কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস ৩ দিনের রিমান্ডে
jugantor
কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস ৩ দিনের রিমান্ডে

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা আব্বাস আলীর তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক শংকর কুমার বিশ্বাস শুনানি শেষে তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

পুলিশের আবেদন করা ১০ দিনের রিমান্ড নিয়ে শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মেট্রোপলিটন আদালত-২-এর পিপি অ্যাডভোকেট মোসাব্বিরুল ইসলাম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক। পাবলিক প্রসিকিউটর মোসাব্বিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

উল্লেখ্য, ১ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি হোটেল থেকে র‌্যাব সদস্যরা আব্বাসকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার করে। ২ ডিসেম্বর র‌্যাবের পক্ষ থেকে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। রাসিকের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের করা মামলায় বোয়ালিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আব্বাসকে জেলহাজতে পাঠায়। একই সঙ্গে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়।

২৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে আব্বাসের ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের অডিও ফাঁস হয়। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন। এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদ থেকে আব্বাস আলীকে অব্যাহতি দিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাস ৩ দিনের রিমান্ডে

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা আব্বাস আলীর তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক শংকর কুমার বিশ্বাস শুনানি শেষে তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

পুলিশের আবেদন করা ১০ দিনের রিমান্ড নিয়ে শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন মেট্রোপলিটন আদালত-২-এর পিপি অ্যাডভোকেট মোসাব্বিরুল ইসলাম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক। পাবলিক প্রসিকিউটর মোসাব্বিরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

উল্লেখ্য, ১ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি হোটেল থেকে র‌্যাব সদস্যরা আব্বাসকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার করে। ২ ডিসেম্বর র‌্যাবের পক্ষ থেকে আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। রাসিকের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মোমিনের করা মামলায় বোয়ালিয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার দেখিয়ে আব্বাসকে জেলহাজতে পাঠায়। একই সঙ্গে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়।

২৩ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে আব্বাসের ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্যের অডিও ফাঁস হয়। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আব্দুল মোমিন। এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক পদ থেকে আব্বাস আলীকে অব্যাহতি দিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন