বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন
jugantor
ঘুসের টাকাসহ গ্রেফতার
বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৯ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঘুসের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর ও কনসালট্যান্ট এইচএম রাশেদ সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক জাহিদ কালাম এ মামলাটি তদন্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিগগিরই মামলা বিচারের লক্ষ্যে চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে বলে জানান তিনি।

দুদক সূত্র জানায়, ২ লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় এক পাইলটকে দুই দফা বাণিজ্যিক পাইলট (সিপি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেননি সিভিল এভিয়েশনের জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর ও কনসালট্যান্ট এইচএম রাশেদ সরকার। পরে বাধ্য হয়ে দুই কিস্তিতে ২ লাখ টাকা ঘুস দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে রাজি হন ওই পাইলট। প্রথম কিস্তির ১ লাখ টাকা নিতে এসে দুদকের কাছে হাতেনাতে গ্রেফতার হন তিনি। ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে রাশেদকে গ্রেফতার করে দুদক। ওই দিনই দুদকের সহকারী পরিচালক তাহসিন মোনাবিল হক বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

ওই পাইলট দুদকের কাছে অভিযোগ করেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু ঘুষ না দেওয়ায় বাণিজ্যিক পাইলট পরীক্ষায় (২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর) তাকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে দুদকে অভিযোগ করেন। এরপর দুদক টিম ফাঁদ পেতে আসামি রাশেদকে গ্রেফতার করে।

ঘুসের টাকাসহ গ্রেফতার

বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৯ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঘুসের টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর ও কনসালট্যান্ট এইচএম রাশেদ সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দুদকের উপ-পরিচালক জাহিদ কালাম এ মামলাটি তদন্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক যুগান্তরকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শিগগিরই মামলা বিচারের লক্ষ্যে চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে বলে জানান তিনি।

দুদক সূত্র জানায়, ২ লাখ টাকা ঘুষ না দেওয়ায় এক পাইলটকে দুই দফা বাণিজ্যিক পাইলট (সিপি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেননি সিভিল এভিয়েশনের জুনিয়র লাইসেন্স ইন্সপেক্টর ও কনসালট্যান্ট এইচএম রাশেদ সরকার। পরে বাধ্য হয়ে দুই কিস্তিতে ২ লাখ টাকা ঘুস দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে রাজি হন ওই পাইলট। প্রথম কিস্তির ১ লাখ টাকা নিতে এসে দুদকের কাছে হাতেনাতে গ্রেফতার হন তিনি। ২০১৯ সালের ৬ ডিসেম্বর রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে রাশেদকে গ্রেফতার করে দুদক। ওই দিনই দুদকের সহকারী পরিচালক তাহসিন মোনাবিল হক বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

ওই পাইলট দুদকের কাছে অভিযোগ করেন, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু ঘুষ না দেওয়ায় বাণিজ্যিক পাইলট পরীক্ষায় (২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ও ৪ ডিসেম্বর) তাকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে দুদকে অভিযোগ করেন। এরপর দুদক টিম ফাঁদ পেতে আসামি রাশেদকে গ্রেফতার করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন