সাধারণ পদ্ধতিতে পার হচ্ছে ভারী যানবাহন
jugantor
পায়রা সেতুর ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি
সাধারণ পদ্ধতিতে পার হচ্ছে ভারী যানবাহন
ওয়েস্কেল থাকার পরও ব্যবহার হচ্ছে না * রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

  বিলাস দাস, পটুয়াখালী  

১৯ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে সর্বপ্রথম লং স্প্যানের নির্মিত অবকাঠামো হচ্ছে ‘পায়রা সেতু’। আধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সট্রা ডোজ কেবল পদ্ধতিতে নদীর মাঝ পয়েন্টের তিনটি লং স্প্যানকে ভাসিয়ে রাখা হচ্ছে। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। গত বছরের ২৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি উদ্বোধন করার পর শুরু হয় যান চলাচল। ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পান এই রুট দিয়ে যাতায়ত করা যাত্রীরা। কিন্তু সেতু ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়া পরপর দুটি দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এছাড়াও ইজারা ব্যতীত টোল আদায় নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। সেতুতে ওয়েস্কেল চালু না করায় র্নিধারিত রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের লেবুখালী ফেরিঘাটের দক্ষিণ পাশে সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী সেতুর আদলে পায়রা সেতু প্রকল্প গ্রহণ করলেও এটির ক্ষেত্রে আরও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার হয়েছে। সেতুতে থাকা ১৬৭টি বক্স গার্ডার সেগমেন্টের কারণে দূর থেকে দেখলে মনে হবে এটি শূন্যে ভেসে আছে। ১৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতুতে বসানো হয়েছে ১৩০ মিটার দৈর্ঘের বেশকিছু পাইল। এসব পাইল পদ্মা সেতুতে বসানো পাইলের থেকেও অধিক গভীর। ৩২টি স্প্যানের মূল সেতুটি বিভিন্ন মাপের ১০টি পিয়ার, পাইল ও পিয়ার ক্যাপের ওপর নির্মিত। ‘সর্বোচ্চ জোয়ারেও নদীর উপরিভাগ থেকে ১৮.৩০ মিটার উঁচুতে থাকবে সেতু। ৪ লেনবিশিষ্ট সেতুর উভয় পাশে ১ হাজার ২৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যরে অ্যাপ্রোচ সড়কে স্থাপন করা হয়েছে ডিজিটাল আলোকসজ্জা। দুর্ঘটনা ও ওভারলোডেড গাড়ির ক্ষেত্রে হেলথ মনিটরিং পদ্ধতি স্থাপন করা হয়েছে। নৌযানের বড় আঘাত থেকে সেতু রক্ষায় স্থাপন করা হয়েছে সেন্ডারপাইল।

কিন্তু এই মেগা প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ওভারলোড গাড়ি নিয়ন্ত্রণের জন্য সেতুর দুই প্রান্তে ওয়েস্কেল স্থাপন করা হলেও তা ব্যবহার হচ্ছে না। ফলে ওভারলোড গাড়ি নীতিমালা আওতায় না এসে সাধারণ টোল দিয়ে পারাপার হচ্ছে। সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, ১৫ টন পর্যন্ত সাধারণ টোলের আওতায় থাকবে। অতিরিক্ত ওজন ওয়েস্কেলে পরিমাপ করে বাড়তি টোল আদায় অথবা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুসন্ধান বলছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে পটুয়াখালী জেলা শহরের অন্তত শতাধিক ওভারলোড ট্রাক প্রবেশ করেছে। প্রতিটি ট্রাকে বহন করা হচ্ছে ২২ থেকে ২৩ টন লোহার রড ও ভারী পণ্য। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জেলা থেকে পটুয়াখালী শহরের একাধিক ব্যবসায়ী এই ভারী পণ্য আমদানি করেছেন। এছাড়াও জেলার বাকি ৭টি উপজেলায় আমদানি করা লোহার রড এবং ভারী পণ্য পায়রা সেতু পারাপার হয়েই গন্তব্যে পৌঁছায়। পাশাপাশি ঠিকাদারি কাজে ট্রাকে করে ৫-৬শ সিএফটি কালো পাথর আমদানি করা হচ্ছে শহরে। প্রকৌশল দপ্তর বলছে, ৫শ সিএফটি কালো পাথরের আনুমানিক ওজন হবে ২৩ টন। এছাড়া বিগত তিন মাসে অন্তত ৫ শতাধিক ওভারলোড যানবাহন পারাপার হয়েছে এই সেতু দিয়ে। এগুলো থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করা যেত। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এটা সম্ভব হয়নি।

তবে শিগগিরই ওয়েস্কেল চালু করে ওভারলোড যানবাহন সওজের নীতিমালায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাসুদ খান। তিনি বলেন, ওয়েস্কেল ব্যবহার একটি নতুন পদ্ধতি, যা ব্যবহারে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। আমরা ওয়েস্কেল ব্যবহারের অর্ডার পেয়েছি। শিগগিরই ওয়েস্কেল চালু হবে।

ইজারা ব্যতীত টোল আদায় নিয়ে নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে এই কর্মকর্তা বলেন, নীতিমালা মেনে এমএম বিল্ডার্সকে টোল আদায়ে নিয়োজিত করা হয়েছে। এক বছরের চুক্তিতে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে তারা কাজ করবে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বছরের প্রথম দিন টোলপ্লাজায় অর্থ পরিশোধকালে ডাম্প ট্রাকের চাপায় মারা যান পুলিশ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন। এর আগে পহেলা নভেম্বর সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের উলটো লেন ধরে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে মারা যায় রাইয়ান নামে এক স্কুলছাত্র। এছাড়া সেতুকেন্দ্রিক একাধিক দুর্ঘটনার খবর রয়েছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে টহলব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তারা বলেন, পায়রা সেতু এখন বিনোদন স্পট হয়ে উঠেছে। যে কারণে ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই নিরাপত্তা প্রয়োজন।

গত ২৯ ডিসেম্বর টোল আদায় নিয়ে এসআর পরিবহণের চালকের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পরে দুমকী থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সহসভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, সেতুতে টোল আদায়ে যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদের আচরণে বাস মালিক ও স্টাফরা ক্ষুব্ধ। তারা মানুষের সঙ্গে যা ইচ্ছে তাই ব্যবহার করে। এর প্রতিকার না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।

এ প্রসঙ্গে টোল ব্যবস্থাপনায় থাকা লুৎফর কবির বলেন, কম্পিউটারাইজড এবং সেন্সর পদ্ধতিতে টোল আদায় হচ্ছে। সবকিছু টেকনোলজি নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু চালকরা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোলপ্লাজা অতিক্রম করতে চায়, যা নিয়ে আমরাও ঝামেলায় পড়ছি। তবে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না।

পায়রা সেতুর ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি

সাধারণ পদ্ধতিতে পার হচ্ছে ভারী যানবাহন

ওয়েস্কেল থাকার পরও ব্যবহার হচ্ছে না * রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
 বিলাস দাস, পটুয়াখালী 
১৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে সর্বপ্রথম লং স্প্যানের নির্মিত অবকাঠামো হচ্ছে ‘পায়রা সেতু’। আধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সট্রা ডোজ কেবল পদ্ধতিতে নদীর মাঝ পয়েন্টের তিনটি লং স্প্যানকে ভাসিয়ে রাখা হচ্ছে। এ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা। গত বছরের ২৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি উদ্বোধন করার পর শুরু হয় যান চলাচল। ভোগান্তি থেকে পরিত্রাণ পান এই রুট দিয়ে যাতায়ত করা যাত্রীরা। কিন্তু সেতু ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এছাড়া পরপর দুটি দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। এছাড়াও ইজারা ব্যতীত টোল আদায় নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। সেতুতে ওয়েস্কেল চালু না করায় র্নিধারিত রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের ১৯ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কের লেবুখালী ফেরিঘাটের দক্ষিণ পাশে সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী সেতুর আদলে পায়রা সেতু প্রকল্প গ্রহণ করলেও এটির ক্ষেত্রে আরও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার হয়েছে। সেতুতে থাকা ১৬৭টি বক্স গার্ডার সেগমেন্টের কারণে দূর থেকে দেখলে মনে হবে এটি শূন্যে ভেসে আছে। ১৪৭০ মিটার দৈর্ঘ্যরে সেতুতে বসানো হয়েছে ১৩০ মিটার দৈর্ঘের বেশকিছু পাইল। এসব পাইল পদ্মা সেতুতে বসানো পাইলের থেকেও অধিক গভীর। ৩২টি স্প্যানের মূল সেতুটি বিভিন্ন মাপের ১০টি পিয়ার, পাইল ও পিয়ার ক্যাপের ওপর নির্মিত। ‘সর্বোচ্চ জোয়ারেও নদীর উপরিভাগ থেকে ১৮.৩০ মিটার উঁচুতে থাকবে সেতু। ৪ লেনবিশিষ্ট সেতুর উভয় পাশে ১ হাজার ২৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যরে অ্যাপ্রোচ সড়কে স্থাপন করা হয়েছে ডিজিটাল আলোকসজ্জা। দুর্ঘটনা ও ওভারলোডেড গাড়ির ক্ষেত্রে হেলথ মনিটরিং পদ্ধতি স্থাপন করা হয়েছে। নৌযানের বড় আঘাত থেকে সেতু রক্ষায় স্থাপন করা হয়েছে সেন্ডারপাইল।

কিন্তু এই মেগা প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ওভারলোড গাড়ি নিয়ন্ত্রণের জন্য সেতুর দুই প্রান্তে ওয়েস্কেল স্থাপন করা হলেও তা ব্যবহার হচ্ছে না। ফলে ওভারলোড গাড়ি নীতিমালা আওতায় না এসে সাধারণ টোল দিয়ে পারাপার হচ্ছে। সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, ১৫ টন পর্যন্ত সাধারণ টোলের আওতায় থাকবে। অতিরিক্ত ওজন ওয়েস্কেলে পরিমাপ করে বাড়তি টোল আদায় অথবা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুসন্ধান বলছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে পটুয়াখালী জেলা শহরের অন্তত শতাধিক ওভারলোড ট্রাক প্রবেশ করেছে। প্রতিটি ট্রাকে বহন করা হচ্ছে ২২ থেকে ২৩ টন লোহার রড ও ভারী পণ্য। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জেলা থেকে পটুয়াখালী শহরের একাধিক ব্যবসায়ী এই ভারী পণ্য আমদানি করেছেন। এছাড়াও জেলার বাকি ৭টি উপজেলায় আমদানি করা লোহার রড এবং ভারী পণ্য পায়রা সেতু পারাপার হয়েই গন্তব্যে পৌঁছায়। পাশাপাশি ঠিকাদারি কাজে ট্রাকে করে ৫-৬শ সিএফটি কালো পাথর আমদানি করা হচ্ছে শহরে। প্রকৌশল দপ্তর বলছে, ৫শ সিএফটি কালো পাথরের আনুমানিক ওজন হবে ২৩ টন। এছাড়া বিগত তিন মাসে অন্তত ৫ শতাধিক ওভারলোড যানবাহন পারাপার হয়েছে এই সেতু দিয়ে। এগুলো থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করা যেত। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এটা সম্ভব হয়নি।

তবে শিগগিরই ওয়েস্কেল চালু করে ওভারলোড যানবাহন সওজের নীতিমালায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন পটুয়াখালী সওজের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাসুদ খান। তিনি বলেন, ওয়েস্কেল ব্যবহার একটি নতুন পদ্ধতি, যা ব্যবহারে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন। আমরা ওয়েস্কেল ব্যবহারের অর্ডার পেয়েছি। শিগগিরই ওয়েস্কেল চালু হবে।

ইজারা ব্যতীত টোল আদায় নিয়ে নানা অভিযোগ প্রসঙ্গে এই কর্মকর্তা বলেন, নীতিমালা মেনে এমএম বিল্ডার্সকে টোল আদায়ে নিয়োজিত করা হয়েছে। এক বছরের চুক্তিতে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে তারা কাজ করবে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বছরের প্রথম দিন টোলপ্লাজায় অর্থ পরিশোধকালে ডাম্প ট্রাকের চাপায় মারা যান পুলিশ সদস্য সাখাওয়াত হোসেন। এর আগে পহেলা নভেম্বর সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের উলটো লেন ধরে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে মারা যায় রাইয়ান নামে এক স্কুলছাত্র। এছাড়া সেতুকেন্দ্রিক একাধিক দুর্ঘটনার খবর রয়েছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে টহলব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তারা বলেন, পায়রা সেতু এখন বিনোদন স্পট হয়ে উঠেছে। যে কারণে ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই নিরাপত্তা প্রয়োজন।

গত ২৯ ডিসেম্বর টোল আদায় নিয়ে এসআর পরিবহণের চালকের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পরে দুমকী থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সহসভাপতি মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, সেতুতে টোল আদায়ে যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদের আচরণে বাস মালিক ও স্টাফরা ক্ষুব্ধ। তারা মানুষের সঙ্গে যা ইচ্ছে তাই ব্যবহার করে। এর প্রতিকার না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।

এ প্রসঙ্গে টোল ব্যবস্থাপনায় থাকা লুৎফর কবির বলেন, কম্পিউটারাইজড এবং সেন্সর পদ্ধতিতে টোল আদায় হচ্ছে। সবকিছু টেকনোলজি নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু চালকরা ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোলপ্লাজা অতিক্রম করতে চায়, যা নিয়ে আমরাও ঝামেলায় পড়ছি। তবে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন