মেয়ের সামনে গৃহবধূকে ধর্ষণ
jugantor
মেয়ের সামনে গৃহবধূকে ধর্ষণ

  খুলনা ব্যুরো  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগেরহাট থেকে খুলনায় চিকিৎসককে দেখাতে এসেছিলেন এক গৃহবধূ। সঙ্গে ছিল ১১ বছরের মেয়ে ও ভাগ্নে। কিন্তু চিকিৎসকের দেখা (সিরিয়াল) পাননি। খুলনায় রাতটি থেকে পরদিন আবারও চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

এজন্য নগরীর হাদিস পার্ক সংলগ্ন সুন্দরবন আবাসিক হোটেলে দুটি কক্ষ ভাড়া নেন তিনি। একটিতে মেয়েকে নিয়ে ছিলেন, অন্যটিতে ভাগ্নে। সেখানেই মেয়ের সামনে ধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ।

এ ঘটনায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বুধবার মামলা করেছেন গৃহবধূ।

এজাহারে বলা হয়েছে, সুন্দরবনের হোটেলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে গৃহবধূ তার মেয়েকে নিয়ে এবং ৩০৮নং কক্ষে ভাগ্নে ছিলেন। মঙ্গলবার রাত সোয়া ২টার দিকে হোটেলের বয় গোলাম মোস্তফাকে নিয়ে ডিবির এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম ৩১৩ নম্বর কক্ষে এসে দরজায় নক করেন। তারা পুলিশ পরিচয় দিলে গৃহবধূ দরজা খুলে দেন।

জাহাঙ্গীর গৃহবধূর কাছে জানতে চান সঙ্গে থাকা মেয়েটি তার সন্তান কিনা। এ নিয়ে নানাভাবে জেরা করেন। এক পর্যায়ে হোটেল বয়কে কক্ষ থেকে বের করে মেয়ের সামনেই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন চলে আসে। তখন এসআই জাহাঙ্গীর আলম সেখান থেকে চলে যান। পরে গৃহবধূর ভাগ্নে বিষয়টি হোটেলের মালিককে জানালে তারা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ আসামিকে হেফাজতে নেয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান আল মামুন যুগান্তরকে জানান, মামলার বিষয়টি সঠিক। আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই গৃহবধূকে ওসিসিতে (ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) পাঠানো হয়েছে।

মেয়ের সামনে গৃহবধূকে ধর্ষণ

 খুলনা ব্যুরো 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগেরহাট থেকে খুলনায় চিকিৎসককে দেখাতে এসেছিলেন এক গৃহবধূ। সঙ্গে ছিল ১১ বছরের মেয়ে ও ভাগ্নে। কিন্তু চিকিৎসকের দেখা (সিরিয়াল) পাননি। খুলনায় রাতটি থেকে পরদিন আবারও চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

এজন্য নগরীর হাদিস পার্ক সংলগ্ন সুন্দরবন আবাসিক হোটেলে দুটি কক্ষ ভাড়া নেন তিনি। একটিতে মেয়েকে নিয়ে ছিলেন, অন্যটিতে ভাগ্নে। সেখানেই মেয়ের সামনে ধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ।

এ ঘটনায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বুধবার মামলা করেছেন গৃহবধূ।

এজাহারে বলা হয়েছে, সুন্দরবনের হোটেলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে গৃহবধূ তার মেয়েকে নিয়ে এবং ৩০৮নং কক্ষে ভাগ্নে ছিলেন। মঙ্গলবার রাত সোয়া ২টার দিকে হোটেলের বয় গোলাম মোস্তফাকে নিয়ে ডিবির এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম ৩১৩ নম্বর কক্ষে এসে দরজায় নক করেন। তারা পুলিশ পরিচয় দিলে গৃহবধূ দরজা খুলে দেন।

জাহাঙ্গীর গৃহবধূর কাছে জানতে চান সঙ্গে থাকা মেয়েটি তার সন্তান কিনা। এ নিয়ে নানাভাবে জেরা করেন। এক পর্যায়ে হোটেল বয়কে কক্ষ থেকে বের করে মেয়ের সামনেই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন চলে আসে। তখন এসআই জাহাঙ্গীর আলম সেখান থেকে চলে যান। পরে গৃহবধূর ভাগ্নে বিষয়টি হোটেলের মালিককে জানালে তারা থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ আসামিকে হেফাজতে নেয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান আল মামুন যুগান্তরকে জানান, মামলার বিষয়টি সঠিক। আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই গৃহবধূকে ওসিসিতে (ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার) পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন