ডা. ফাতেমাকে ফের মন্ত্রণালয়ে তলব
jugantor
ডা. ফাতেমাকে ফের মন্ত্রণালয়ে তলব

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্য গোপন করে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে গঠিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিকে সদুত্তর দিতে না পারায় আজ আবার তলব করা হয়েছে ডা. ফাতেমা দোজাকে। দুপুর ১২টার মধ্যে তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে বৈধ কাগজ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিটি।

যুগান্তরে ১০ জানুয়ারি ‘চাকরি নেই তবু ১০ বছর পাচ্ছেন বেতন বোনাস!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিনই ডা. ফাতেমা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হাজির হন। নিজের বক্তব্য জানান। তবে কমিটির সদস্যরা তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট হননি। এ কারণে কাগজপত্রসহ লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চান তিনি। তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে সময় দেন। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও যুক্তি উপস্থাপন বা কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি তিনি। ফলে তাকে আবার ডাকা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, এখনো তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ করে আমরা প্রতিবেদন জমা দেব। সেখানে শাস্তির বিষয়ে বলা হবে। কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী অবশ্যই শাস্তি পাবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ এ বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে চাইলে তার রেকর্ড নেওয়া হবে। এ ছাড়া সরেজমিন তদন্তে কাল-পরশুর মধ্যে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালেও যেতে পারি। সে লক্ষ্যেই কাজ হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তারা তিনটি বিষয় মাথায় রেখে কাজ করছেন। এক বছরের মধ্যে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়া ফাইল কেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালো না। কার সংশ্লিষ্টতায় অব্যাহতির নথি উধাও হয়ে গেল। এ ছাড়া কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি দেওয়া হবে। সবশেষে যে কর্মকর্তার সময় তিনি চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন, যার স্বাক্ষর ছিল অব্যাহতি পত্রে-তার কাছে জানতে চাওয়া হবে।

ডা. ফাতেমাকে ফের মন্ত্রণালয়ে তলব

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্য গোপন করে বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগে গঠিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিকে সদুত্তর দিতে না পারায় আজ আবার তলব করা হয়েছে ডা. ফাতেমা দোজাকে। দুপুর ১২টার মধ্যে তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে বৈধ কাগজ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিটি।

যুগান্তরে ১০ জানুয়ারি ‘চাকরি নেই তবু ১০ বছর পাচ্ছেন বেতন বোনাস!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিনই ডা. ফাতেমা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে হাজির হন। নিজের বক্তব্য জানান। তবে কমিটির সদস্যরা তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট হননি। এ কারণে কাগজপত্রসহ লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চান তিনি। তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে সময় দেন। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেও যুক্তি উপস্থাপন বা কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি তিনি। ফলে তাকে আবার ডাকা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মিনা মাসুদ উজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, এখনো তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ করে আমরা প্রতিবেদন জমা দেব। সেখানে শাস্তির বিষয়ে বলা হবে। কেউ অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী অবশ্যই শাস্তি পাবেন। তিনি আরও বলেন, কেউ এ বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে চাইলে তার রেকর্ড নেওয়া হবে। এ ছাড়া সরেজমিন তদন্তে কাল-পরশুর মধ্যে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালেও যেতে পারি। সে লক্ষ্যেই কাজ হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তারা তিনটি বিষয় মাথায় রেখে কাজ করছেন। এক বছরের মধ্যে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেওয়া ফাইল কেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পৌঁছালো না। কার সংশ্লিষ্টতায় অব্যাহতির নথি উধাও হয়ে গেল। এ ছাড়া কারণ ব্যাখ্যা চেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি দেওয়া হবে। সবশেষে যে কর্মকর্তার সময় তিনি চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন, যার স্বাক্ষর ছিল অব্যাহতি পত্রে-তার কাছে জানতে চাওয়া হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন