এগারো ইউনিয়নেই বিনা ভোটে বিজয়ী আ.লীগ প্রার্থীরা
jugantor
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ
এগারো ইউনিয়নেই বিনা ভোটে বিজয়ী আ.লীগ প্রার্থীরা

  কুমিল্লা ব্যুরো  

১৮ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নেই বিনা ভোটে আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকা) চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। শুধু ভোট হবে ৩ ইউনিয়নের ১১টি ওয়ার্ডে। অবশিষ্ট সব ওয়ার্ডে সদস্যরাও বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে এসব ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী না থাকায় চেয়ারম্যান ও সদস্যরা বিনা ভোটেই বিজয়ী হচ্ছেন বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে। ওইসব ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদেরকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে প্রার্থীরা বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউপিতে নৌকার প্রার্থীরা বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন। এসব প্রার্থী প্রতিপক্ষের কোনো প্রার্থী যেন মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারেন, সে বিষয়টি পাহারা দিয়েছেন। কিছুসংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে চাইলেও নৌকার কর্মী-সমর্থকদের কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

নির্বাচন অফিস জানায়, ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে কয়েকজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ১১ ইউনিয়নেই নৌকার প্রার্থীরা বিনা ভোটে জয়ী হচ্ছেন। বিনা ভোটে বিজয়ী নৌকার চেয়ারম্যানরা হচ্ছেন, ১নং বাইশগাঁও ইউনিয়নে আলমগীর হোসেন বিএসসি, ২নং সরসপুর ইউনিয়নে আবদুল মন্নান, ৩নং হাসনাবাদ ইউনিয়নে কামাল হোসেন, ৪নং ঝলম উত্তর ইউনিয়নে আবদুল মজিদ খাঁন রাজু, ৫নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নে আশিকুর রহমান হিরণ, ৬নং মৈশাতুয়া ইউনিয়নে মফিজুর রহমান, ৭নং লক্ষণপুর ইউনিয়নে মহিন উদ্দিন চৌধুরী, ৮নং খিলা ইউনিয়নে আল আমিন ভুঁইয়া, ৯নং উত্তর হাওলা ইউনিয়নে আবদুল হান্নান হিরণ, ১০নং নাথেরপেটুয়া ইউনিয়নে আবদুল মান্নান চৌধুরী এবং ১১নং বিপুলাসার ইউনিয়নে ইকবাল মাহমুদ। অপরদিকে সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচন হবে বিপুলাসার ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে, সাধারণ সদস্য পদে ঝলম উত্তরের ৪নং ওয়ার্ড এবং মৈশাতুয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড। অবশিষ্ট সব ওয়ার্ডে নারী ও সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থীরা বিনা ভোটে বিজয়ী হতে যাচ্ছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজির হোসেন মিয়া বলেন, ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও নারী সদস্য পদে একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকা মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। তবে একটি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত ও সদস্য পদে এবং ২টি ইউনিয়নের ২টি ওয়ার্ডে সদস্য পদে নির্বাচন হবে। তফশিল অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে সেখানে ভোটগ্রহণের কথা।

লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসন। এ আসনের এমপি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এর আগে লাকসাম উপজেলার ৫ ইউনিয়নেও কোনো ইউপিতে ভোট হয়নি।

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ

এগারো ইউনিয়নেই বিনা ভোটে বিজয়ী আ.লীগ প্রার্থীরা

 কুমিল্লা ব্যুরো 
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নেই বিনা ভোটে আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকা) চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। শুধু ভোট হবে ৩ ইউনিয়নের ১১টি ওয়ার্ডে। অবশিষ্ট সব ওয়ার্ডে সদস্যরাও বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে এসব ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী না থাকায় চেয়ারম্যান ও সদস্যরা বিনা ভোটেই বিজয়ী হচ্ছেন বলে উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে। ওইসব ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদেরকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে প্রার্থীরা বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউপিতে নৌকার প্রার্থীরা বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে নানা কৌশল অবলম্বন করেন। এসব প্রার্থী প্রতিপক্ষের কোনো প্রার্থী যেন মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পারেন, সে বিষয়টি পাহারা দিয়েছেন। কিছুসংখ্যক প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে চাইলেও নৌকার কর্মী-সমর্থকদের কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।

নির্বাচন অফিস জানায়, ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে কয়েকজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ১১ ইউনিয়নেই নৌকার প্রার্থীরা বিনা ভোটে জয়ী হচ্ছেন। বিনা ভোটে বিজয়ী নৌকার চেয়ারম্যানরা হচ্ছেন, ১নং বাইশগাঁও ইউনিয়নে আলমগীর হোসেন বিএসসি, ২নং সরসপুর ইউনিয়নে আবদুল মন্নান, ৩নং হাসনাবাদ ইউনিয়নে কামাল হোসেন, ৪নং ঝলম উত্তর ইউনিয়নে আবদুল মজিদ খাঁন রাজু, ৫নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নে আশিকুর রহমান হিরণ, ৬নং মৈশাতুয়া ইউনিয়নে মফিজুর রহমান, ৭নং লক্ষণপুর ইউনিয়নে মহিন উদ্দিন চৌধুরী, ৮নং খিলা ইউনিয়নে আল আমিন ভুঁইয়া, ৯নং উত্তর হাওলা ইউনিয়নে আবদুল হান্নান হিরণ, ১০নং নাথেরপেটুয়া ইউনিয়নে আবদুল মান্নান চৌধুরী এবং ১১নং বিপুলাসার ইউনিয়নে ইকবাল মাহমুদ। অপরদিকে সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচন হবে বিপুলাসার ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে, সাধারণ সদস্য পদে ঝলম উত্তরের ৪নং ওয়ার্ড এবং মৈশাতুয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড। অবশিষ্ট সব ওয়ার্ডে নারী ও সাধারণ সদস্য পদের প্রার্থীরা বিনা ভোটে বিজয়ী হতে যাচ্ছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজির হোসেন মিয়া বলেন, ১১ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও নারী সদস্য পদে একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকা মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। তবে একটি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত ও সদস্য পদে এবং ২টি ইউনিয়নের ২টি ওয়ার্ডে সদস্য পদে নির্বাচন হবে। তফশিল অনুযায়ী, ৩১ জানুয়ারি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে সেখানে ভোটগ্রহণের কথা।

লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-৯ সংসদীয় আসন। এ আসনের এমপি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এর আগে লাকসাম উপজেলার ৫ ইউনিয়নেও কোনো ইউপিতে ভোট হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন