জনপ্রতিনিধি ও সিজিএ কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ১০
jugantor
প্রশ্নফাঁস চক্র
জনপ্রতিনিধি ও সিজিএ কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ১০

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘প্রশ্নফাঁসে জড়িত’ সরকারি কর্মকর্তা (সিজিএ) ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও কাকরাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিএমপির গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের (সিজিএ) কার্যালয়ের কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আজাদ এবং বগুড়ার ধুপচাঁচিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবা নাসরীন রূপা রয়েছেন। অন্যরা হলেন-নোমান সিদ্দিকী, আল আমিন রনি, নাহিদ হাসান, শহীদ উল্লাহ, তানজির আহমেদ, রাজু আহমেদ, হাসিবুল হাসান ও রাকিবুল হাসান। তাদের মধ্যে সিজিএ কর্মকর্তা আজাদ, নাহিদ, আল আমিন প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৯ সালেও গ্রেফতার হয়েছিলেন। শুক্রবার গ্রেফতারদের মধ্যে সাতজন প্রশ্নপত্র জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত। বাকি তিনজন পরীক্ষার্থী। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ইয়ার ডিভাইস ছয়টি, মাস্টার কার্ড মোবাইল সিম হোল্ডার ছয়টি, ব্যাংকের চেক পাঁচটি, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সাতটি, স্মার্টফোন ১০টি, ফিচার মোবাইল ছয়টি, প্রবেশপত্র ১৮টি ও চলমান পরীক্ষার ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের তিনটি সেট জব্দ করা হয়।

গোয়েন্দা প্রধান হাফিজ আক্তার বলেন, ডিবির কাছে তথ্য ছিল কিছু ব্যক্তি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মোবাইল অ্যাপস ও পরীক্ষার্থী পরিবর্তন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও সমাধান সরবরাহের কাজ করতে পারে। এসব ব্যক্তি বিভিন্ন সময় গ্রেফতারও হয়েছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়। ডিবি গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানে কাকরাইলের নিউ শাহিন হোটেল থেকে অসাধু উপায় অবলম্বনকারী দুই পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাফরুলের সেনপাড়া পর্বতার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ডিভাইস, প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্রের খসড়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি পুলিশের অপর একটি দল বিজি প্রেস উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী ও চক্রের অন্যতম পরিকল্পনাকারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপাকে গ্রেফতার করে। নগদ টাকা ও ডিজিটাল ডিভাইসসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যদের গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া এ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ আক্তার জানান, প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ের অধীন ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০টি অডিটর পদে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা শুক্রবার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানায়- নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও চাকরি পাইয়ে দিতে রকেট, বিকাশ ও নগদসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হয়। পরীক্ষার আগে চক্রটির একটি গ্রুপ পরীক্ষার্থী সংগ্রহ ও অর্থ হাতিয়ে নেয়। পরীক্ষার্থীপ্রতি ১৪ থেকে ১৬ লাখ টাকার লিখিত চুক্তি করা হয়। এমসিকিউ পরীক্ষার আগে কিছু টাকা চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নেয়। নিয়োগ পাওয়ার পর বাকি টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়। ১৮ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত ৯ জন শিক্ষার্থীর কাছে উত্তর সরবরাহের তথ্য মিলেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান হাফিজ আক্তার বলেন, একটি গ্রুপ অর্থ সংগ্রহ করেছে। আরেকটি গ্রুপ ডিভাইস সরবরাহ করেছে। রূপার ভূমিকা ছিল মিডিয়া (মাধ্যম) হিসাবে কাজ করা। পরীক্ষার্থীদের কাছে ডিভাইস সরবরাহের জন্য রূপা নিজেও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে-অন্য আসামিদের যোগসাজশে বিভিন্ন সোশ্যাল অ্যাপস ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা হল থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়, বাইরের রুমে ওয়ানস্টপ সমাধান কেন্দ্র বসিয়ে স্মার্ট ওয়াচ, ইয়ার ডিভাইস, মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে উত্তর সরবরাহ করে।

প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি সম্পর্কে হাফিজ আক্তার বলেন, পরীক্ষা শুরুর দুই-তিন মিনিটের মধ্যে ডিভাইসের মাধ্যমে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র বাইরে পাঠানো হয়। এরপর বাইরে থেকে প্রশ্নপত্রের সমাধান করে সব প্রশ্নের উত্তর ডিভাইসের মাধ্যমে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো হয়। এ অবস্থায় এ পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো সংস্থা চায় না পরীক্ষা বিতর্কিত হোক। পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরই সিদ্ধান্ত নেবে।

হাফিজ আক্তার আরও বলেন, এর আগেও গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়, জ্বালানি অধিদপ্তর, সমবায় অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর, সাধারণ বীমা করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও উত্তরপত্র সরবরাহ করেছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তারা হাতিয়ে নিয়েছে।

প্রশ্নফাঁস চক্র

জনপ্রতিনিধি ও সিজিএ কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ১০

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘প্রশ্নফাঁসে জড়িত’ সরকারি কর্মকর্তা (সিজিএ) ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও কাকরাইলের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিএমপির গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের (সিজিএ) কার্যালয়ের কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আজাদ এবং বগুড়ার ধুপচাঁচিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুবা নাসরীন রূপা রয়েছেন। অন্যরা হলেন-নোমান সিদ্দিকী, আল আমিন রনি, নাহিদ হাসান, শহীদ উল্লাহ, তানজির আহমেদ, রাজু আহমেদ, হাসিবুল হাসান ও রাকিবুল হাসান। তাদের মধ্যে সিজিএ কর্মকর্তা আজাদ, নাহিদ, আল আমিন প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ২০১৩, ২০১৬ ও ২০১৯ সালেও গ্রেফতার হয়েছিলেন। শুক্রবার গ্রেফতারদের মধ্যে সাতজন প্রশ্নপত্র জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত। বাকি তিনজন পরীক্ষার্থী। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ইয়ার ডিভাইস ছয়টি, মাস্টার কার্ড মোবাইল সিম হোল্ডার ছয়টি, ব্যাংকের চেক পাঁচটি, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সাতটি, স্মার্টফোন ১০টি, ফিচার মোবাইল ছয়টি, প্রবেশপত্র ১৮টি ও চলমান পরীক্ষার ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের তিনটি সেট জব্দ করা হয়।

গোয়েন্দা প্রধান হাফিজ আক্তার বলেন, ডিবির কাছে তথ্য ছিল কিছু ব্যক্তি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, মোবাইল অ্যাপস ও পরীক্ষার্থী পরিবর্তন করে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও সমাধান সরবরাহের কাজ করতে পারে। এসব ব্যক্তি বিভিন্ন সময় গ্রেফতারও হয়েছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়। ডিবি গুলশান বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানে কাকরাইলের নিউ শাহিন হোটেল থেকে অসাধু উপায় অবলম্বনকারী দুই পরীক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাফরুলের সেনপাড়া পর্বতার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ডিভাইস, প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্রের খসড়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। ডিবি পুলিশের অপর একটি দল বিজি প্রেস উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী ও চক্রের অন্যতম পরিকল্পনাকারী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রূপাকে গ্রেফতার করে। নগদ টাকা ও ডিজিটাল ডিভাইসসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যদের গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া এ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ আক্তার জানান, প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ের অধীন ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০টি অডিটর পদে ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা শুক্রবার ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানায়- নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ও চাকরি পাইয়ে দিতে রকেট, বিকাশ ও নগদসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হয়। পরীক্ষার আগে চক্রটির একটি গ্রুপ পরীক্ষার্থী সংগ্রহ ও অর্থ হাতিয়ে নেয়। পরীক্ষার্থীপ্রতি ১৪ থেকে ১৬ লাখ টাকার লিখিত চুক্তি করা হয়। এমসিকিউ পরীক্ষার আগে কিছু টাকা চক্রের সদস্যরা হাতিয়ে নেয়। নিয়োগ পাওয়ার পর বাকি টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়। ১৮ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত ৯ জন শিক্ষার্থীর কাছে উত্তর সরবরাহের তথ্য মিলেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান হাফিজ আক্তার বলেন, একটি গ্রুপ অর্থ সংগ্রহ করেছে। আরেকটি গ্রুপ ডিভাইস সরবরাহ করেছে। রূপার ভূমিকা ছিল মিডিয়া (মাধ্যম) হিসাবে কাজ করা। পরীক্ষার্থীদের কাছে ডিভাইস সরবরাহের জন্য রূপা নিজেও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে-অন্য আসামিদের যোগসাজশে বিভিন্ন সোশ্যাল অ্যাপস ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা হল থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়, বাইরের রুমে ওয়ানস্টপ সমাধান কেন্দ্র বসিয়ে স্মার্ট ওয়াচ, ইয়ার ডিভাইস, মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে উত্তর সরবরাহ করে।

প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি সম্পর্কে হাফিজ আক্তার বলেন, পরীক্ষা শুরুর দুই-তিন মিনিটের মধ্যে ডিভাইসের মাধ্যমে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র বাইরে পাঠানো হয়। এরপর বাইরে থেকে প্রশ্নপত্রের সমাধান করে সব প্রশ্নের উত্তর ডিভাইসের মাধ্যমে নির্ধারিত পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো হয়। এ অবস্থায় এ পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো সংস্থা চায় না পরীক্ষা বিতর্কিত হোক। পরীক্ষা বাতিল হবে কিনা তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরই সিদ্ধান্ত নেবে।

হাফিজ আক্তার আরও বলেন, এর আগেও গ্রেফতার ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়, জ্বালানি অধিদপ্তর, সমবায় অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর, সাধারণ বীমা করপোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও উত্তরপত্র সরবরাহ করেছে। এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তারা হাতিয়ে নিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন