দুর্নীতির কালো হাত ভেঙে দিতে হবে কোনো ছাড় নয়: হাইকোর্ট
jugantor
রিফাতুলের জামিন আবেদন খারিজ
দুর্নীতির কালো হাত ভেঙে দিতে হবে কোনো ছাড় নয়: হাইকোর্ট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো দুর্নীতিকেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। দুর্নীতির কালো হাত ভেঙে ফেলতে হবে। দুর্নীতির বিষয়ে আমরা খুবই কঠোর। দুর্নীতিবাজদের কোনো ছাড় নেই। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

একই সঙ্গে আদালত ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা লুটের ঘটনায় মামলায় শাখার ক্যাশ-ইনচার্জ রিফাতুল হকের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। ভল্টের টাকা কীভাবে উধাও হয়, সে প্রশ্নও রাখেন হাইকোর্ট। আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান সোহেল। দুদকের পক্ষে ছিলেন এমএ আজিজ খান, ঢাকা ব্যাংকের পক্ষে অ্যাডভোকেট সাদিয়া আফরিন ও রাষ্ট্রপক্ষে একেএম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। প্রসঙ্গত, এ বছর জুনে বেসরকারি ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ১৭ জুন শাখাটির ইন্টারনাল অডিটে এই টাকা গায়েব হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে এ ঘটনায় ১৮ জুন ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। তারা হলেন ব্রাঞ্চের ক্যাশ-ইনচার্জ রিফাতুল হক, ম্যানেজার (অপারেশন) এমরান আহমেদ। পরে ওই মামলায় জামিন চেয়ে রিফাতুল হক হাইকোর্টে আবেদন জানান।

রিফাতুলের জামিন আবেদন খারিজ

দুর্নীতির কালো হাত ভেঙে দিতে হবে কোনো ছাড় নয়: হাইকোর্ট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো দুর্নীতিকেই হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। দুর্নীতির কালো হাত ভেঙে ফেলতে হবে। দুর্নীতির বিষয়ে আমরা খুবই কঠোর। দুর্নীতিবাজদের কোনো ছাড় নেই। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

একই সঙ্গে আদালত ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি টাকা লুটের ঘটনায় মামলায় শাখার ক্যাশ-ইনচার্জ রিফাতুল হকের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন। ভল্টের টাকা কীভাবে উধাও হয়, সে প্রশ্নও রাখেন হাইকোর্ট। আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান সোহেল। দুদকের পক্ষে ছিলেন এমএ আজিজ খান, ঢাকা ব্যাংকের পক্ষে অ্যাডভোকেট সাদিয়া আফরিন ও রাষ্ট্রপক্ষে একেএম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। প্রসঙ্গত, এ বছর জুনে বেসরকারি ঢাকা ব্যাংকের বংশাল শাখার ভল্ট থেকে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ১৭ জুন শাখাটির ইন্টারনাল অডিটে এই টাকা গায়েব হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। পরে এ ঘটনায় ১৮ জুন ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে পুলিশে দেওয়া হয়। তারা হলেন ব্রাঞ্চের ক্যাশ-ইনচার্জ রিফাতুল হক, ম্যানেজার (অপারেশন) এমরান আহমেদ। পরে ওই মামলায় জামিন চেয়ে রিফাতুল হক হাইকোর্টে আবেদন জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন