধ ক্রসিং। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আরও ২০টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে।

অপরদিকে পূর্বাঞ্চলের ৫১১টি বৈধ ক্রসিংয়ের মধ্যে গেট ব্যারিয়ার বা লোহার বার রয়েছে ২৫৭টিতে। এর মধ্যে ২২৯টিতে গেটম্যান থাকলেও বাকিগুলোতে কোনো গেটম্যান থাকে না। অবৈধ ক্রসিংগুলোতেও কোনো গেটম্যান নেই। এ কারণে যানবাহন ও মানুষজন নিজ দায়িত্বে রেল লাইনের ওপর দিয়ে পার হন। অসাবধানতায় ঘটে দুর্ঘটনা।

সূত্র আরও জানায়, চট্টগ্রামের অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের নাজিরহাট থেকে হাটহাজারী পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার রেলপথে প্রায় ২০টি লেভেল ক্রসিং থাকলেও গেটম্যান আছে শুধু ২টিতে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কদমতলী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার রেললাইনে ক্রসিং রয়েছে ২১টি। এগুলোর মধ্যেও অধিকাংশ অরক্ষিত।

সূত্রমতে, রেলওয়ের জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। ফলে প্রায় অর্ধেক লেভেল ক্রসিং চলছে অস্থায়ী গেটম্যান দিয়ে। অস্থায়ী গেটম্যানরা প্রকল্পের অধীনে কম বেতনে ও অনিয়মিত বেতনে চাকরি করায় কাজের প্রতি দায়িত্বশীল নন।

রোববার নগরীর ঝাউতলা, কদমতলীসহ বেশ কয়েকটি লেভেল ক্রসিংয়ে দেখা যায়, ট্রেন আসার কয়েক মিনিট আগে আটকে দেয়া হচ্ছে সড়কের দুই পাশ। তবে ট্রেন আসার কয়েক মুহূর্ত আগেও অধিকাংশ যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে উলটো পথে রেললাইনের ওপর দিয়ে পারাপার করছে। আবার অনেককেই হেঁটে পার হতে দেখা গেছে। দু-একটি ক্রসিংয়ে একজন গেটম্যান পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে যানবাহন এবং মানুষজন পারাপারে তাদের কোনো ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি।

কদমতলী রেল গেটে দায়িত্বরত গেটম্যান বলেন, ‘ট্রেন আসার আগে দুই সড়কের মুখে লোহার বার ফেলা হয়। এ সময় উলটোপথে যানবাহন ও মানুষজন চলাচল শুরু করে। আমরা নিষেধ করলেও কাজ হয় না। উলটো মারধর করতে গায়ের ওপর চলে আসে। এজন্য কিছু বলি না।’

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি নাজিম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ‘চলতি বছরে রেললাইনের দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬০ জন মারা গেছেন। এসব দুর্ঘটনার অধিকাংশই ঘটেছে লেভেল ক্রসিংয়ে। রেললাইনে কাটা পড়ে নিহতের ঘটনায় থানায় ৫৮টি মামলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘শনিবার ঝাউতলা এলাকায় রেলের সঙ্গে বাস ও সিএনজি অটোরিকশা সংঘর্ষের পর গেটম্যান আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

চট্টগ্রামে লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা

এক বছরে ঝরেছে ৬০ তাজা প্রাণ

হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্বিষহ জীবন অনেকের * গেটম্যান না থাকা, দায়িত্ব পালনে অনীহা, সিগন্যাল না মানার প্রবণতা দায়ী
 এমএ কাউসার, চট্টগ্রাম 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তদারকি না থাকায় মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে রেলের লেভেল ক্রসিংগুলো। গেটম্যানদের দায়িত্বে অবহেলা বা গাফিলতির কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। শুধু চলতি বছরেই চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন অন্তত ৬০ জন। এর অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে লেভেল ক্রসিংয়ে। হাত-পা বিচ্ছিন্ন হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন অনেকে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে ৫৮টি।

চট্টগ্রামে অন্তত দেড়শ অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব ক্রসিংয়ের অধিকাংশতেই নেই লোহার ব্যারিয়ার বা বার। নেই গেটম্যানও। অপরদিকে বৈধ ক্রসিংয়েও নেই পর্যাপ্ত লোকবল। অস্থায়ী লোকবলের মাধ্যমে সারিয়ে নেয়া হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাদের মধ্যে দায়িত্ব পালনেও রয়েছে উদাসীনতা।

একইভাবে পারাপারকারী যানবাহন ও মানুষের মধ্যেও রয়েছে সংকেত না মানার প্রবণতা। মূলত এসব কারণেই রেল ক্রসিংগুলোতে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হচ্ছে।

নাজিরহাট থেকে একটি ডেমু ট্রেন চট্টগ্রাম স্টেশনে যাওয়ার সময় নগরীর জাকির হোসেন সড়কের ঝাউতলা লেভেল ক্রসিংয়ে শনিবার সকালে প্রাণ যায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী, এক পুলিশ কনস্টেবল ও এক প্রকৌশলীর।

গেটম্যান উপস্থিত না থাকায় এবং লোহার ব্যারিয়ার এক পাশে উন্মুক্ত থাকায় অটোরিকশা উঠে যায় রেলপথে। পেছন থেকে ওই অটোরিকশা ধাক্কা মারে হিউম্যান হলারে। দুটি গাড়িই আছড়ে পড়ে ধাবমান ডেমু ট্রেনের ওপর। ঘটনার পর থেকে ঝাউতলা লেভেল ক্রসিংয়ের গেটম্যান পলাতক রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, লেভেল ক্রসিংয়ে লোহার বার না ফেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এরপর সন্ধ্যা ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-নাজিরহাট রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে মুহাম্মদ সোলাইমান নামে এক তরুণের দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ১ নম্বর গেটের কাছে রেলস্টেশনে রেললাইন পার হচ্ছিলেন সোলাইমান। বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইনের পাশাপাশি চট্টগ্রামের অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে থাকা লেভেল ক্রসিংয়ের অর্ধেকের বেশি অবৈধ। রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে রেলপথ রয়েছে ২ হাজার ৯৫৫ কিলোমিটার। এই পথে মোট লেভেল ক্রসিং রয়েছে ২ হাজার ৫৪১টি। এর মধ্যে ১ হাজার ৪০০টি বৈধ লেভেল ক্রসিং থাকলেও অবৈধ রয়েছে ১ হাজার ১৪১টি। আর ১ হাজার ৪০০টি বৈধ লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে গেটম্যান রয়েছে ৪৬৬টিতে। বাকি ৯৩৪টি ক্রসিং চালানো হয় অস্থায়ী লোকবলের মাধ্যমে।

রেলওয়ের ১ হাজার ১৪১টি অবৈধ লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় রয়েছে দেড় শতাধিক ক্রসিং। এগুলোর মধ্যে মিরসরাই উপজেলা এলাকার ৩০ কিলোমিটারে রয়েছে ৭০টি অবৈধ লেভেল ক্রসিং। সীতাকুণ্ডের ৩৮ কিলোমিটারের মধ্যে ৬০টি অবৈধ ক্রসিং। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আরও ২০টি লেভেল ক্রসিং রয়েছে।

অপরদিকে পূর্বাঞ্চলের ৫১১টি বৈধ ক্রসিংয়ের মধ্যে গেট ব্যারিয়ার বা লোহার বার রয়েছে ২৫৭টিতে। এর মধ্যে ২২৯টিতে গেটম্যান থাকলেও বাকিগুলোতে কোনো গেটম্যান থাকে না। অবৈধ ক্রসিংগুলোতেও কোনো গেটম্যান নেই। এ কারণে যানবাহন ও মানুষজন নিজ দায়িত্বে রেল লাইনের ওপর দিয়ে পার হন। অসাবধানতায় ঘটে দুর্ঘটনা।

সূত্র আরও জানায়, চট্টগ্রামের অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের নাজিরহাট থেকে হাটহাজারী পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার রেলপথে প্রায় ২০টি লেভেল ক্রসিং থাকলেও গেটম্যান আছে শুধু ২টিতে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কদমতলী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার রেললাইনে ক্রসিং রয়েছে ২১টি। এগুলোর মধ্যেও অধিকাংশ অরক্ষিত।

সূত্রমতে, রেলওয়ের জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে। ফলে প্রায় অর্ধেক লেভেল ক্রসিং চলছে অস্থায়ী গেটম্যান দিয়ে। অস্থায়ী গেটম্যানরা প্রকল্পের অধীনে কম বেতনে ও অনিয়মিত বেতনে চাকরি করায় কাজের প্রতি দায়িত্বশীল নন।

রোববার নগরীর ঝাউতলা, কদমতলীসহ বেশ কয়েকটি লেভেল ক্রসিংয়ে দেখা যায়, ট্রেন আসার কয়েক মিনিট আগে আটকে দেয়া হচ্ছে সড়কের দুই পাশ। তবে ট্রেন আসার কয়েক মুহূর্ত আগেও অধিকাংশ যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে উলটো পথে রেললাইনের ওপর দিয়ে পারাপার করছে। আবার অনেককেই হেঁটে পার হতে দেখা গেছে। দু-একটি ক্রসিংয়ে একজন গেটম্যান পতাকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। তবে যানবাহন এবং মানুষজন পারাপারে তাদের কোনো ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি।

কদমতলী রেল গেটে দায়িত্বরত গেটম্যান বলেন, ‘ট্রেন আসার আগে দুই সড়কের মুখে লোহার বার ফেলা হয়। এ সময় উলটোপথে যানবাহন ও মানুষজন চলাচল শুরু করে। আমরা নিষেধ করলেও কাজ হয় না। উলটো মারধর করতে গায়ের ওপর চলে আসে। এজন্য কিছু বলি না।’

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি নাজিম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ‘চলতি বছরে রেললাইনের দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬০ জন মারা গেছেন। এসব দুর্ঘটনার অধিকাংশই ঘটেছে লেভেল ক্রসিংয়ে। রেললাইনে কাটা পড়ে নিহতের ঘটনায় থানায় ৫৮টি মামলা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘শনিবার ঝাউতলা এলাকায় রেলের সঙ্গে বাস ও সিএনজি অটোরিকশা সংঘর্ষের পর গেটম্যান আলমগীর হোসেন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন